থার্ড পন্ডিত – শফিউদ্দিন সরদার – ফ্রি পিডিএফ ডাউনলোড – Free PDF Download

থার্ড পন্ডিত – শফিউদ্দিন সরদার – ফ্রি পিডিএফ ডাউনলোড – Free PDF Download এই বইটি ডাউনলোড করে নিন এখনি। আরো নতুন নতুন বই পেতে ভিজিট করুন আমাদের বই লাইব্রেরি।

মহান আল্লাহ বলেন –

পড়ো! তোমার প্রভুর নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন

আল কুরআন

জগতের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত প্রত্যেক জমানায়, প্রত্যেক সময়ে কিছু মানুষ এমন ছিল যারা অজানাকে জানতে চেয়েছে, বুঝতে চেয়েছে। অনুধাবন করতে চেষ্টা করেছে বিশ্বজগতের গূঢ় রহস্য, অবলোকন করেছে পরম বিস্ময়ের সাথে মহাকাশের লীলাখেলা। এই মানুষগুলোর নিরন্তর প্রচেষ্টার ফলেই আজ আমরা এখানে দাঁড়িয়ে আছি এবং এত সুন্দর কিছু প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারছি, পৃথিবী এগিয়ে যাচ্ছে উন্নয়নের সোপান বেয়ে তরতর করে। এই পথচলার মাঝেই আরেকটি ক্ষুদ্র প্রয়াস আমাদের এই ওয়েবসাইট। এখানে বাংলাভাষায় এবং অন্যান্য সকল ভাষায় পরবর্তীতে সর্বাধিক বইয়ের লাইব্রেরি করার ইচ্ছা আমাদের রয়েছে। বারবার এই সাইট বন্ধ হয়েছে, অন্য নামে আবার এসেছে, আসবে। এইজন্যে আপনাদের সাপোর্ট প্রয়োজন। আপনারা প্রতিনিয়ত সাইটে ভিজিট করে যাবেন এই আশাবাদ ব্যক্ত করছি। আমাদের জানাবেন কোনো সমস্যা থাকলে।

বইটি সম্পর্কেঃ

অনুবাদঃ শফিউদ্দিন সরদার

পৃষ্ঠাসংখ্যাঃ ১৩০

থার্ড পন্ডিত – বইটির এক ঝলকঃ

তাঁর সাঁওতাল পাড়ায় পড়ে থাকার দরুন, ঝড় উঠেছে সমালোচনার, তুফান ছুটছে বদনামের।
আবার চা-নাশতা ফেরত আনতে দেখে নূসরত জাহান নূরী সোহাগীকে প্রশ্ন করলো- কি হলো সোহাগী? ওগুলো ফেরত নিয়ে এলে যে?
জবাবে সোহাগী বললো- কি করবো? মাগরিবের নামাজ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও আরো আধঘণ্টা সময় অপেক্ষা করলাম। চা তো পানি হয়ে গেলই, নাশতার দফাও রফা হওয়ার পথে। আর কতক্ষণ অপেক্ষা করবো?
সবিস্ময়ে চেয়ে থেকে নূরী বললো- তার অর্থ? পণ্ডিত সাহেব কি ফিরে আসেননি স্কুল থেকে?
না গতকাল ঠিক সময়ে এসেছিলেন বটে। কিন্তু গত পরশুও এই একই অবস্থা গেছে। মাগরিব পেরিয়ে এশা ধর-ধর, তবু পণ্ডিত সাহেবের ফেরার নাম ছিল না ।
সেকি আবার কোথায় তাহলে যাতায়াত করতে লাগলেন?
মুখ গোমড়া করে সোহাগী বললো- কোথায় আবার যেখানে তাঁর অভ্যাস, সেখানেই যাওয়া ধরেছেন আবার হয়তো।
নূরী বাধা দিয়ে বললো- না না, তা আর যেতে পারেন না। যে ধোলাই দিয়েছি সেদিন, শরম-আক্কেল থাকলে আর ঐ গাঁয়ে পা বাড়াবেন না উনি হাসির একটা ক্ষীণরেখা নূরীর ঠোঁটে ঝিলিক দিয়ে গেল। মুখ টিপে হেসে সোহাগী বললো- ঐ গাঁয়ে না হোক, ঐ বাড়িতেই তো যেতে পারেন?
ঐ বাড়িতে! কোথায়? কৃষ্ণাদের বাড়িতে?
জি-আপা, ওখানেই ।
: কি যে বলিস? তাই কি আর যান? হাজার হোক, উনি একজন রুচিশীল শিক্ষিত মানুষ। বড় শহরের লোক। ঝোঁকের মাথায় আগে কয়েকবার গেছেন ঠিকই। কিন্তু এ নিয়ে পাঁচজন পাঁচ কথা বলাবলি করছে এখন। এরপরও কি আর উনি যেতে পারেন সেখানে? ঐ নোংরা সাঁওতাল বুনোদের বাড়িতে? পারেন না।
: পারেন আপা, পারেন। ঐ যে লোকে বলে- “রূপেতে মজিল মন, কিবা হাঁড়ি, কিবা ডোম” । স্কুল ছুটির পরে আপনার মামুজান নিজেই পণ্ডিত সাহেবকে ঐ দিকে যেতে দেখেছেন গতপরশু। তাঁর মুখেই একথা আমি শুনেছি।
: আমার মামুজানের মুখে?
হ্যাঁ আপা, আমার মনে হয় আজও ওখানেই গেছেন ।
বলিস কি! আবার উনি ঐ পথে পথ ধরেছেন? চলতো, মামুজানকে জিজ্ঞাসা করে দেখি তো?
সোহাগীকে সাথে নিয়ে বৈঠকখানার দিকে আসতেই সামনে পড়লো বাড়ির বিশ্বাসী আর বয়সী চাকর গরীবুল্লাহ। সাঁঝওয়াক্ত অনেক আগেই পার হয়ে গেছে। রীতিমতো আঁধার জমে গিয়েছে বাইরের বাড়িতে। তাদের ব্যস্তপদে সেদিকে আসতে দেখে গরীবুল্লাহ প্রশ্ন করলো- কি হলো মামণি, এই আঁধারের মধ্যে কোথায় যান ।
নূরী বললো- মামুজানের কাছে। মামুজান বৈঠকখানায় আছেন কি?
গরীবুল্লাহ বললো- না, ওখানে কেউই নেই এখন। কেন মা?
মানে ঐ পণ্ডিত। ঐ পণ্ডিত সাহেব আজও আর এখনো স্কুল থেকে আসেননি।
আসেননি? এখনও আসেননি? সেকি?
কোথায় যে আজ আবার গেলেন-
কেন? উনি তো ঐ সাঁওতাল পাড়ায় মাধব মোহন্তের বাড়িতে গেছেন। চমকে উঠলো নূরী । বললো- মাধম মোহন্তের বাড়িতে? তুমি জানলে কেমন
করে?
কি করে আবার! আমি যে নিজের চোখে দেখে এলাম। সূর্য ডোবার অনেকখানি আগে দেখে এলাম, মাধব সাঁওতালের মেয়ে কৃষ্ণার সাথে পণ্ডিত সাহেব গল্প করছেন বসে বসে।
নূরীর কর্ণমূল লাল হয়ে উঠলো। বললো- গল্প করছে? কোথায়?
ওদের ঐ বৈঠকাখানায়। একদম মুখোমুখি বসে আছে দেখে এলাম । গল্প করছে আর খুব হাসাহাসি করছে।
হাসাহাসি করছে? ওখানে কি আর কেউ ছিল?
: ঠিক বলতে পারবো না। একটু দূর থেকে দেখা তো! তবে মনে হলো কেউ নেই। অন্তত ওদের নিকটে কেউ ছিল না।
: তুমি ঠিক দেখেছো? কৃষ্ণার সাথে বসে যে গল্প করছে, সে আমাদের এই পণ্ডিত- এটা তুমি ঠিক দেখেছো তো । মানে এ ব্যাপারে তোমার মনে কোন সন্দেহ নেই তো ।
আরে বলে কি? সন্দেহ থাকবে কেন? দিনের বেলা দেখা। আকাশে সূর্য দপ দপ করছে তখনও। ওদের বাইরের আঙ্গিনার একদম কোল ঘেঁষে রাস্তা। পূরো এক বিঘা দূরেও হবে না। আমি সেখান থেকে দেখলাম। দেখতে ভুল করবো কেন? আরো একদেড় বিঘে দূরে থেকে দেখলেও চিনতে ভুল আমার হতো না। এছাড়া পণ্ডিত সাহেবের কণ্ঠস্বরও আমার মুখস্থ।
বলো কি! তা তুমি ওখানে কী করতে গিয়েছিলে?
আমাদের ঐ লাল বলদকে খুঁজতে। আজও বলদটা দুপুর থেকে নেই। খুঁজতে খুঁজতে ওখানেই গেলাম। আরো দুইদিন বলদটা ঐ সাঁওতাল পাড়াতেই গিয়েছিল তো! আজও দেখি হ্যাঁ, গাঁয়ের ঐ পশ্চিম মাথায় হরি সাঁওতালের পাগাড়ে ধুমছে ঘাস কামড়াচ্ছে বদমায়েশ বলদটা । নূরীর কণ্ঠ রোধ হয়ে গেল। আর কোন কথা তার মুখ থেকে বেরলো না। কিছুক্ষণ কাঠ হয়ে দাঁড়িয়ে রইলো ওখানেই। এরপর অন্দরের দিকে পা বাড়াতেই হন হন করে চলে এলেন রেজা সাহেব। ঘরে ঢোকার পথে নূরীরা সামনে পড়ায় তাদের শুনিয়ে ঈষৎ হেসে বললেন- সরি, আজও একটু রাত হয়ে গেল।
রেজা সাহেবের শংকা ছিল, আজ তিনি অবশ্যই শক্ত তিরস্কার শুনবেন নূরীর। কিন্তু তিরস্কার করা তো দূরের কথা, তাঁর কথার প্রেক্ষিতেও কোন কথা বললো না নূরী। নীরবে সে অন্দরে চলে গেল। অন্দরে যাওয়ার পথে সোহাগী জিজ্ঞাসা করলো- আবার কি উনার চা-নাশতা নিয়ে যাবো আপা?
নূরী কঠিনকণ্ঠে বললো- না ।
সোহাগী বললো- কিন্তু নাশ্তাপানি কোথাও যদি না খেয়ে থাকেন? সেই সকাল দশটার দিকে খেয়ে গেছেন, এখন রাত প্রায় আটটা। উনি তো ক্ষুধায় মারা যাবেন!
নূরী একইকণ্ঠে বললো- মরুক !
এর বেশি কোন কথাই নূরী তখন বললো না ।
কিন্তু নূরীকে বলতেই হলো। কৃষ্ণাদের বাড়িতে রেজা সাহেবের যাতায়াত আর কৃষ্ণার সাথে তাঁর ওঠাবসা অব্যাহত থাকায় এবং তা ক্রমেই ছোট-বড়, শূদ্র-ভদ্র অনেকের দৃষ্টিগোচর হওয়ায়, এ নিয়ে এলাকাতে শুরু হলো গুঞ্জরণ। সে গুঞ্জরণের ছোট-বড় ধাক্কা নূরীর কানে এসে পড়তে লাগলো মাঝে মাঝেই । অসহ্য হয়ে ওঠায় নূরী একদিন সক্রোধে ছুটে এলো রেজা সাহেবের ঘরে। এসেই তাঁকে আক্রমণ করে বললো- এসব হচ্ছে কি? এটা কি করছেন আপনি? কিছুমাত্র বিচলিত না হয়ে রেজা সাহেব শান্তকণ্ঠে বলেলেন- কি করছি? নূরী বললো- জাতটা না দিয়ে আর ছাড়লেনই না শেষ পর্যন্ত ? জাত দিলাম! জাত দিলাম কোথায়?
হাঁড়ি-ডোম-সাঁতালের ঘরে, আবার কোথায়? ঐ একটা বুনো মেয়েকেই
এত মনে ধরলো আপনার?
বুনো মেয়েকে মনে ধরলো! কার কথা বলছেন, কৃষ্ণার কথা? তবে কি আমার কথা বলছি?
বলতে দোষ কী?
মানে?
আপনাকেও তো মনে ধরতে পারে আমার মন বলে একটা পদার্থ যখন আমার মধ্যে আছেই, তখন যে কোন জনকেই তো আমার মনে ধরতে পারে। না, পারে না। আমাকে মনে ধরার মতো কোন স্পর্ধা হতে পারে না আপনার । এর কোন কারণও থাকতে পারে না ।
পারেই তো। সেই শুরু থেকে যে ব্যক্তি আমাকে নিয়ে এতটা তৎপর, আমার অসুখ-বিসুখ, নাওয়া-খাওয়া, ঘরে ফেরা-না-ফেরা প্রভৃতি প্রতিটি বিষয় নিয়ে যিনি এতটা ব্যস্ত, এতটা উদগ্রীব ও উৎকণ্ঠ- এক কথায়, আমার প্রতি যাঁর এতটা দরদ, তাকে মনে ধরবে না, আমার মনটা কি এতটাই পাষণ্ড ?
নূরী ফুঁসে উঠলো সাপের মতো। বললো- খবরদার! ফালতু কথা খবরদার
বলবেন না।
রেজা সাহেব নির্বিকার কণ্ঠে বললেন- ফালতু কথা বললাম?
আলবৎ ফালতু কথা। ফালতু কথা বলে শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করছেন। এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন কৃষ্ণার কথা ।
কৃষ্ণার কথা কী কথা?
বারবার তার কাছে যান কেন আপনি?
সে ডাকে, তাই যাই ।
ডাকলেই যেতে হবে? তাও আবার ঐ কৃষ্ণার ডাকে?
তবু তো কৃষ্ণা আমাকে ডাকে। অন্য কেউ তো ভুলেও ডাকে না আমাকে যে, তার কাছে যাবো?
ডাকলেই আপনি যাবেন?
ডেকে একবার দেখুনই না আমি যাই কি না?
নূরী আবার গর্জে উঠে বললো- ফের! আপনাকে হুঁশিয়ার করে দিচ্ছি- স্পর্ধার সীমা লঙ্ঘন করবেন না ।
এই তো আবার ঠেকিয়ে দিলেন। এর সীমাটা কোথায়, তাইতো বুঝতে ‘পারছিনে আমি।
: কী রকম? কি বলতে চান আপনি?
: বলছি, এ বাড়িতে এতদিন ধরে আছি। মৃধা সাহেব, চৌধুরী সাহেব বা অন্য কারোরই আমার ওপর এমন প্রগাঢ় দৃষ্টি নেই। তাঁদের বাড়িতে আছি- এটাই তাঁরা জানেন। এই স্কুলের একজন শিক্ষক আমি- সেই হিসেবেই তাঁরা মানেন । আমার ওপর খবরদারি করার স্বতঃস্ফুর্ত অধিকার কেউ তাঁরা অর্জন করতে পারেননি। এ অধিকার তাদের কারো নেই। একমাত্র আপনারই তা আছে। এ অধিকার জোর করে পাওয়া যায় না। অর্জন করতে হয়। আপনি তা অর্জন করেছেন নিঃসন্দেহে আর নিরঙ্কুশভাবে।
নূরী অসহিষ্ণু হয়ে উঠতেই রেজা সাহেব হাত তুলে তাকে থামিয়ে দিয়ে বললেন- আমি এতে খুশি আর তাই প্রতিবাদ করিনে। বরং আপনি ঐ খবরদারিটুকু না করলেই আমার খারাপ লাগে। এই বিদেশ বিভূঁইয়ে নিজেকে বড় অসহায় মনে হয়। সবকিছুরই অবলম্বন চাই একটা। আপনি এখানে আমার সেই অবলম্বন। আপনার কাছে মন খুলে দুটো সত্যি কথা বলাটাকে স্পর্ধার সীমালঙ্ঘন ভাবি কী করে?
থামুন আমি আপনার ছাত্রী নই। আপনার কাছে কোন কিছুর এক্সপ্লানেশান শুনতে চাইনি আমি। গুরুগম্ভীর লেকচার দিয়ে পণ্ডিতি জাহির করতে হবে না আমার কাছে। আমি যা জানতে চাই, তারই ঠিক জবাবটা দিন।
আপনি খামাখা রাগ করছেন। জবাবটা তো আমি ঠিক ঠিকই দিচ্ছি। ঠিক ঠিকই দিচ্ছেন? তাহলে ঠিক ঠিক বলুন তো দেখি- কৃষ্ণার কাছে বারবার যান কেন আপনি?
ঐ যে বললাম, কৃষ্ণা আমাকে ডাকে, তাই যাই ।
সেই ডাকেটা কেন?
আমাকে যে তার ভীষণ দরকার। আমি তার ডাকে সাড়া না দিলে দুঃখে ক্ষোভে গলায় সে দড়ি দিতেও পারে। অর্থাৎ এমনই এক নিদারুণ সমস্যায় পড়ে আছে সে ।
: কী সে সমস্যা?
ওটা হৃদয়ঘটিত ব্যাপার, মানে বিবাহঘটিত সমস্যা ।
বটে! তাহলে তার সেই সমস্যার সমাধানে একমাত্র আপনাকেই বেছে নিয়েছে সে, না কি বলেন?
জি-জি। যার দ্বারা যে কাজটা সম্ভব, তাকেই তো বেছে নেয় মানুষ । : অর্থাৎ
আমি ছাড়া আর দ্বিতীয় কেউ তার এ সমস্যা থেকে তাকে উদ্ধার করতে
পারবে না।
আপনিই তার একমাত্র উদ্ধারকর্তা তাহলে?
জি, তা ভাবতে পারেন।
নিদারুণ আক্ষেপের সাথে নূরী বললো- তাজ্জব! ঐ কৃষ্ণার মধ্যে আপনি এমন কি দেখেছেন যে, ঐ কৃষ্ণাই এখন আপনার ধ্যান আর জ্ঞান?
মানে?
এত সুন্দরী মেয়ে কি আপনি আর কোথাও দেখেন নি? আপনাদের ঐ ঢাকা শহরেও না?
দেখবো না কেন? ভুরি ভুরি দেখেছি। এর চেয়ে দশগুণে অধিক সুন্দরী মেয়ে যত্রতত্র আছে। ঢাকা শহরে খোঁজার প্রয়োজনই পড়ে না ।
তাহলে ওকে আপনার হঠাৎ ভাল লাগলো কেন?

বইটি ডাউনলোড করে নিন নিচের দেয়া লিঙ্ক থেকে এবং পড়ে নিন সহজেই। লিঙ্কে ক্লিক করে ডাউনলোড করতে না পারলে আমাদের জানিয়ে দিন। ফিক্স করে দেয়া হবে। অথবা নিচে কমেন্ট করুন কেমন লাগলো বইটি!

বই পড়া অনেকের জন্য নেশা, অনেকের জন্য পরম ভালোবাসার একটি বস্তু। এই বইকে আমরা সহজলভ্য এবং সহজে পাওয়ার বস্তু হিসেবে উপস্থাপন করতে চাইছি, তাই আমাদের সাইট আমরা ডিজাইন করেছি ইউজার ফ্রেন্ডলিনেস বজায় রেখে। সাইটের কোনো ধরনের ইস্যু নিয়ে কোনো মতামত থাকলে জানাতে পারেন, এবং বই এর জন্যে রিকুয়েস্ট করতে পারেন উপরে বাটন দেয়া আছে নিচেও লিঙ্ক দেয়া আছে। সর্বোপরি সকলের সহযোগিতা কাম্য সাইট চালাতে হলে, ইনশাআল্লাহ আমরা সকলেই বই পড়ে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারবো!

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top