আদর্শ এক গৃহবধূ – আব্দুল খালেক জোয়ারদার – ফ্রি পিডিএফ ডাউনলোড – Free PDF Download এই বইটি ডাউনলোড করে নিন এখনি। আরো নতুন নতুন বই পেতে ভিজিট করুন আমাদের বই লাইব্রেরি।
মহান আল্লাহ বলেন –
পড়ো! তোমার প্রভুর নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন
আল কুরআন
জগতের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত প্রত্যেক জমানায়, প্রত্যেক সময়ে কিছু মানুষ এমন ছিল যারা অজানাকে জানতে চেয়েছে, বুঝতে চেয়েছে। অনুধাবন করতে চেষ্টা করেছে বিশ্বজগতের গূঢ় রহস্য, অবলোকন করেছে পরম বিস্ময়ের সাথে মহাকাশের লীলাখেলা। এই মানুষগুলোর নিরন্তর প্রচেষ্টার ফলেই আজ আমরা এখানে দাঁড়িয়ে আছি এবং এত সুন্দর কিছু প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারছি, পৃথিবী এগিয়ে যাচ্ছে উন্নয়নের সোপান বেয়ে তরতর করে। এই পথচলার মাঝেই আরেকটি ক্ষুদ্র প্রয়াস আমাদের এই ওয়েবসাইট। এখানে বাংলাভাষায় এবং অন্যান্য সকল ভাষায় পরবর্তীতে সর্বাধিক বইয়ের লাইব্রেরি করার ইচ্ছা আমাদের রয়েছে। বারবার এই সাইট বন্ধ হয়েছে, অন্য নামে আবার এসেছে, আসবে। এইজন্যে আপনাদের সাপোর্ট প্রয়োজন। আপনারা প্রতিনিয়ত সাইটে ভিজিট করে যাবেন এই আশাবাদ ব্যক্ত করছি। আমাদের জানাবেন কোনো সমস্যা থাকলে।

বইটি সম্পর্কেঃ
অনুবাদঃ আব্দুল খালেক জোয়ারদার
পৃষ্ঠাসংখ্যাঃ ৯৮
আদর্শ এক গৃহবধূ – বইটির এক ঝলকঃ
আছে। সকলেই তাদের স্ত্রীদের সাথে নিয়ে আসবে। তুমিও তৈরী থেকো। রকিবের কথার জবাবে শামীমা বলল, খোলা জায়গায় অত মানুষের মধ্যে আমি
যেতে পারব না। কিন্তু সকলেই তাদের স্ত্রীদের সাথে নিয়ে আসবে, তুমি না গেলে ওরা আমাকে ঠাট্টা করবে না? বলবে তার শরীর খারাপ।
কিন্তু তোমার এতে আপত্তি কেন? আমি তোমার সাথেই থাকছি। সামাজিকতা বলেও তো একটা কথা আছে। দেখ, বড় হবার পর বোরকা ছাড়া আব্বা আমাকে কোন নিকট আত্মীয়ের বাড়িতেও যেতে দেন নাই, আর তোমাদের ঐ সমাজে বোরকা অচল। তাহলে তোমাকে দিয়ে সামাজিকতা রক্ষা হবে কিভাবে? শরীয়তের বরখেলাফ করে সামাজিকতা রক্ষা করা মুসলমান মেয়েদের জন্য জায়েজ নেই, তুমি আমাকে মাফ কর। তাহলে আমার কোন সখ-আহলাদ তোমার দ্বারা পূরণ হবে না? তুমি কি বৌকে প্রদর্শনী বানিয়ে সখ পূরণ করতে চাও?
তার মানে? কি বলতে চাও তুমি?
আমি বলতে চাই, আল্লাহ ও আল্লাহর রাসূল (সাঃ)-এর বিধান অমান্য করে ডিনার পার্টিতে আমি যেতে পারি না। অন্য যে কোন কথা তুমি বলবে আমি মাথা পেতে নেব।
বেশ, তোমাকে আর কোথাও যেতে বলব না। তুমি তোমার পর্দা নিয়েই
থাক ।
এ তোমার রাগের কথা। পর্দা যেভাবে করা দরকার আমরা সেভাবে খাস পর্দা করতে পারি না ঐ সামাজিকতার জন্যই। তারপরেও যদি মাঠে-ময়দানে, হাট-বাজারে নিজেকে প্রদর্শন করে বেড়াই তাহলে আল্লাহর দরবারে কি জবাব দেব বলতে পার?
দেখ শামীমা, আমি তোমার স্বামী। স্বামীর আদেশ পালন করা তোমার কর্তব্য ।
অবশ্যই। আমি তা অস্বীকার করছিনা। তবে সে আদেশ আল্লাহর আদেশের বিপরীত যদি না হয়।
সেদিন শামীমা আর তর্ক না বাড়িয়ে ঘর থেকে বের হয়ে যায়। রকিব অগত্য একাই ডিনার পার্টিতে যোগ দেয়। পরের দিন সেরেস্তায় কাজের অবসরে পারভীন রকিবকে জিজ্ঞাসা করে, কাল ভাবীকে দেখলাম না যে?
আপনার ভাবী এসব পার্টিতে আসা পছন্দ করে না। বিয়ের পরে একদিন সিনেমায় পর্যন্ত তাকে নিয়ে যেতে পারি নাই ।
খুব পর্দা করে চলে বুঝি? আর বলবেন না। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে না পারলে সামাজিকতা রক্ষা করে চলা মুশকিল। আপনার মত আরো কয়েকজন একই প্রশ্ন করেছে। তাদের কাছে বলতে বাধ্য হয়েছি তার শরীর খারাপ। এই প্রগতির যুগে স্বামী-স্ত্রী সমান স্মার্ট না হলে সামাজিকতা রক্ষা করে চলা সত্যি মুশকিল। স্বামীর সম্মান রক্ষা করে যে স্ত্রী চলতে পারে না তাকে নিয়ে সংসার করাও তো বিপদ। আপনার দু’চারজন বন্ধু যদি বাড়িতে যায় আর ভাবী যদি তাদের সামনে এসে আপ্যায়ন না করেন তাহলে আপনার মুখ থাকবে কোথায়? বিয়ের আগে মেয়ে সম্বন্ধে খোঁজ-খবর নেন নাই?না, আমি মেয়ে পর্যন্ত দেখতে যাইনি, সবই হয়েছে মা- বাবার পছন্দে ।
ওখানেই তো ভুল করেছেন। আপনার আব্বা-আম্মা যে সমাজের মানুষ সে সমাজ এখন অতীত। বর্তমানের সাথে সে সমাজের আর কোন সম্পর্ক নেই । বর্তমান সমাজ হচ্ছে আধুনিক প্রগতিবাদের সমাজ। এ সমাজের বৈশিষ্ট্য হলো, আগে দর্শন পরে বিশ্লেষণ। আগে দেখ, পরে বিচার কর। আমার মতে বিয়ের আগে নারী-পুরুষ যদি উভয়ের ভারসাম্য উভয়ে যাচাই করে নিতে চায় তাতেও দোষের কিছু নেই। হাটে একটি গরু কিনতে গেলেও ঐ গরুর সব কিছু দেখেশুনেই তাকে কেনা হয়।
আপনি ঠিকই বলেছেন। আমারই ভুল হয়ে গেছে মেয়ে না দেখে। রকিবের কথায় পারভীন উৎসাহ পায়। সে বলতে থাকে আধুনিক বিজ্ঞান যেখানে চাঁদে, মঙ্গল গ্রহে ধাওয়া করছে সেখানে আপনার মত একজন উচ্চ শিক্ষিত যুবকের স্ত্রী ঘুমটা টেনে ঘরের কোণে বসে থেকে পর্দা রক্ষা করবে এতো ভাবাই যায় না। পর্দাতো শরীরে নয়, শরীরটা তো এক খন্ড মাংস বৈ আর কিছু নয়। আসল পর্দা হলো মনে। অন্তরই তো মানুষের আসল সম্পদ। পারভীনের কথা শুনে রকিব হোঃ হোঃ করে হেসে উঠে বলল, আপনি অত সহজে যে কথাগুলো বললেন, অতি কষ্ট করেও আমি তাকে তা বুঝাতে পারিনি। আপনার আব্বা-আম্মা জানেন ব্যাপারটা?
তারা তাকেই সমর্থন করেন।
তাহলে তো বিপদের কথা। ধর্মান্ধ সমাজের সাথে প্রগতিবাদের আধুনিক সমাজের এখানেই দ্বন্দ্ব। তবে আমাদের পরিবার ঐসব কুসংস্কার থেকে মুক্ত। সেখানে কারো ব্যক্তি স্বাধীনতায় কেউ হস্তক্ষেপ করে না।
ব্যক্তি স্বাধীনতা মানুষের জন্মগত অধিকার। তবে পরিবেশ ও মানুষকে প্রভাবিত করে থাকে। আপনি জন্মের পর থেকেই মুক্ত পরিবেশে বড় হতে পেরেছেন এ জন্যই কুসংস্কার আপনাকে স্পর্শ করতে পারেনি। কিন্তু যারা কুসংস্কারের অন্ধকারে জন্মগ্রহণ করেছে তাদের মুক্তির উপায় কি? তারাতো আলোর মুখই দেখেনি।
তারাইতো চাঁদের স্নিগ্ধ আলোকে মনে করে অগ্নিকুন্ড। আপনার জন্য সত্যি দুঃখ হচ্ছে । এ দুঃখের শেষ কোথায় বলতে পারেন? যার শুরু আছে তার শেষও আছে। আপনি একজন স্বনির্ভর ব্যক্তি। আপনি ইচ্ছা করলেই- এমন সময় মুহুরী সাহেব এসে খবর দিল, স্যার, জজ সাহেব এজলাসে উঠেছেন । রকিব ও পারভীনের আলোচনায় ছেদ পড়ল, তারা উঠে রওনা হলো কোর্টের দিকে। বিকেলে কোর্ট থেকে ফিরে সেরেস্তায় এসে পারভীন রকিবকে বলল, চলেন বস আজ সিনেমা দেখতে যাই, হলে ভাল একটা ইংরেজী বই লেগেছে। অবশ্য আমার সাথে যেতে যদি আপত্তি না থাকে ৷ না’না, আপত্তি থাকবে কেন। একা একা বই দেখতে আমারও ভাল লাগে না। আপনার ভাবীকে অনেক বলেও রাজী করাতে না পেরে বই দেখাই ছেড়ে দিয়েছি। প্রতিজ্ঞা করে বসেননিতো? হাসতে হাসতে বলল পারভীন। না-না প্রতিজ্ঞা করিনি। তবে ঐ যে বললাম, একা একা ভাল লাগে না।
আসলেও তো। বৌ ঘরে থাকতে যদি একা একা সিনেমা দেখতে হয় তাহলে তো দুঃখের কথাই । রকিব আর দেরি করে না। মুহুরী সাহেবকে ডেকে দু’খানা টিকেট আনতে টাকা বের করে পারভীনকে জিজ্ঞাসা করল, কোন শ্ৰেণী? – কোন শ্রেণীর দরকার নেই, রিজার্ভ বক্সে কাটতে বলেন, পারভীন বলল । আমারও ইচ্ছা ছিল তাই। তবে আপনার যদি আপত্তি থাকে, তাই জিজ্ঞাসা
করলাম।
আমিতো আগেই বলেছি, আমাদের পরিবার সব রকম কুসংস্কার মুক্ত।
রকিব আর কোন কথা না বাড়িয়ে মুহুরী সাহেবকে টাকা দিয়ে পাঠাল টিকেট কাটাত। তারপর পারভীনকে বলল শো আরম্ভ হতে এখনো অনেক দেরি চলেন কোন রেষ্টুরেন্ট থেকে কিছু খেয়ে আসি । মন্দ হয় না, চলুন। সেদিন রকিবের বাড়ি ফিরতে রাত দশটা বেজে গেল। শামীমা তখনো রকিবের অপেক্ষায় না খেয়ে বসেছিল। রকিব বাসায় ফিরলে শামীমা পূর্ব অভ্যাস মতই গায়ের কোর্ট খুলে নিয়ে লুঙ্গি ও সেন্ডেল এগিয়ে দিয়ে বলল, তুমি হাত মুখ ধুয়ে এস, আমি খাবার নিয়ে আসি। শামীমার কথায় রকিব বাঁধা দিয়ে বলল, তুমি না খেয়ে থাকলে খেয়ে নাও, আমি রাতে খাব না, খেয়ে এসেছি। রকিবের কথায় শামীমা থমকে দাঁড়ায়। আজই নতুন নয় । ইদানিং মাঝে মধ্যেই রকিব রাতে বাসায় খায় না। জিজ্ঞাসা করলে বলে অমুক বন্ধুর বাসায় দাওয়াত ছিল বা অমুক বন্ধু রেষ্টুরেন্টে নিয়ে খাইয়ে দিয়েছে ইত্যাদি ওজর দেখিয়ে শামীমাকে নিবৃত করে। শামীমা সরল বিশ্বাসে তা মেনে নেয়। কিন্তু আজ কেন জানি তার সন্দেহ হলো স্বামীর উপর। জিজ্ঞাসা করল, আজ আবার কোন বন্ধুর বাড়ি খেতে গিয়েছিলে? শামীমার কথার জবাবে রকিব কিছুটা রাগান্বিত হয়ে বলল, সে কৈফিয়তের তোমার দরকার কি? তোমাকে যা বললাম তাই কর, বলেই রকিব কাপড় বদলিয়ে শুয়ে পড়ল।
স্বামীর সাথে একত্রে বসে খাওয়া স্ত্রীদের জন্য একটা পৃথক আনন্দ। এই আনন্দ প্রাপ্তিটুকুর জন্যই তারা ঘন্টার পর ঘন্টা না খেয়ে স্বামীর অপেক্ষায় বসে থাকে । এই অপেক্ষার যে কষ্ট তা তারা পুষিয়ে নেয় একত্রে আহারের আনন্দের মাধ্যমে। এ বাড়িতে রকিবের সাথে বসে আহারের সুযোগ শামীমার দিনে নেই। কারণ রকিব ন’টায় খেয়ে বের হয়ে যায়। তাই রাতে এক সাথে বসে খাবার জন্য শামীমা স্বামীর পথ চেয়ে বসে থাকে। আজও তাই ছিল। কিন্তু বিনিময়ে স্বামীর যে কণ্ঠ সে শুনল তাতে সে ভবিষ্যত অপেক্ষার আগ্রহ হারিয়ে ফেলল, কিন্তু ধৈর্য হারালো না। সে খাবার ঘরে গিয়ে ঢুকল। শামীমা সিদ্ধান্ত নিল, শাশুড়ীকে সব খুলে বলবে। এত দিন যে ঘটনাগুলো স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঘটে গেছে তার কিছুই সে কাউকে বলে নাই। দু’জনের মধ্যেই তা ছিল সীমাবদ্ধ। কিন্তু দিন দিন রকিবের এই পরিবর্তন শামীমাকে শংকিত করে তোলে। সে বুঝতে পারে কোথায় যেন কি একটা ঘটতে যাচ্ছে। কারণ স্ত্রীর প্রতি স্বামীর সেই আদর, ভালবাসা যেন অনেক কমে গেছে। শামীমা কিছুতেই হিসাব মিলাতে পারছে না, কেন এমন হলো? শামীমাকে ডিনার পার্টিতে যেতে বলেছিল, কিন্তু সেই শিক্ষায় তো সে গড়ে ওঠেনি। আর সিনেমা, সেত আরো জঘন্য ব্যাপার। এই দু’টিতে যেতে সে অস্বীকার করায় তার অপরাধ কোথায়? আমাদের পরিবারের সব খবর নিয়েই তো তারা আগ্রহ দেখিয়েছিল। সেদিন সারা রাত সে এই সব চিন্তা করে কাটিয়ে দেয়। রাতে ঘুম না হবার কারণে এবং বেদনাশ্রু পড়ার জন্য তার দু’টি চোখ জবাফুলের মত লাল হয়ে ওঠে। চোখ-মুখ কেমন ফুলাফুলা মনে হয়। শাহিনা বেগমের দৃষ্টিতে তা এড়ায় না। তিনি জিজ্ঞাসা করেন, কিরে শামীমা, তুই রাতে ঘুমাসনি?
ঘুমিয়েছিতো?
তাহলে তোর চোখ-মুখ ফুলা কেন, আর চোখইবা এত লাল কেন?
ও কিছু না মা’ চোখে পোকা ঢুকেছিল- তাই। শামীমা ব্যাপারটি এড়িয়ে যায়। ভাবে আরো কয়েক দিন দেখা যাক না।
কিন্তু আমার মনে হচ্ছে তুই কিছু লুকাচ্ছিস। সত্যি করে বল কি হয়েছে? রকিব কিছু বলেছে? ও আজকাল প্রায়ই দেরি করে বাড়িতে ফেরে। আমি সবই টের পাই । আমার মন বলছে, তোদের স্বামী-স্ত্রীতে কিছু হয়েছে। আমি তোর মা, আমার কাছে কিছু না লুকিয়ে বলত মা, রকিব তোকে কি বলেছে? এবার আর শামীমা নিজেকে ধরে রাখতে পারে না। সে ঢুকরিয়ে কেঁদে ওঠে। শাহিনা বেগম শামীমাকে কাছে টেনে নিয়ে বুকে জড়িয়ে ধরে বলেন, কাঁদিসনে মা, আমাকে সব কথা খুলে বল, তোর মত সোনার প্রতিমাকে যে কাঁদাবে তাকে আমি ছেড়ে দেব ভেবেছিস? তাকে আমি এমন শাস্তি দেব, চির দিন তা মনে রাখবে। শাহিনা বেগম শামীমাকে ধরে নিয়ে নিজের ঘরের দিকে রওনা হলেন ।
বইটি ডাউনলোড করে নিন নিচের দেয়া লিঙ্ক থেকে এবং পড়ে নিন সহজেই। লিঙ্কে ক্লিক করে ডাউনলোড করতে না পারলে আমাদের জানিয়ে দিন। ফিক্স করে দেয়া হবে। অথবা নিচে কমেন্ট করুন কেমন লাগলো বইটি!
বই পড়া অনেকের জন্য নেশা, অনেকের জন্য পরম ভালোবাসার একটি বস্তু। এই বইকে আমরা সহজলভ্য এবং সহজে পাওয়ার বস্তু হিসেবে উপস্থাপন করতে চাইছি, তাই আমাদের সাইট আমরা ডিজাইন করেছি ইউজার ফ্রেন্ডলিনেস বজায় রেখে। সাইটের কোনো ধরনের ইস্যু নিয়ে কোনো মতামত থাকলে জানাতে পারেন, এবং বই এর জন্যে রিকুয়েস্ট করতে পারেন উপরে বাটন দেয়া আছে নিচেও লিঙ্ক দেয়া আছে। সর্বোপরি সকলের সহযোগিতা কাম্য সাইট চালাতে হলে, ইনশাআল্লাহ আমরা সকলেই বই পড়ে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারবো!