সকল বই (Library)
এক দণ্ডিতের শেষ দিন – ভিক্টর হুগো (অনুবাদ বই) – ভিক্টর হুগো বইয়ের প্রচ্ছদ

এক দণ্ডিতের শেষ দিন – ভিক্টর হুগো (অনুবাদ বই)

লেখক: ভিক্টর হুগো

ডাউনলোড করুন
লেখকভিক্টর হুগো
ক্যাটাগরিঅনুবাদ
প্রকাশনীবিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র / ঐতিহ্য
প্রকাশ সাল1829
পৃষ্ঠা115 টি
ভাষাBangla

বইয়ের মূল বিষয়বস্তু

মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত এক অজ্ঞাত বন্দির জীবনের শেষ কয়েক ঘণ্টার তীব্র মানসিক আলোড়নের দিনলিপি।
মৃত্যুদণ্ডের মতো চরম সাজার বিরুদ্ধে ভিক্টর হুগোর এক বিপ্লবী মানবিক প্রতিবাদ।
পারিবারিক স্নেহ, ফেলে আসা অতীত এবং আসন্ন মৃত্যুর অনিশ্চয়তার সংঘাত।
মানুষের মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ও বিশ্ব সাহিত্যের এক অনন্য মাইলফলক।

সংক্ষিপ্ত প্রিভিউ

মৃত্যুর জন্য ক্ষণগণনা করা এক বন্দির অন্তর্বেদনা ও মানসিক টানাপোড়েনের এক অনন্য সাহিত্যিক দলিল 'এক দণ্ডিতের শেষ দিন'—যা যেকোনো সংবেদনশীল পাঠকের হৃদয় স্পর্শ করে যাবে।

বই সম্পর্কে

বিশ্বসাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কথাসাহিত্যিক ভিক্টর হুগোর কালজয়ী সৃষ্টি 'লে দেরনিয়ে জোর দ্যুন কোঁদানে' বা 'দ্য লাস্ট ডে অব আ কনডেমড ম্যান' (The Last Day of a Condemned Man)-এর বাংলা অনুবাদ 'এক দণ্ডিতের শেষ দিন'। মাত্র ২৬ বছর বয়সে হুগো এই উপন্যাসটি রচনা করেন, যা ছিল মূলত গিলোটিনের মাধ্যমে কার্যকর করা তৎকালীন ফ্রান্সের নৃশংস মৃত্যুদণ্ড ব্যবস্থার বিরুদ্ধে এক বলিষ্ঠ সাহিত্যিক প্রতিবাদ।

উপন্যাসের মূল চরিত্র এক নামহীন বন্দি, যাকে আদালত মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। মৃত্যু কার্যকর করার কয়েক সপ্তাহ আগে থেকে শুরু করে শেষ দিন, শেষ ঘণ্টা পর্যন্ত তার মনের ভেতরে চলা অবর্ণনীয় যন্ত্রণা, ভয়, আশা এবং স্মৃতির টুকরো টুকরো অনুভূতি নিখুঁতভাবে এই বইতে ফুটে উঠেছে। লেখক বন্দির অপরাধ কী ছিল তা উল্লেখ না করে কেবল তার মানবিক সত্তা ও অনুভূতির গভীরতাকে তুলে ধরেছেন।

বাংলা অনুবাদে বইটির মর্মস্পর্শী ভাষা ও তীব্র মানবিক আবেগ অটুট রাখা হয়েছে। যারা বিশ্বসাহিত্যের ধ্রুপদী অনুবাদ এবং গভীর মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস পড়তে ভালোবাসেন, তাদের জন্য এটি একটি অত্যন্ত মূল্যবান পাঠ্যবই।

রিভিউ / পাঠ প্রতিক্রিয়া

ভিক্টর হুগোর 'এক দণ্ডিতের শেষ দিন' শুধু একটি সাধারণ উপন্যাস নয়, বরং এটি মানবচেতনার গভীরে প্রবেশ করা এক শক্তিশালী দার্শনিক বয়ান। লেখক এখানে মৃত্যুদণ্ডের আইনি বা রাজনৈতিক যুক্তিতর্ককে ছাপিয়ে মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়ানো একজন রক্ত-মাংসের মানুষের মানসিক অবস্থাকে উন্মোচিত করেছেন। পুরো উপন্যাসটি প্রথম পুরুষে লেখা হওয়ায় পাঠকের মনে হয় যেন সে নিজেই সেই নির্জন প্রকোষ্ঠে বসে মৃত্যুর জন্য প্রহর গুনছে।

বিশেষ করে বন্দির শিশুকন্যা মেরির সাথে শেষ সাক্ষাতের দৃশ্যটি এতটাই আবেগঘন যে তা যেকোনো পাঠকের চোখে জল এনে দেবে। অনুবাদকের সাবলীল ভাষা বইটির আসল ভাব ও গতিকে চমৎকারভাবে অক্ষুণ্ণ রেখেছে। মনস্তাত্ত্বিক গভীরতা, অনন্য মানবিকতা ও ক্লাসিক সাহিত্যের অনুরাগীদের জন্য বইটি অবশ্যপাঠ্য।

মূল বিষয়

মৃত্যুদণ্ডের অমানবিকতা, বন্দির মনস্তাত্ত্বিক যন্ত্রণা এবং বিচারব্যবস্থার প্রতি মানবিক আবেদন

চরিত্র / আলোচিত বিষয়

দণ্ডিত বন্দি (বর্ণনাকারী): গিলোটিনে শিরশ্ছেদের অপেক্ষায় থাকা কেন্দ্রীয় চরিত্র, যার শেষ মুহূর্তের চিন্তাভাবনা নিয়েই উপন্যাস

মেরি: বন্দির তিন বছর বয়সী অবোধ শিশুকন্যা

কারারক্ষী ও যাজক: তৎকালীন বিচার ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার প্রতিনিধিত্বকারী পার্শ্বচরিত্র

বই পড়লে কী পাবেন?

  • মনোযোগ দিয়ে পড়ার অভ্যাস তৈরি হবে
  • বাংলা ভাষা ও শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ হবে
  • চিন্তা, কল্পনা ও বিশ্লেষণ ক্ষমতা বাড়বে
  • সাহিত্য, গল্প বা বিষয়ের প্রতি আগ্রহ বাড়বে
  • অবসর সময়কে জ্ঞানভিত্তিকভাবে কাজে লাগানো যাবে