মরু সাহারায় – ন্যূড হলাম্বো – ফ্রি পিডিএফ ডাউনলোড – Free PDF Download

মরু সাহারায় – ন্যূড হলাম্বো – ফ্রি পিডিএফ ডাউনলোড – Free PDF Download এই বইটি ডাউনলোড করে নিন এখনি। আরো নতুন নতুন বই পেতে ভিজিট করুন আমাদের বই লাইব্রেরি।

মহান আল্লাহ বলেন –

পড়ো! তোমার প্রভুর নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন

আল কুরআন

জগতের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত প্রত্যেক জমানায়, প্রত্যেক সময়ে কিছু মানুষ এমন ছিল যারা অজানাকে জানতে চেয়েছে, বুঝতে চেয়েছে। অনুধাবন করতে চেষ্টা করেছে বিশ্বজগতের গূঢ় রহস্য, অবলোকন করেছে পরম বিস্ময়ের সাথে মহাকাশের লীলাখেলা। এই মানুষগুলোর নিরন্তর প্রচেষ্টার ফলেই আজ আমরা এখানে দাঁড়িয়ে আছি এবং এত সুন্দর কিছু প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারছি, পৃথিবী এগিয়ে যাচ্ছে উন্নয়নের সোপান বেয়ে তরতর করে। এই পথচলার মাঝেই আরেকটি ক্ষুদ্র প্রয়াস আমাদের এই ওয়েবসাইট। এখানে বাংলাভাষায় এবং অন্যান্য সকল ভাষায় পরবর্তীতে সর্বাধিক বইয়ের লাইব্রেরি করার ইচ্ছা আমাদের রয়েছে। বারবার এই সাইট বন্ধ হয়েছে, অন্য নামে আবার এসেছে, আসবে। এইজন্যে আপনাদের সাপোর্ট প্রয়োজন। আপনারা প্রতিনিয়ত সাইটে ভিজিট করে যাবেন এই আশাবাদ ব্যক্ত করছি। আমাদের জানাবেন কোনো সমস্যা থাকলে।

বইটি সম্পর্কেঃ

অনুবাদঃ খালেকদাদ চৌধুরী

পৃষ্ঠাসংখ্যাঃ ১৬৮

মরু সাহারায় – বইটির এক ঝলকঃ

থামিয়ে নেমে পড়লাম। এক পাশে পাহাড়ের কয়েকটি প্রাচীর লম্বালম্বিভাবে উপরে উঠে গেছে আর একপাশে গভীর খাদ। শেষে গিয়ারের উপর নির্ভর করে আমরা সে সরু পথ দিয়ে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলাম। একশো গজের মতো গিয়েই আবার থামতে হলো। খাদের উপর একটা পুল। পুলটি সাধারণ ধরনের নয় দড়ি দিয়ে তা ঝুলানো। নেমে গিয়ে পরীক্ষা করে দেখলাম আলৃগা- আলগিভাবে বসানো বোর্ড দিয়ে পুলটি মোড়ানো ।
দু’জনই চিন্তিত হলাম। ভীষণভাবে বরফ পড়ছে আর নীচে খাদের ভিতর থেকে শিয়াল আর শিকারী পাখীর বীভৎস চিৎকার ভেসে আসছে। সেতু পার হবার সময় কেউ গাড়িতে বসতে সাহস পেলাম না। রানিং বোর্ডের উপর দাঁড়িয়ে অলৌকিকভাবে আমরা সেতু পার হয়ে গেলাম। এখান থেকে কিছুদূর পর্যন্ত পথ বেশ ভালো, তারপর আঁকাবাঁকা। তুষারপাত আরো গাঢ় হতে লাগলো। হঠাৎ আলো দেখে আশ্চর্য হলাম । বাড়ির বেশ একটা লম্বা সার সেখানে অবস্থিত। শহেরর রাস্তায় এসে পড়েছি।
বার কয়েক হর্ণ বাজালাম। নিঃশব্দ রাস্তা চঞ্চল হয়ে উঠলো। বাড়িগুলি থেকে গরম পোশাক পরিহিত লোক বেরিয়ে এসে আমাদের মোটরের চার পাশে দাঁড়ালো, মুখে তাদের বিরক্তির ভাব। বারবার ভাষা মিশ্রিত আরবীতে তারা নিজেদের মধ্যে বলাবলি করতে লাগলো-আমরা কে আর কোথা থেকে এসেছি। এতোক্ষণ কেউ আমাদের সঙ্গে কথা বলে নাই। বুঝা গেলো যে এদের অনেকেই কোনো দিন মোটর গাড়ি দেখে নাই। হাঁ করে গাড়ির দিকে চেয়ে আছে। একজন এগিয়ে এসে ইতস্তত করে গাড়িতে হাত দিলো। রাত্রে সেখানে থাকতে পারবো কিনা তাকে জিজ্ঞাসা করলাম। আমার উচ্চারণ শুনেই তারা এক সঙ্গে বলে উঠলো আনতা ফ্রান্সোভী? (আপনি কি ফরাসী)?
তারা আরো বিরক্ত হয়ে উঠলো। শুনলাম একজন বলছে, ভালো উদ্দেশ্য নিয়েও এখানে আসেনি, একথা নিশ্চয় করে আমি বলতে পারি। এখনই ওকে শহর থেকে বের
করে দাও।
সৌভাগ্যক্রমে সেখানকার শেখ বেরিয়ে এলেন। লোকটিকে দেখে মনে হলো বুদ্ধিমান ও শিক্ষিত। তিনি একজন হাজী, কিছু দিন মিসরে ছিলেন এবং যৌবনে ফ্রান্সেও গিয়েছিলেন। আমরা কোথা থেকে আসছি, আমরা দুজনই মুসলিম এবং আমরা মিসর যাচ্ছি এসব কথা খুলে আমি তাঁকে বললাম। একথা শুনে এবং আমার নিরাপত্তার জন্য যে আরবী সংবাদপত্রখানা সঙ্গে এনেছিলাম তা দেখে বন্ধুভাবে তিনি আমাকে তাঁর গৃহে যাবার জন্য দাওয়াত জানালেন। সেই শহরে শেখের বাড়িটাই সবচেয়ে বড়। পাহাড়ী পাথর দিয়ে তা তৈরী, বেশ প্রশস্ত। যে ঘরে আমরা শুতে গেলাম তাতে একটা আগুনের কুণ্ড জ্বলছিলো। অল্পক্ষণের মধ্যে শহরের লোক এসে ঘর ভর্তি হয়ে গেলো। শেখ প্রাচীন লোক-শ্বেত-শাশ্রু-বিমণ্ডিত মুখে সারল্য ও দয়ার ছাপ। তিনি এসে আমাদের সংগে মেজেতে বিছানো বিচালীর মাদুরে বসলেন। তের বছর বয়স্ক তাঁর ছেলেকে চা তৈরি করবার ফরমাস দিলেন। আমরা আলাপ শুরু করলাম।
আপনি কি আলজিরিয়া গিয়েছিলেন? শেখ জিজ্ঞেস করলেন।
আমি সম্মতিসূচক মাথা নাড়লাম ।
আপনি নিশ্চয়ই বিশ্বাস করেন যে শেখ আবদুল আজিজ অনেক দেশ ভ্রমণ করেছেন। গারদাইয়ার এক সওদাগর ছাড়া এ শহরের একমাত্র তিনিই ফ্রান্সে গিয়েছিলেন—একজন বললো ।
আমিও গারদাইয়া যাচ্ছি। কখন তিনি এখানে আসছেন?
এই যে তিনি এখানেই আছেন। বলে লোকটি অগ্নিকুণ্ডের কাছ থকে একটি খাটো মোটা লোককে টেনে নিয়ে এলো। বললো: শুনতে পাচ্ছ হুসেন, মেহমান জানতে চাইছেন কবে তুমি গারদাইয়া ফিরে যাচ্ছ ?
কালই যাবো ভাবছি। সওদাগর বললো।
সবাই তার দিকে চাইলো ।
বেশ, আমি আপনাকে আমার মোটরে করে নিয়ে যেতে পারি। পারদাইয়া হয়েই আমি টাগার্ট যাচ্ছি।
লোকটি আমায় ধন্যবাদ জানালো। পরদিন ভোরেই রওনা হবো ঠিক করলাম। চা তৈরি হয়েছে। শেখের ছেলে চা পরিবেশন করলো। আমি সকলকে সিগারেট দিলাম। সবাই সিগারেট খেলে আমি বললাম: মরুভূমিতে একদল বেদুইনকে দেখেছি যারা ধূমপান করে না।
শেখ মাথা নাড়লেন। বললেন: বেশীর ভাগ বেদুইনই ধূমপান করে না। স্বাস্থ্যের এতোটুকুও অনিষ্ট করতে পারে সেরূপ কোনো কিছুই তারা খায় না। কিন্তু আমরা শহরবাসীরা তা বড় একটা মানি না। আপনি যদি কখনো পূর্বদিকে বার্সে (সাইরেনিকাস্থ সেইজ শহরের অন্য নাম) যান তাহলে দেখতে পাবেন সেখানে শহরের লোকও ধূমপান করে না। ওরা সব সেনৌসী-পন্থী ।
সেনৌসী-পন্থী আবার কি রকম?
সিদি আহমদ সেনৌসী প্রতিষ্ঠিত সম্প্রদায় তারা, অত্যন্ত ধার্মিক। তাদের জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য হলো মানুষ হিসাবে যতটুকু সম্ভব ভদ্র হওয়া। আর তা করতে হলে ধর্মপ্রবণতাই একমাত্র পথ ।
তারা কি সংখ্যায় খুব বেশি?
ত্রিপলী এবং সাইরেনিকায় তারা সংখ্যায় অনেক। আপনি বলছেন যে আপনি মিসর যাচ্ছেন, তাহলে নিজেই আপনি তা দেখতে পাবেন ।
ফরাসীদের আপনার কেমন লাগে? তারা যদি আমাদের শাসন করতে না চাইতো তাহলে তারা নেহাত মন্দ নয়। তারা আমাদের বুঝতে চেষ্টা করে। তবুও তারা বিদেশী। একটা দীর্ঘ নিশ্বাস ছেড়ে বললেন: উত্তর আফ্রিকর সর্বত্রই এরূপ। ওরা বলে, আমরা নাকি স্বাধীনতার উপযুক্ত নই। এখন যেরূপ দেখছেন, আমরা শহরবাসীরা কখনো এতো গরীব বা হীন ছিলাম না। এখানে আমরা এখনো বেশ আছি। এখনো বিদেশী শাসন এখানে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে নাই ।
বৃদ্ধ শেখ সিগারেট ধরালেন। বললেন: আপনি ইসলাম গ্রহণ করলেন কেন?
তার অনেক কারণ আছে, আমি বললাম। প্রথমত, দেখলাম ইসলামের শিক্ষা হলো ধর্ম মেনে বাঁচা। অন্যান্য ধর্ম শুধু নীতিকথায় বিশ্বাস করতে বলে। দ্বিতীয়ত, আমার ধারণা যে ইসলামই শুধু একমাত্র ধর্ম যা এ যুগেও ঠিক থাকবে। এ খুব সহজ ও সংক্ষিপ্ত-আল্লাহকে অবিশ্বাস না করা। প্রত্যেকের প্রতি সহনশীলতা। এগুলো মানুষকে প্রগতির দিকেই এগিয়ে নিয়ে যায়।
শেখ আবদুল আজিজ মুচকি হাসলেন। বললেন: আগেও বলেছি যে আমি দুনিয়ার অনেক দেশ দেখেছি। এমন কি আপনার দেশও দেখেছি। প্রথম প্রথম আমার উপর তা বেশ প্রভাব বিস্তার করেছিলো। আপনাদের আবিষ্কৃত জিনিস কতো প্রচুর। কিন্তু পরে ভালো করেই বুঝতে পেরেছি যে ইউরোপ বাইরের দিক দিয়ে উন্নতি সাধন করছে এবং তারই উপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে সর্বাধিক। কিন্তু এখন জানতে পেরেছি, যা সত্য তা সব সময়ই চিরন্তন তাকে পরিবর্তন করা চলে না। ইসলাম সেই চিরন্তন সত্যের অন্যতম-এটাই আল্লাহর পথ।
আপনি তাহলে সভ্যতাকে মানতে চান না
না। আমি দেখেছি সবাই ইউরোপীয় পোশাক, মোটরকার, মদ, আর ইনজিনিয়ারিংকেই চরম সার্থকতা বলে মনে করে। কিন্তু এ থেকে আমরা কি শিখছি? এসব জিনিস একটি লোককে কি সুখী করতে বা তার মঙ্গল সাধন করতে পেরেছে? বরং ঠিক তার বিপরীত।
তাই আমাদের আশঙ্কা যে, এসব জিনিস আমাদের এখানে প্রবেশ করতে পারে। আমরা তা চাই না। আমরা চাই শুধু আমাদের ধর্ম বজায় রাখতে আর চাই সে শান্তি আর আনন্দ শিল্প যা দিতে পারে না। আমাদের সামান্য যন্ত্রপাতি দিয়ে জীবনের প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি প্রস্তুত করা খুবই মুশকিল, কিন্তু আমরা বড় বড় মেশিন বা যন্ত্রপাতি এমনকি এই যান্ত্রিক সভ্যতা মোটেই চাই না। আমাদের প্রয়োজন অল্প আর আমাদের ছেলেমেয়েরা সর্বশক্তিমান আল্লাহর উপর ঈমান রেখে সুখে বাস করুক, এই আমরা চাই ।
বলে একটা দীর্ঘ নিশ্বাস ফেললেন। বললেন: এই শহরে আমিই একমাত্র লোক যে এসব জিনিস বুঝতে পারে। অন্যরা অবশ্য এ দ্বারা প্রভাবান্বিত হয়। রাত প্রায় দুপুর হয়ে এসেছে। আলী চা পরিবেশন করছে। আমি তাকে টাকা ও সিগারেট দিতে চাইলাম, কিছুতেই সে তা নিলো না।
বললে: আমি পাক কালাম শিখছি-এখন আমার সিগারেট খাওয়া নিষেধ।
অন্যান্য বইয়ের সঙ্গে আমি আমার আরবী কুরআন শরীফ মেজের উপর রেখে দিয়েছিলাম। আলীর দৃষ্টি পড়লো তার উপর। সে তা হাতে নিয়ে চুম্বন করলো এবং খুলে সুমিষ্ট সুরে তা থেকে একটি সূরা পড়তে লাগলো। তার পড়া শেষ হলে মোরগ ডেকে উঠলো। আমি তখন ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। সকাল বেলা আলী চা আর কেক্ নিয়ে এলো। শেখ তা পাঠিয়ে দিয়েছেন। আমি বেজায় ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম। তাই উঠতে পারলাম না, আবার ঘুমিয়ে পড়লাম। আবদুস সালাম সেই সওদাগরকে নিয়ে আটটার সময় এসে আমার ঘুম ভাঙ্গালো। দশটায় আমরা রওনা হলাম। শেখ আমাদের একটা মেঘ, আর সবাই কেক এবং সিগারেট উপহার দিলো। আমাদের তা গ্রহণ করতে হলো। ফেরত দিলে বা টাকা দিতে চাইলে তারা খুব মর্মাহত হবে ।
দুপুরের কাছাকাছি পথ নীচের দিকে চলতে চলতে ক্রমে প্রশস্ত হতে লাগলো এবং খানিক পরে আবার সামনে মরুভূমি দেখতে পেলাম। রাস্তায় আমাদের বেশ বাধা- বিপত্তির সম্মুখীন হতে হয়। দুটার সময় মরুভূমিতে পৌঁছলাম। গারদাইয়া উপস্থিত হলাম সন্ধ্যা সাতটায়। সকালে সওদাগরের কাছে বিদায় নিলাম।
গারদাইয়া থেকে পঁচিশ মাইল দূরে যখন একটা মরুভূমির মাঝ দিয়ে চলছি এমন সময় ইঞ্জিন হঠাৎ ধাক্কা মারতে লাগলো। ভাবলাম ভুল তেল দেওয়া হয়েছে, পরীক্ষা করে দেখলাম যে রেডিয়েটার পানিশূন্য। রেডিয়েটারে ছিদ্র হয়ে পানি বেরিয়ে গেছে। রেডিয়েটারে পানি ভর্তি করে বার মাইল দূরে এক মরূদ্যানে পৌঁছলাম। সেখানে মাত্র তিন-চারটি বাড়ি। অধিবাসীরা সর্বপ্রকারে আমাদের সাহায্য করলো। বহু চেষ্টায় রেডিয়েটার মেরামত করা সত্ত্বেও পানি পড়া একেবারে বন্ধ হলো না। পরদিন সকালে ছিদ্রওয়ালা রেডিয়েটার নিয়েই রওনা হলাম। টাগার্টে পৌঁছবার আগে তা আর মেরামত করা যাবে না। তাই বেশী করে পানি সঙ্গে নিলাম ।
দশটার কাছাকাছি জোরে বাতাস বইতে লাগলো। উড়ন্ত বালু মেঘের মতো সমস্ত আচ্ছন্ন করে ফেললো-অন্ধকার এতো বেশি হলো যে রাস্তা তো দূরের কথা আমরা আমাদের হাত পর্যন্ত দেখতে পাচ্ছি না। গাড়ী থামিয়ে গাড়ির ভিতর কম্বল মুড়ি দিয়ে উপুড় হয়ে শুয়ে পড়লাম। কয়েক ঘণ্টা পরই প্রচণ্ড ঝড় থামলো। আমরা আবার গাড়ি ছাড়লাম। ইঞ্জিন স্টার্ট দিতেই আবদুস সালাম বহু দূরে একটা মানুষের ছায়া দেখতে পেলো। একটা লোক নিতান্ত একাকী বালু সমুদ্রের উপর দিয়ে প্রাণপণ চেষ্টায় চলে আসছে। আমরা কাছে গিয়ে লম্বা সাদা ধবধবে দাড়িওয়ালা এক অশীতিপর বৃদ্ধকে দেখতে পেলাম। তার অতি নিকটে এলেও সে আমাদের দিকে চাইলো না। আমরা তাকে প্রশ্ন করতেই সে থেমে আমাদের অভিনন্দন জানালো ।
বড় অদ্ভুত তার চেহারা। মুখের চামড়ায় খাঁজ পড়ে গেছে, পরনের পোশাক শতচ্ছিন্ন। গায়ের রং গাঢ় তামাটে। ভিক্ষুকের মতো পিঠে একটা ঝুলি বেঁধে মরুভূমিতে সে একাকী ঘুরে বেড়াচ্ছে। কিন্তু কিছুই সে আমাদের কাছে চাইলো না । বার্ধক্যজড়িত কম্পিত কণ্ঠে আস্‌সালামু আলাইকুম বলে অভিবাদন জানালো । আমরা প্রত্যাভিবাদন জানিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, সে কি টাগার্ট যাচ্ছে? তাহলে গাড়িতে করে তাকে আমরা সেখানে পৌঁছে দিতে পারি।
মাথা নেড়ে সে বললো; পাঁচ দিন আগে গেলেও যা, পাঁচ দিন পরে গেলেও তা। বিশেষ কিছু যায় আসে না তাতে।
টাগার্টে আপনার কোনো কাজ আছে নিশ্চয়ই, সেজন্য বোধ হয় আগে গেলেই ভালো হয়।
এখানে এই মরুভূমিতে কোনো লোকজন নেই- এখানে আমি আল্লাহর কাছে একলা আছি। এখানে আমি আমার হৃদপিণ্ডের শব্দ শুনতে পাচ্ছি। আপনার এই যন্ত্রটি আমার কাছে অপরিচিত
1

বইটি ডাউনলোড করে নিন নিচের দেয়া লিঙ্ক থেকে এবং পড়ে নিন সহজেই। লিঙ্কে ক্লিক করে ডাউনলোড করতে না পারলে আমাদের জানিয়ে দিন। ফিক্স করে দেয়া হবে। অথবা নিচে কমেন্ট করুন কেমন লাগলো বইটি!

বই পড়া অনেকের জন্য নেশা, অনেকের জন্য পরম ভালোবাসার একটি বস্তু। এই বইকে আমরা সহজলভ্য এবং সহজে পাওয়ার বস্তু হিসেবে উপস্থাপন করতে চাইছি, তাই আমাদের সাইট আমরা ডিজাইন করেছি ইউজার ফ্রেন্ডলিনেস বজায় রেখে। সাইটের কোনো ধরনের ইস্যু নিয়ে কোনো মতামত থাকলে জানাতে পারেন, এবং বই এর জন্যে রিকুয়েস্ট করতে পারেন উপরে বাটন দেয়া আছে নিচেও লিঙ্ক দেয়া আছে। সর্বোপরি সকলের সহযোগিতা কাম্য সাইট চালাতে হলে, ইনশাআল্লাহ আমরা সকলেই বই পড়ে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারবো!

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top