অপরিচিতা – কাসেম বিন আবুবাকার – ফ্রি পিডিএফ ডাউনলোড – Free PDF Download

অপরিচিতা – কাসেম বিন আবুবাকার – ফ্রি পিডিএফ ডাউনলোড – Free PDF Download এই বইটি ডাউনলোড করে নিন এখনি। আরো নতুন নতুন বই পেতে ভিজিট করুন আমাদের বই লাইব্রেরি।

মহান আল্লাহ বলেন –

পড়ো! তোমার প্রভুর নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন

আল কুরআন

জগতের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত প্রত্যেক জমানায়, প্রত্যেক সময়ে কিছু মানুষ এমন ছিল যারা অজানাকে জানতে চেয়েছে, বুঝতে চেয়েছে। অনুধাবন করতে চেষ্টা করেছে বিশ্বজগতের গূঢ় রহস্য, অবলোকন করেছে পরম বিস্ময়ের সাথে মহাকাশের লীলাখেলা। এই মানুষগুলোর নিরন্তর প্রচেষ্টার ফলেই আজ আমরা এখানে দাঁড়িয়ে আছি এবং এত সুন্দর কিছু প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারছি, পৃথিবী এগিয়ে যাচ্ছে উন্নয়নের সোপান বেয়ে তরতর করে। এই পথচলার মাঝেই আরেকটি ক্ষুদ্র প্রয়াস আমাদের এই ওয়েবসাইট। এখানে বাংলাভাষায় এবং অন্যান্য সকল ভাষায় পরবর্তীতে সর্বাধিক বইয়ের লাইব্রেরি করার ইচ্ছা আমাদের রয়েছে। বারবার এই সাইট বন্ধ হয়েছে, অন্য নামে আবার এসেছে, আসবে। এইজন্যে আপনাদের সাপোর্ট প্রয়োজন। আপনারা প্রতিনিয়ত সাইটে ভিজিট করে যাবেন এই আশাবাদ ব্যক্ত করছি। আমাদের জানাবেন কোনো সমস্যা থাকলে।

বইটি সম্পর্কেঃ

অনুবাদঃ কাসেম বিন আবুবাকার

পৃষ্ঠাসংখ্যাঃ ৪৭

অপরিচিতা – বইটির এক ঝলকঃ

ড্রাইভারের চাকরি করছে। একটা ভালো চাকরি দিয়ে প্রত্যুপকার করার উদ্দেশ্যে তাকে বায়োডাটা দিতে বলে। বায়োডাটায় এইট পাশ জেনে বিশ্বাস করতে পারে নি। কারণ এইট পাশ ছেলের হাতের লেখা এত ভালো হতে পারে না। তা ছাড়া ভদ্রঘরের শিক্ষিত ছেলের মতো কথা-বার্তা বলতেও পারে না। তাই তাকে বাসার ঠিকানা দিয়ে আসতে বলে।
তিন মাস পরে তানভীর তাদের বাসায় আসে। এই তিন মাসের মধ্যে প্রায় প্রতিদিন তার কথা মনে পড়েছে। কেন পড়েছে তা নিজেই জানে না। ইয়াসিরের সঙ্গে ডিভোর্স হওয়ার পর পুরুষ জাতটার উপর তার প্রচণ্ড ঘৃণা জন্মায়। তাই মা বাবাকে জানিয়েছিল, সে আর বিয়ে করবে না। তানভীরের কথা যখন মনে পড়ে তখন তার মনটা উদাস হয়ে যায়। কোনো কিছু ভালো লাগে না। ভাবে, ছেলেটা এল না কেন? তা হলে কি অন্য কোথাও ভালো চাকরি পেয়ে গেছে? মাঝে মাঝে তার মন তাকে শাসায়, তানভীরের কথা তুই ভাবছিস কেন? তুই পুরুষ জাতটাকে তো ঘৃণা করিস? মনের শাসনে অঞ্জু শান্তি পায়। তানভীরের চিন্তা মন থেকে সরিয়ে দেয়। তিন মাস পর তানভীর যখন বাসায় প্রথম এল তখন অঞ্জুর মন আনন্দে ঝলসে উঠল। তারপর তার সঙ্গে আলাপ করে বুঝতে পারল, সে শিক্ষিত ও খুব সহজ সরল। কেন সে কোয়ালিফিকেশন গোপন করছে, জানার জন্য ও মনের তাগিদে মায়ের আপত্তি সত্ত্বেও গেস্টরুমে থাকতে দিয়েছে।
চাকরিতে ঢোকার আগি তানভীর বলে নিয়েছিল। শত্রুবার তাকে ছুটি দিতে হবে। তারপর যখন অঙ্কুর বডিগার্ডেরও দায়িত্ব নিল তখনও ঐ নিয়ম বহাল আছে, তবে জরুরী প্রয়োজন ছাড়া।
দারোয়ান, কাজের লোক ও মালিদের খাওয়ার রুম আলাদা। কিন্তু তানভীর সেখানে খায় না। কাজের বুয়া তার রুমে খাবার দিয়ে যায়। ব্যবস্থাটা অঙ্গুই করেছে। লুবাবা বেগম অবশ্য আপত্তি করেছিলেন, অঞ্জু শোনে নি।
অঞ্জু মায়ের চোখকে ফাঁকি দিতে পারে নি। তাই একদিন মেয়েকে বললেন, একটা অল্প শিক্ষিত ড্রাইভারের জন্য তুই যা করছিস, তা উচিত হচ্ছে না। অঞ্জু মাকে জড়িয়ে ধরে বলল, তোমার পেটে জন্মেছি, আমাকে কখনও এতটুকু অন্যায় করতে দেখেছ?
আমি তো অন্যায়ের কথা বলি নি, উচিত-অনুচিতের কথা বলেছি।
উচিত-অনুচিত আমি বুঝি না, আমার শিক্ষা, আমার বিবেক আমাকে যতটুকু করতে বলছে ততটুকু করছি। আর আমি যে কোনো ভুল করছি না, একদিন তা প্রমাণ করে দেখাব।

বইটি ডাউনলোড করে নিন নিচের দেয়া লিঙ্ক থেকে এবং পড়ে নিন সহজেই। লিঙ্কে ক্লিক করে ডাউনলোড করতে না পারলে আমাদের জানিয়ে দিন। ফিক্স করে দেয়া হবে। অথবা নিচে কমেন্ট করুন কেমন লাগলো বইটি!

বই পড়া অনেকের জন্য নেশা, অনেকের জন্য পরম ভালোবাসার একটি বস্তু। এই বইকে আমরা সহজলভ্য এবং সহজে পাওয়ার বস্তু হিসেবে উপস্থাপন করতে চাইছি, তাই আমাদের সাইট আমরা ডিজাইন করেছি ইউজার ফ্রেন্ডলিনেস বজায় রেখে। সাইটের কোনো ধরনের ইস্যু নিয়ে কোনো মতামত থাকলে জানাতে পারেন, এবং বই এর জন্যে রিকুয়েস্ট করতে পারেন উপরে বাটন দেয়া আছে নিচেও লিঙ্ক দেয়া আছে। সর্বোপরি সকলের সহযোগিতা কাম্য সাইট চালাতে হলে, ইনশাআল্লাহ আমরা সকলেই বই পড়ে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারবো!

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top