সোনালী সংসার – মুহাম্মদ মফিজুল ইসলাম – ফ্রি পিডিএফ ডাউনলোড – Free PDF Download

সোনালী সংসার – মুহাম্মদ মফিজুল ইসলাম – ফ্রি পিডিএফ ডাউনলোড – Free PDF Download এই বইটি ডাউনলোড করে নিন এখনি। আরো নতুন নতুন বই পেতে ভিজিট করুন আমাদের বই লাইব্রেরি।

মহান আল্লাহ বলেন –

পড়ো! তোমার প্রভুর নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন

আল কুরআন

জগতের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত প্রত্যেক জমানায়, প্রত্যেক সময়ে কিছু মানুষ এমন ছিল যারা অজানাকে জানতে চেয়েছে, বুঝতে চেয়েছে। অনুধাবন করতে চেষ্টা করেছে বিশ্বজগতের গূঢ় রহস্য, অবলোকন করেছে পরম বিস্ময়ের সাথে মহাকাশের লীলাখেলা। এই মানুষগুলোর নিরন্তর প্রচেষ্টার ফলেই আজ আমরা এখানে দাঁড়িয়ে আছি এবং এত সুন্দর কিছু প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারছি, পৃথিবী এগিয়ে যাচ্ছে উন্নয়নের সোপান বেয়ে তরতর করে। এই পথচলার মাঝেই আরেকটি ক্ষুদ্র প্রয়াস আমাদের এই ওয়েবসাইট। এখানে বাংলাভাষায় এবং অন্যান্য সকল ভাষায় পরবর্তীতে সর্বাধিক বইয়ের লাইব্রেরি করার ইচ্ছা আমাদের রয়েছে। বারবার এই সাইট বন্ধ হয়েছে, অন্য নামে আবার এসেছে, আসবে। এইজন্যে আপনাদের সাপোর্ট প্রয়োজন। আপনারা প্রতিনিয়ত সাইটে ভিজিট করে যাবেন এই আশাবাদ ব্যক্ত করছি। আমাদের জানাবেন কোনো সমস্যা থাকলে।

বইটি সম্পর্কেঃ

অনুবাদঃ মুহাম্মদ মফিজুল ইসলাম

পৃষ্ঠাসংখ্যাঃ ১১৩

সোনালী সংসার – বইটির এক ঝলকঃ

দুই বান্ধবীর আলাপ আজ বেশ জমে উঠেছে। ফারহানা বলে- নাজনীন ! আমার জীবনের কোনো কিছুই তোর অজানা নেই। যখন যা ঘটে সবই তোর কাছে বলি। কিন্তু একটি বিষয় কোনোদিন আমি তোর নিকট বলি নি। কিন্তু আজ না বলে পারছি না। আর এজন্যেই তোকে এখানে নিয়ে এসেছি।
ঃ বল্ বোন বল্ । আমার খুব শুনতে ইচ্ছে করছে।
ফারহানা বলতে শুরু করলো-
গত বছর গ্রীষ্মের ছুটিতে বাড়িতে যাই। দুদিন পর আমার বড় ভাই কামালের সাথে ওর এক বন্ধু আমাদের বাড়িতে বেড়াতে আসে। ছেলেটির নাম কায়সার। শিক্ষিত ছেলে। এম. এ পাশ। এক বেসরকারি ফার্মে চাকরি করে। বলিষ্ঠ সুশ্রী পুরুষ। কিছু কিছু ছেলে এমন আছে যাদেরকে একবার দেখলে বারবার দেখতে ইচ্ছে করে। কায়সার ছিল তাদের দলে।
ভাইয়ের বন্ধু হিসেবে আমি তার সাথে পরিচিত হই। কথাবার্তা বলি । উত্তমরূপে আদর আপ্যায়ন করি। সে আমাদের বাড়িতে চারদিন ছিল । প্রথম দিনেই সে আমার সাথে ভাব জমিয়ে ফেলে। পরের তিন দিন যখনই ভাই কোথাও চলে যেত তখনই সে আমাকে কাছে ডাকতো। আমি আনন্দ চিত্তেই তার কাছে যেতাম। পড়াশুনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলাপ আলোচনা করতাম । এতে বাসার কেউই কিছু মনে করতো না।
নাজনীন! কায়সার শিক্ষিত ছেলে হলেও তার মনটি যেমন ছিলো কুৎসিত লালসাপূর্ণ, তেমনি সচতুর ছিলো সে। তার ভিতরের রূপটা কেউ সহজে ধরতে পারতো না। যেমনটি আমি পারি নি। আর পারি নি বলেই আমার এতবড় সর্বনাশ হতে যাচ্ছিলো। বিড়াল তপস্বীর মতো নিজকে সাধু সাজিয়ে কার্য সিদ্ধির উপায় খুঁজতো সে।
এরপর থেকে কায়সার প্রায়ই আমাদের বাসায় আসতো। আমি বাড়িতে আছি কিনা ফোনে আগেই খবর নিতো। এভাবে কয়েক মাস চলার পর এক পর্যায়ে একে অপরকে প্রচণ্ডভাবে ভালোবেসে ফেলি।
এতটুকু বলার পর ফারহানার মুখ থেকে একটি দীর্ঘশ্বাস বের হয়ে আসে। তারপর আবার বলে-
নাজনীন! হুজুরদের মুখে এবং বিভিন্ন ধর্মীয় বই পুস্তক পড়েছি, তরুণ তরুণীদের বিবাহ পূর্ব প্রেম-ভালবাসা, দেখা-সাক্ষাত, আলাপ-আলোচনা, মন দেওয়া-নেওয়া, চিঠি-পত্রের আদান-প্রদান সবই হারাম এবং না জায়েজ। এই সহজ সুন্দর কথাটি তখন বুঝে না আসলেও আজ আমার হাড়ে হাড়ে বুঝে আসছে। শুধু বুঝেই আসে নি, পৃথিবীর সকল তরুণ-তরুণী এবং যুবক- যুবতীকে লক্ষ্য করে চিৎকার করে বলতে ইচ্ছে করছে-
হে যৌবনের জোয়ারে ভাসমান তরুণ-তরুণীরা! তোমরা ইসলামের শাশ্বত বিধান ‘পর্দা’ রক্ষা করে চলো। বিবাহপূর্ব প্রেম-ভালবাসার কবর রচনা করে ইসলামী বিধি মোতাবেক জীবন যাপন করো। এতেই তোমাদের সম্মান, এতেই তোমাদের ইজ্জত, এতেই রয়েছে তোমাদের নিরাপত্তার গ্যারান্টি।
নাজনীন! আমি তোর কাছে আমাদের এ ভালোবাসা ও গোপন অভিসারের কথা বলতে গিয়েও বলি নি। তুই আবার কি মনে করবি এজন্য বলা হয় নি। গত বন্ধের সময় আমি যখন বাড়িতে যাই তখনই আমার জীবনে ঘটে যায় আরেকটি মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। কিন্তু আল্লাহর অসীম রহমত যে, মাসুম ভাইয়ের ওসিলায় আমি সেদিন চূড়ান্ত সর্বনাশ থেকে বেঁচে যাই।
ঃ এ জন্যেই বুঝি মাসুম ভাইয়ের খোঁজ খবর নিচ্ছিস। কথার মাঝখান দিয়ে নাজনীন বলে উঠে।
ঃ হ্যাঁ, তাই। আগামী কালই আমি মামানীসহ তোকে নিয়ে মাসুম ভাইদের বাসায় যাবো। তার স্ত্রীর সাথে পরিচিত হবো। সেখানে পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত নিবো আমাদের সামনের করণীয় কি?
ঠিক আছে যাবো তোদের সাথে। এখন বাকি ঘটনা বল্‌ ।
ফারহানা বলে-
কায়সারের সাথে ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধি পাওয়ার পর একদিন দুপুর বারটার দিকে সে আমাদের বাসায় আসে। বাসায় সেদিন কাজের ছেলেটি ছাড়া আর কেউ ছিল না। আব্বা আম্মা ও ছোট ভাই হাবীব আমার খালার বাসায় বেড়াতে গেছেন। দু’তিন দিন থাকবেন। কায়সার এ খবর কিভাবে যেন পেয়ে যায়। আমাদের দেখাশুনার জন্য বড় ভাই তখন বাড়িতে ছিলেন। কিন্তু সুচতুর কায়সার মিথ্যা কথা বলে চাকরির ভুয়া খবর দিয়ে ভাইকে আজ সকালে ঢাকা যেতে বলে।
বড় ভাই খবর পেয়ে আমাকে ডেকে বললেন- ফারহানা ! চাকরির ব্যাপারে কায়সার ফোন করেছে। আমাকে আজ সকাল ১০টায় ঢাকায় যেতে বলেছে। আমি যাচ্ছি। সন্ধ্যা নাগাদ ফিরবো। এ বলে তিনি চলে গেলেন । কায়সার আমাকে বাসার একটি নির্জন কক্ষে ডাকে । কাজের ছেলেটিকে দূরে সরানোর জন্য মিষ্টি আনার বাহানা দিয়ে তাকে বাজারে পাঠিয়ে দেয়। তখন আমার মনে ভয় ঢুকলেও সৌজন্যের খাতিরে যাই। প্রথমে সে আমার সাথে অন্যান্য দিনের মতোই ভালো ব্যবহার করে। পড়াশুনার খোঁজ খবর নেয়। কুশলাদি জিজ্ঞেস করে। তারপর এক পর্যায়ে নাপাক প্রস্তাব পেশ করে।
এতক্ষণে আমার হুঁশ ফিরে আসে। আমি বুঝতে পারি, অসময়ে তার আগমনের কারণ। কায়সারের দ্বারা এমনটি হতে পারে ইতোপূর্বে কখনোই ভাবতে পারি নি আমি। কিন্তু যা ভাবি নি, ভাবতে পারি নি, তাই আজ বাস্তব হয়ে দেখা দিল ।
কায়সার আমার পক্ষ থেকে কোনো জবাব না পেয়ে বললো- ফারহানা ! ভয় পাচ্ছ বুঝি! ক’দিন পর তো আমাদের বিয়েই হবে। সুতরাং তার আগে……….।
আমি তাকে কথা শেষ করতে দিলাম না। রাগে ফুলে উঠেছে আমার দেহের প্রতিটি মাংসপেশী। মুখমন্ডল হয়ে উঠেছে রক্তের মতো লাল। হঠাৎ আমার অজান্তেই একটা শক্ত চপেটাঘাত তার গালে আঘাত হানে। সেই সঙ্গে আমার মুখ থেকে বের হয় ।
কায়সার! তুমি যে এতটা কুৎসিত মনের মানুষ তা আগে জানতাম না । তোমাকে আমি যে পরিমাণ ভালোবাসতাম আজ থেকে সেই পরিমাণ ঘৃণা করি। মনে রেখো, চরিত্রহীন কুৎসিতমনা কোনো পুরুষকে কোনো সৎচরিত্রা নারী প্রেম-প্রীতি আর ভালোবাসা দিয়ে গ্রহণ করতে পারে না।
চপেটাঘাত খাওয়ার সাথে সাথে কায়সার যেন দানবে পরিণত হয়। লজ্জা, ক্ষোভে লাল হয়ে উঠে তার চোখ মুখ। সঙ্গে সঙ্গে সে আমার দিকে এগিয়ে আসে। আমি নিজকে বাঁচানোর জন্য দ্রুত রুম থেকে বের হয়ে পড়ি । সেও আমার পিছনে পিছনে আসতে থাকে। বলতে থাকে- ফারহানা ! এই অপমানের চরম শাস্তি তোমাকে অবশ্যই ভোগ করতে হবে।
এমন সময় কাজের ছেলেটি মিষ্টি নিয়ে ফিরে আসায় কায়সার থমকে দাঁড়ায়। আমিও তখনকার মতো পাষণ্ডের হাত থেকে নিষ্কৃতি পাই। রক্ষিত হয় আমার ইজ্জত-সম্ভ্রম। এরপর কায়সার দেরি না করে বাড়ি থেকে বের হয়ে চলে যায়। লজ্জার কারণে এ ঘটনা আমি কাউকে বলি নি। এমনকি বড় ভাইকেও নয়। এর কয়েক দিন পর রাতের বেলা প্রাকৃতিক প্রয়োজন সেরে ঘরে ফিরার সময় মুখোশ পরা কয়েকজন যুবক আমার মুখ চেপে ধরে এবং আমাকে পাঁজাকোলে করে রাস্তার অদূরে এক ভগ্ন দেয়ালের কাছে সম্ভ্রম হানির চেষ্টা চালায়। এসময় মাসুম ভাই আমাকে উদ্ধার করে বাসায় পৌঁছে দেয়। সত্যি নাজনীন! মাসুম ভাই যে কত ভদ্র ও অমায়িক, কত বিনয়ী ও নম্র, কত সাহসী ও চরিত্রবান তা আমি সেদিনই বুঝতে পেরেছি।
ঃ মাসুম ভাইয়ের বউ তো ওর চেয়েও বেশি অমায়িক ও মিশুক। তবে এরা হুজুর টাইপের লোক কিনা এজন্য তাদের বাসায় আমার আসা যাওয়া তেমন নেই। নাজনীন বললো ।
ঃ হ্যাঁ, ভাই! দীনদার লোকদের থেকে দূরে থাকা, তাদের সংশ্রবে না যাওয়া আমারও অভ্যাস ছিলো। সেজন্য আতিকা মামানীকেও আমি পছন্দ করতাম না। কেননা তার কাছে গেলেই পর্দার কথা, নামাজের কথা, ইত্যাদি বলতো। কিন্তু আজ আমার ভুল ভেঙ্গেছে। নিয়ত করেছি, বাকি জীবন এসব নেক লোকদের কাছেই ভীড়ে থাকবো। কেননা, মূলত তারাই আমাদেরকে
কল্যাণের পথ দেখান ।
সেদিন কথাবার্তার শেষ পর্যায়ে আতিকা বেগমও শরিক হয়েছিলেন। ফারহানার মনোভাব পরিবর্তন হতে দেখে তিনি দারুন খুশি হলেন। সেই সাথে মাসুমের স্ত্রী নাজিয়ার সাথেও পরিচিত হওয়ার আগ্রহ পেশ করলেন। অবশেষে পরামর্শ মোতাবেক সিদ্ধান্ত হলো আগামী শুক্রবার সকাল ১০ টায় এরা তিনজন মাসুমদের বাসায় যাবে। তবে এর আগে নাজনীন ফোন করে নিশ্চিত হবে যে, মাসুম তখন বাসায় থাকবে কিনা ।
[নয়]
মাসুম তার সিদ্ধান্ত মোতাবেক কাজ শুরু করে দিয়েছে। সে এখন জোরদার ভাবে তাবলীগের বিভিন্ন কাজে শরিক হয়। নিয়মিত ঘরে ও মসজিদে শাইখুল হাদীস হযরত যাকারিয়া (র.) লিখিত ফাযায়েলে আমল কিতাবখানা দিয়ে তালীম করে। প্রতি সপ্তাহে দুটি গাশত করে। মাসে তিন দিন লাগায়। অবশ্য ঐ তিন দিন মাদরাসা খোলা থাকলে ক্লাসের সময় ক্লাস করে আবার মসজিদে চলে যায়।
কিছু দিন পূর্বে শহরের জামে মসজিদে সে ইমামতির দায়িত্ব পায় । সেখানে পূর্ব থেকেই গাত-তালীম চালু ছিল। সে ইমাম হওয়ার পর গাশত তালীম ছাড়াও লোকদের মধ্যে বিশুদ্ধ আকীদা বিশ্বাস, পবিত্র কুরআনের সহীহ তিলাওয়াত ও সুন্নতের প্রতি মহব্বত সৃষ্টির জন্য প্রত্যহ বাদ ফজর সকল মুসুল্লীদের নিয়ে তালীমে বসে। ঐ সময় সে কিছুক্ষণ তিলাওয়াতের মশক করার পর দু’একটি মাসআলা ও দু’একটি সুন্নত সম্পর্কে জোড়ালো আলোচনা রাখে। অতঃপর কেউ কোনো প্রশ্ন করলে তারও যথোপযুক্ত জবাব দেয়। সবশেষে এলাকার একটি লোকও যাতে বেনামাজি না থাকে সেজন্য দশ পনের জন মুসল্লী নিয়ে মহল্লায় দাওয়াতের জন্য বেরিয়ে পড়ে। এতে অল্পদিনের মধ্যে কল্পনাতীত হারে নামাজির সংখ্যা বাড়তে থাকে।
কয়েক মাস যাওয়ার পর ইমাম সাহেব এলাকার অন্যান্য ওলামায়ে কেরাম ও মুসল্লীদের নিয়ে পরামর্শ করে তিন দিন ব্যাপী একটি মহাসম্মেলনের আয়োজন করে। উক্ত মহা সম্মেলনে দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেমদেরকে দাওয়াত দেয়া হয়। স্থান হিসেবে বি বাড়ীয়া সরকারি কলেজের বিশাল মাঠকে নির্বাচন করা হয়। তারিখ ২৪, ২৫ ও ২৬ ডিসেম্বর রোজ শনি, রবি ও সোমবার। এরপর সম্মেলনের বিভিন্ন দায়িত্ব উপস্থিত ওলামায়ে কেরাম ও এলাকার কর্মঠ যুবকদের মাঝে বণ্টন করে দেওয়া হয়।
এদিকে নাজিয়াও বাসায় একটি প্রশস্ত রুমে সকাল বেলা মক্তব এবং বিকাল বেলা মেয়েদেরকে কুরআন শরীফ ও জরুরি মাসআলা মাসায়েল শিক্ষা দিতে লাগলো। তাছাড়া প্রতি শুক্রবার বিকাল তিনটা থেকে পাঁচটার মধ্যে ধর্মীয় বিভিন্ন বিষয়ের উপর গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা শুরু করল। মোটকথা স্বামী-স্ত্রী উভয়ে ঘরে বাইরে সর্বত্র ইসলাম প্রচার প্রসারের কাজ জোড়ালো ভাবে চালু করলো।

বইটি ডাউনলোড করে নিন নিচের দেয়া লিঙ্ক থেকে এবং পড়ে নিন সহজেই। লিঙ্কে ক্লিক করে ডাউনলোড করতে না পারলে আমাদের জানিয়ে দিন। ফিক্স করে দেয়া হবে। অথবা নিচে কমেন্ট করুন কেমন লাগলো বইটি!

বই পড়া অনেকের জন্য নেশা, অনেকের জন্য পরম ভালোবাসার একটি বস্তু। এই বইকে আমরা সহজলভ্য এবং সহজে পাওয়ার বস্তু হিসেবে উপস্থাপন করতে চাইছি, তাই আমাদের সাইট আমরা ডিজাইন করেছি ইউজার ফ্রেন্ডলিনেস বজায় রেখে। সাইটের কোনো ধরনের ইস্যু নিয়ে কোনো মতামত থাকলে জানাতে পারেন, এবং বই এর জন্যে রিকুয়েস্ট করতে পারেন উপরে বাটন দেয়া আছে নিচেও লিঙ্ক দেয়া আছে। সর্বোপরি সকলের সহযোগিতা কাম্য সাইট চালাতে হলে, ইনশাআল্লাহ আমরা সকলেই বই পড়ে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারবো!

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top