বখতিয়ারের তিন ইয়ার – শফিউদ্দিন সরদার – ফ্রি পিডিএফ ডাউনলোড – Free PDF Download

বখতিয়ারের তিন ইয়ার – শফিউদ্দিন সরদার – ফ্রি পিডিএফ ডাউনলোড – Free PDF Download এই বইটি ডাউনলোড করে নিন এখনি। আরো নতুন নতুন বই পেতে ভিজিট করুন আমাদের বই লাইব্রেরি।

মহান আল্লাহ বলেন –

পড়ো! তোমার প্রভুর নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন

আল কুরআন

জগতের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত প্রত্যেক জমানায়, প্রত্যেক সময়ে কিছু মানুষ এমন ছিল যারা অজানাকে জানতে চেয়েছে, বুঝতে চেয়েছে। অনুধাবন করতে চেষ্টা করেছে বিশ্বজগতের গূঢ় রহস্য, অবলোকন করেছে পরম বিস্ময়ের সাথে মহাকাশের লীলাখেলা। এই মানুষগুলোর নিরন্তর প্রচেষ্টার ফলেই আজ আমরা এখানে দাঁড়িয়ে আছি এবং এত সুন্দর কিছু প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারছি, পৃথিবী এগিয়ে যাচ্ছে উন্নয়নের সোপান বেয়ে তরতর করে। এই পথচলার মাঝেই আরেকটি ক্ষুদ্র প্রয়াস আমাদের এই ওয়েবসাইট। এখানে বাংলাভাষায় এবং অন্যান্য সকল ভাষায় পরবর্তীতে সর্বাধিক বইয়ের লাইব্রেরি করার ইচ্ছা আমাদের রয়েছে। বারবার এই সাইট বন্ধ হয়েছে, অন্য নামে আবার এসেছে, আসবে। এইজন্যে আপনাদের সাপোর্ট প্রয়োজন। আপনারা প্রতিনিয়ত সাইটে ভিজিট করে যাবেন এই আশাবাদ ব্যক্ত করছি। আমাদের জানাবেন কোনো সমস্যা থাকলে।

বইটি সম্পর্কেঃ

অনুবাদঃ শফিউদ্দিন সরদার

পৃষ্ঠাসংখ্যাঃ ২০৯

বখতিয়ারের তিন ইয়ার – বইটির এক ঝলকঃ

বখতিয়ার খলজি সাহেবের ঢের ঢের ঘনিষ্ঠ, বিশ্বস্ত আর নিকটতম প্রতিবেশী ছিলেন । আগেই বলা হয়েছে, ইওজ খলজি সাহেব পেশায় ছিলেন একজন গাধাওয়ালা মজদুর। গাধার পিঠে করে মাল টেনে তিনি জীবিকা নির্বাহ করতেন । বিবি-বাচ্চা নিয়ে এইভাবে তাঁর দুই বেলার আহার জুটতো । কোন কোনদিন আবার এক বেলার বেশি জুটতো না ।
একদিন মাল টেনে তিনি নির্ধারিত মজুরি বাদে একটা মোটা বকশিস পেলেন। সেই বকশিসের পয়সা দিয়ে তিনি প্রিয়বন্ধু বখতিয়ার খলজিকে ডেকে নিয়ে বাসস্থানের নিকটবর্তী এক সরাইয়ে ভরপেট খানা খেলেন । খানা খেয়ে বাড়িতে ফেরার পথে বখতিয়ার সাহেবের আর এক প্রতিবেশী খন্নাস প্রকৃতির আলী মর্দানের সাথে তাঁদের সাক্ষাৎ হলো। এই সাক্ষাতের সময় আলী মর্দান ইওজ খলজি সাহেবকে বললেন- গজনীর আরিজ-কন্যার প্রাণ বাঁচানোর জন্যে আরিজ-কন্যা বখতিয়ারকে একটি দামী আংটি উপহার দিয়েছেন । এছাড়াও আরিজ-কন্যা অনেক ধনরত্ন দিতে চেয়েছিলেন কিন্তু বখতিয়ার তা নেয়নি। সর্বোপরি, আরিজ-কন্যা বখতিয়ারকে একটা চাকরি দেয়ার জন্যে গজনীতে বিশেষভাবে ডেকে গেছেন। কিন্তু বুরবক বখতিয়ার আজও গজনীতে চাকরি নিতে যায়নি ।
সে যুগে কামিন মজদুরের একটা যেমন তেমন চাকরি পাওয়াও ছিল আস্ত সোনার হরিণ পাওয়া। সেই দুর্মূল্য বস্তু চাকরিটা নিতে বখতিয়ার আজও যায়নি শুনে ইওজ খলজি সাহেবের মাথা বিগড়ে গেল। বখতিয়ারের উপর দুর্দান্ত চাপ সৃষ্টি করে তিনি তখনই তাকে গজনীতে যেতে বাধ্য করলেন । কিন্তু ইওজ সাহেবের চাপে গজনী শহরে এসে হতাশ হলেন বখতিয়ার সাহেব । দেখলেন, সেখানে সেই আরিজ-কন্যাও নেই, তার আব্বা আরিজ সাহেবও নেই। তাঁরা সপরিবার অন্যত্র চলে গেছেন আর অন্য একজন আরিজ হয়ে বসে আছেন। এই নয়া আরিজের কাছে তাঁর বক্তব্য পেশ করে যারপর নেই অপমানিত হলেন বখতিয়ার সাহেব । হতাশ চিত্তে ফিরে আসার সময় দপ্তরের সদর ফটকে তাঁর দেখা হলো আরিজ-কন্যার প্রিয় বৃদ্ধ এক খানসামার সাথে । সে লোক গজনী ছেড়ে অন্যত্র যায়নি, রাজধানীতেই ছিল। আরিজ-কন্যার বর্ণনা অনুযায়ী বখতিয়ার সাহেবকে চিনতে পেরে সে লোক আরিজ-কন্যার একটি পত্র তাঁর হাতে দিলো। পত্র খুলে পড়ে স্তম্ভিত হয়ে হয়ে গেলেন বখতিয়ার সাহেব। পত্রে আরিজ-কন্যা লিখেছেন- জনাব!
সালাম অন্তে জানাই- তকদিরের মার-পেঁচে আপনার কাছে আমি ওয়াদা বরখেলাপকারী মোনাফেকদের একজনরূপে পরিচিত হলাম। আপনাকে যে আশা আমি দিয়েছিলাম, আর তা পূর্ণ করার ফুরসুত আমার রইলো না। আমরা গজনী থেকে সপরিবার হিন্দুস্তানে চলে যাচ্ছি । শাহান শাহ আমার আব্বাকে আরিজের পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন। ষড়যন্ত্রে পড়ে তিনি আমার আব্বাকে শাসন বিভাগে যোগদান করার জন্যে হিন্দুস্তানে যাওয়ার হুকুম দিয়েছেন। এ হুকুম অবিলম্বে তামিল করার জোরদার তাকিদ আছে। তাই আমরা আজকেই রওনা হচ্ছি ।
অধীর আগ্রহ নিয়ে এ কয়দিন আমি আপনার এন্তেজারে ছিলাম। আমার ধারণা ছিল, অতি অল্প দিনের মধ্যেই আপনি গজনীতে হাজির হবেন আর তা যদি হতেন, তাহলে অনায়াশেই আমি আমার ওয়াদা রক্ষা করতে পারতাম । কিন্তু আপনি তা এলেন না । এরপর যখন আসবেন তখন আমি বহুত বহুত দূরে ।
গরমশির থেকে গজনীতে ফেরার পর আপনার কথা একটা দণ্ডের জন্যেও আমি ভুলে থাকতে পারিনি । কি যে আমার হলো, হর-ওয়াক্ত আপনার ঐ মায়াভরা দৃষ্টি চারদিক থেকে ঘিরে রেখেছে আমাকে । অথচ সেই আপনি অসহায়ভাবে পথে পথে ঘুরে বেড়াবেন আর অনেক কিছু করার এক্তিয়ার থাকলেও আপনার জন্যে কিছু আমি করতে পারবো না, এ আফসোস সম্বরণ করবো কি করে?
হিন্দুস্তানে গিয়ে কোথায় কিভাবে থাকবো তা আমি জানিনে । তবে একটা কথা ঠিক, এ দুনিয়ার যে প্রান্তেই থাকি না কেন, আপনি আমার সাথেই থাকলেন । আপনারই উসিলায় যে জিন্দেগী ফিরে পেয়েছি আমি, তা থেকে আপনি আর জুদা হবেন কি করে? যেখানেই থাকি না কেন, আপনি যদি মেহেরবানী করে হাজির হন সেখানে, আমি আমার ওয়াদা রক্ষার আপ্রাণ কোশেশ করবো। ইয়াদ রাখবেন, আপনি কিন্তু আদৌ কোন তুচ্ছ কিছু নন। যে সাহস আর তাকত আমি আপনার মধ্যে দেখেছি, তাতে আপনার দ্বারা এ দুনিয়ার অসাধ্য সাধন হতে পারে ।
ইতি-
আরিজ-কন্যা
দিলারা বানু ।
এক নিঃশ্বাসে পত্রখানা পাঠ করে পথের উপর দাঁড়িয়েই বখতিয়ার সাহেব তা আর একবার পাঠ করলেন। অতঃপর লম্বা একটা নিঃশ্বাস টেনে কিছুক্ষণ সম্বিতহীন অবস্থায় উদাস নেত্রে চেয়ে রইলেন ।
পাশে দণ্ডায়মাণ পত্রবাহক একটু নড়েচড়ে বললো- হুজুর বলছিলাম কি… বখতিয়ার সাহেব আপন খেয়ালে এক কদম সরে গেলেন । তিনি অন্যমনস্ক আছেন দেখে পত্রবাহকও এক কদম এগিয়ে এসে গলা ঝেড়ে বললো- হুজুর! বলছিলাম কি, আপামণির চোখমুখ দেখেই….
বখতিয়ার সাহেবের খেয়াল ফিরতেই তিনি ব্যস্তকণ্ঠে বললেন- এ্যাঁ, কি হয়েছে আপামণির?
না, বলছিলাম- আপামণির চোখ মুখ দেখেই বুঝেছি, বড় পেরেশান দিল নিয়ে উনি এখান থেকে গিয়েছেন । অমন খুব সুরাতের মুখখানা কালো হয়ে গিয়েছিল । সম্ভব হলে উনার সাথে মোলাকাত করার কোশেশ করবেন হুজুর । বখতিয়ার সাহেবের মুখে এর কোন জবাবই যোগালো না । তিনি ফ্যাল ফ্যাল করে পত্রবাহকের মুখের দিকে চেয়ে রইলেন । আরো কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকার পর পত্রবাহক বললো- তাহলে এযাযত দিন হুজুর, আমি এবার আসি?
বখতিয়ার সাহেব উদাসকণ্ঠে বললেন- এসো ।
গজনী থেকে বখতিয়ার খলজি সাহেব উদাস হৃদয়ে ফিরতি রাস্তা ধরলেন এবং টলতে টলতে ইওজ খলজি সাহেবের বাসায় এসে উপস্থিত হলেন ।
ইওজ খলজি সাহেবের স্ত্রী হুসনে আরা বেগম বাড়ির মধ্যে গৃহকর্মে ব্যস্ত ছিলেন । ছেলের মুখে খবর পেয়েই তিনি দেউটির কাছে এসে পর্দার আড়ালে দাঁড়ালেন। খবর- বখতিয়ার সাহেব এসেছেন ।
ইওজ খলজি সাহেবের কাছে হুসনে আরা শুনেছেন- বখতিয়ার খলজি সাহেব এখন গজনীতে এবং তিনি এখন এক মস্তবড় মানুষ । প্রভূত ক্ষমতা আর অঢেল ধন-দৌলতের মালিক। কিন্তু একি! পর্দার আড়াল থেকে সেই গজনী ফেরত বখতিয়ার সাহেবের মুখের দিকে চেয়েই চমকে উঠলেন হুসনে আরা বেগম । চিরসবুজ মহীরুহের পরিবর্তে এ যেন এক পাতাঝরা মরা গাছ তার সামনে দণ্ডায়মাণ । অনাহার, অনিদ্রা আর বিমারের আলামত তাঁর সারা অঙ্গে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে ।
আড়াল থেকে উদ্বেগের সাথে হুসনে আরা বেগম বললেন- আস্সালামু আলাইকুম ছোট মিয়া । এ কি হালত আপনার! কোন বিমার-টিমার হয়েছে নাকি ?
জবাবে বখতিয়ার সাহেব ক্ষীণকণ্ঠে বললেন- ওয়া আলাইকুমুস সালাম । না ভাবী, ওসব কিছু হয়নি । এমনি খানিক কাহিল হয়ে পড়েছি । হুসনে আরা বেগম আরো প্রশ্ন করলেন- শুনলাম, গজনীতে নাকি গিয়েছিলেন?
: জি-হ্যাঁ।
কোন কিছুই হলো না?
মানে?
কে যেন আপনাকে নকরী দিতে চেয়েছিলেন?
হ্যাঁ -ভাবী ।
দিলেন না!
: কি করে বুঝলেন?
: আপনার হালত দেখে । না-উম্মিদের আজাড় ঢেকে রাখতে পারেননি । বখতিয়ার সাহেব থেমে গেলন। ক্ষণিক নীরব থেকে ধীরকণ্ঠে বললেন- ঠিকই বলেছেন। কিছুই আমার হলো না ।
হুসনে আরা বেগম ফের প্রশ্ন করলেন- মোলাকাত? ওটাও হয়নি?
কার সাথে?
হুসনে আরার কণ্ঠ থেকে ক্ষীণ একটা হাসির রেশ ভেসে এলো ।
তিনি বললেন- ছোট মিয়া! তামাম মুলুকের মানুষ যেটা জানলেন, আমি সেটা জানবো না, এটা আপনি আন্দাজ করলেন কি করে?
ভাবী!
আমার ধারণা ছিল আপনার কাছেই খবরটা আমি পাবো, আর অনেকের আগেই পাবো । এমন একটা গরম খবর কি করে আপনি চেপে গেলেন আমি তা সোচ্ করে পাচ্ছিনে ।
বখতিয়ার সাহেবের মুখেও এবার ম্লান হাসি ফুটে উঠলো। বললো- গরম খবর হলে নিশ্চয়ই আমি বলতাম । কিন্তু খবরটা আসলে একটা ঠাণ্ডা খবর ভাবী, অন্তত এ যাবত ঠাণ্ডা খবরই ছিল । এই এতদিনে ওটা একটু গরম হয়ে উঠেছে।
কি রকম ?
সেটা পরে । এখন বলুন, দোস্ত কোথায় ?
এই একটু বাইরে গেলেন । এখনই ফিরে আসবেন । বখতিয়ার সাহেব এবার ইতস্তত করে বললেন- ভাবী! কিছুটা শরমিন্দা বোধ করলেও না বলে পারছিনে। একটানা গজনী থেকে আসছি। আমার ঘর তো কয়দিন থেকে বন্ধ । আনযাম করতে সময় লাগবে । আপনার ঘরে কি কিছু আছে এখন? জব্বোর ভুখ লেগেছে। নিদেন পক্ষে এক গ্লাস পানি হরেও চলবে ।
এতক্ষণে হুঁশে এলেন হুসনে আরা বেগম। চমকে উঠে আফসোসের সাথে বললেন- এ্যা! তাই তো! ছিঃ ছিঃ ছিঃ। আপনাকে এভাবে দাঁড় করে রেখে তামাশা শুরু করেছি আমি! আসুন-আসুন, শিগগির ঐ দহলিজে গিয়ে বসুন । আমি এক্ষণি খাবার ব্যবস্থা করছি।
দেউটি থেকে ছিটকে গেলেন হুসনে আরা। তাঁর ছোট্ট বাচ্চাটিকে ডেকে তৎক্ষণাৎ বখতিয়ার সাহেবের কাছে পাঠালেন এবং তার মাধ্যমেই বখতিয়ার সাহেবকে দহলিজে বসিয়ে তিনি ক্ষিপ্রহস্তে খানা তৈরি করতে লাগলেন । ইতোমধ্যেই ইওজ খলজি সাহেব বাইরে থেকে ওয়াপস এলেন। বখতিয়ারের চেহারা দেখে তিনিও চমকে উঠলেন। দুই দোস্ত সালাম বিনিময় করতেই ইওজ খলজি সাহেবের ছেলে বললো- আব্বু, চাচার জব্বোর ভুখ লেগেছে । আগে জলদি তাঁকে খেতে দাও ।
ছেলের বয়স অল্প। হঠাৎ তাকে একথা বলতে শুনে ইওজ খলজি সাহেব ব্যস্তকণ্ঠে প্রশ্ন করলেন- এ্যা, তাই?
জবাবে ছেলেটি বললো- হ্যাঁ আব্বু। চাচা বললেন, তাঁর জব্বোর ভূখ লেগেছে ।
শুনে ইওজ খলজি সাহেব দিশেহারা হয়ে গেলেন। বখতিয়ার নিজে যখন মুখ ফুটে বলেছে, তখন ব্যাপারটি আদৌ কোন মামুলি ব্যাপার নয়। কয়দিন ধরে যে সে অনাহারে আছে, কে জানে ।
পরিস্থিতি লাঘব করার ইরাদায় বখতিয়ার সাহেব কিছু বলতে গেলেন । কিন্তু ইওজ খলজি সাহেব তখন আওয়ারা । তাঁকে মুখ খোলার ফুরসুতটাও না দিয়ে ইওজ খলজি সাহেব ঝড়ের বেগে বাড়ির মধ্যে ছুটে গেলেন ।
অতি অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি আবার খাবার নিয়ে ফিরে এলেন এবং বখতিয়ার সাহেবের পাশে বসে নিজে তাঁকে পরিবেশন করে খাওয়ানোর পর তখনই তাঁকে শুইয়ে দিলেন। বিশ্রামের আগে ইওজ সাহেব তাকে কথা বলতে দিলেন না বা কোন কথার মধ্যে নিজেও গেলেন না ।

বইটি ডাউনলোড করে নিন নিচের দেয়া লিঙ্ক থেকে এবং পড়ে নিন সহজেই। লিঙ্কে ক্লিক করে ডাউনলোড করতে না পারলে আমাদের জানিয়ে দিন। ফিক্স করে দেয়া হবে। অথবা নিচে কমেন্ট করুন কেমন লাগলো বইটি!

বই পড়া অনেকের জন্য নেশা, অনেকের জন্য পরম ভালোবাসার একটি বস্তু। এই বইকে আমরা সহজলভ্য এবং সহজে পাওয়ার বস্তু হিসেবে উপস্থাপন করতে চাইছি, তাই আমাদের সাইট আমরা ডিজাইন করেছি ইউজার ফ্রেন্ডলিনেস বজায় রেখে। সাইটের কোনো ধরনের ইস্যু নিয়ে কোনো মতামত থাকলে জানাতে পারেন, এবং বই এর জন্যে রিকুয়েস্ট করতে পারেন উপরে বাটন দেয়া আছে নিচেও লিঙ্ক দেয়া আছে। সর্বোপরি সকলের সহযোগিতা কাম্য সাইট চালাতে হলে, ইনশাআল্লাহ আমরা সকলেই বই পড়ে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারবো!

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top