দ্য সিক্রেট অব টেম্পল ১ম খণ্ড – ড. করম হোসাইন শাহরাহি – ফ্রি পিডিএফ ডাউনলোড – Free PDF Download

দ্য সিক্রেট অব টেম্পল ১ম খণ্ড – ড. করম হোসাইন শাহরাহি – ফ্রি পিডিএফ ডাউনলোড – Free PDF Download এই বইটি ডাউনলোড করে নিন এখনি। আরো নতুন নতুন বই পেতে ভিজিট করুন আমাদের বই লাইব্রেরি।

মহান আল্লাহ বলেন –

পড়ো! তোমার প্রভুর নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন

আল কুরআন

জগতের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত প্রত্যেক জমানায়, প্রত্যেক সময়ে কিছু মানুষ এমন ছিল যারা অজানাকে জানতে চেয়েছে, বুঝতে চেয়েছে। অনুধাবন করতে চেষ্টা করেছে বিশ্বজগতের গূঢ় রহস্য, অবলোকন করেছে পরম বিস্ময়ের সাথে মহাকাশের লীলাখেলা। এই মানুষগুলোর নিরন্তর প্রচেষ্টার ফলেই আজ আমরা এখানে দাঁড়িয়ে আছি এবং এত সুন্দর কিছু প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারছি, পৃথিবী এগিয়ে যাচ্ছে উন্নয়নের সোপান বেয়ে তরতর করে। এই পথচলার মাঝেই আরেকটি ক্ষুদ্র প্রয়াস আমাদের এই ওয়েবসাইট। এখানে বাংলাভাষায় এবং অন্যান্য সকল ভাষায় পরবর্তীতে সর্বাধিক বইয়ের লাইব্রেরি করার ইচ্ছা আমাদের রয়েছে। বারবার এই সাইট বন্ধ হয়েছে, অন্য নামে আবার এসেছে, আসবে। এইজন্যে আপনাদের সাপোর্ট প্রয়োজন। আপনারা প্রতিনিয়ত সাইটে ভিজিট করে যাবেন এই আশাবাদ ব্যক্ত করছি। আমাদের জানাবেন কোনো সমস্যা থাকলে।

বইটি সম্পর্কেঃ

অনুবাদঃ কাজী আবুল কালাম সিদ্দীক

পৃষ্ঠাসংখ্যাঃ ২৫৯

দ্য সিক্রেট অব টেম্পল ১ম খণ্ড – বইটির এক ঝলকঃ

কামিনী কুর্নিশ করে হাত জোড় করে বললো- ‘সরদার! আমি ভদ্রেক গ্রাম থেকে এসেছি। আমার নাম কামিনী। আর বিমলা- যার ইসলামি নাম কুলসুম- আমি তার সখী।’
নাদের খান এগিয়ে এসে তাকে বললেন- ‘আমি আমার কন্যাকে খোশ আমদেদ জানাই, মা কামিনী। তোমার নামের একটি চিত্তাকর্ষক চিত্র আমার বুকে খোদাই করা আছে।’ এরপর কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে নাদের খান বললেন— ‘মা কামিনী, তোমাকে ভীষণ উদ্বিগ্ন ও ভীত দেখা যাচ্ছে, হেতু কী ? আমাদের মা কুলসুমের কী অবস্থা?’
কামিনী কান্নাজড়ানো কণ্ঠে বললো- ‘বাহাদুর সরদার! আপনাদের মজলুম মেয়ে, তার পিতা ও মাওলানা রক্তপিপাসুদের নখর থাবায় আক্রান্ত। আমি মাঝরাতের নিস্তব্ধতায় ওই অসহায় নিষ্পাপদের আর্তচিৎকার এবং হিংস্র হায়েনাদের অট্টহাসি নিজ কানে শুনেছি। জগন্নাথ দেবতার মন্দিরের মহাদেব ও পূজারিরা তাদের দড়ি দিয়ে বেঁধে নিয়ে গেছে। ওরা এদের জীবিত ছাড়বে না। তাদের রক্ষায় কিছু একটা করুন… সময় খুব ভয়াবহ।’
নাদের খান দাঁড়িয়ে বললেন- ‘হিন্দু গাদ্দাররা মুসলমানদের ইজ্জতের ওপর হাত দিয়ে নিজেদের ধ্বংস ডেকে এনেছে। কুলসুম একা নয়, অসহায় নয়!’ কামিনী বললো- ‘সরদার! দ্রুত কিছু করুন! কিঞ্চিৎ সময়ক্ষেপণ ওই নিষ্পাপদের জন্য শত বছরের অপেক্ষা মনে হবে।’
নাদের খান যুবাইর ও অন্য সঙ্গীকে উদ্দেশ করে বললেন- ‘সম্ভবত আমি এই শঙ্কাতেই উদ্বিগ্ন ছিলাম। মা কুলসুমের আর্তচিৎকার বহু দূর হতে আমি অনুভব করতে পেরেছি। তোমরা বসতির যুবকদের ঘোষণা দিয়ে দাও অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে এই বাসভবনের কাছে যেন সমবেত হয়ে যায়। আগামীকাল ভোরেই আমার কন্যাকে রক্ষা করে ফিরবো।’ এরপর তিনি আকাশের দিকে তাকিয়ে হাত তুলে ধরে বললেন- ‘হে মহামহিম আল্লাহ! আপনার মহত্ত্বের গুণে আমাদের কন্যাকে আপনি জালেমদের অত্যাচার থেকে রক্ষা করুন।’
মুহূর্তেই বসতির অগণিত যুবক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বাসভবনের সামনে সমবেত হয়ে স্লোগানে স্লোগানে আকাশ-বাতাস মুখরিত করে তুলছে। কামিনী তাদের কপালে সিংহের মতো ক্ষিপ্রতা আর সাহসের রেখা দেখে অভিভূত। সে এখন অনেকটা নির্ভার ও তৃপ্ত।
নাদের খান জনগণকে বিস্তারিত ঘটনা উল্লেখপূর্বক বললেন- ‘কুলসুম আমাদের কন্যা। ইসলামের কন্যারা আমাদের মর্যাদার প্রতীক। তার কিছু হয়ে গেলে আমরা নিজেদের ক্ষমা করতে পারবো না। এই সময় জীবন- মরণের সময়। এটা পরীক্ষার মুহূর্ত। নির্দয় পূজারীরা আমাদের এক কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি করেছে। আমরা ধর্মীয় সম্প্রীতি ও স্বাধীনতায় বিশ্বাসী, কিন্তু দুরাচার ও চরমপন্থী হিন্দু মহাদেবরা আমাদের তরবারি কোষমুক্ত করতে বাধ্য করেছে। ইসলামের সৈনিকেরা তাদের মর্যাদার মুকুট নিয়ে ছিনিমিনি খেলা লোকদের আল্লাহর জমিনে জীবিত থাকতে দিতে পারে না । এই কঠিন সময়ে হয়তো কুলসুমের দুটি কান আমাদের ঘোড়ার শব্দ আর দিবিদিক প্রকম্পিত করা তাকবিরধ্বনি শুনতে অধীর অপেক্ষায় প্রহর শুনছে।’
ঠিক এমন সময়ে একজন তেজস্বী যুবক ভবনে প্রবেশ করলো। তার সঙ্গে ডজনখানেক সশস্ত্র সৈনিক। আগত যুবকের নাম হাশিম, সে নাদের খানের ভাতিজা এবং গোহাটির কেল্লাদার সরফরাজ খানের ছেলে। হাশিম ঘোড়া থেকে নেমে নাদের খানের পায়ে হাত দিয়ে উৎকণ্ঠার সুরে বললো- ‘চাচা হুজুর! ঘটনা কী? লোকজন সশস্ত্র হয়ে কেন স্লোগান দিচ্ছে? কোনো উদ্ভট পরিস্থিতি ঘনিয়ে এলো কি?’
নাদের খান হাশিমের মাথায় চুমুর পরশ এঁটে দিয়ে বললেন- ‘অতর্কিত তোমার আগমন আমাদের জন্য গায়েবি নুসরাতস্বরূপ, বাবা!”
হাশিম বললো- ‘চাচা হুজুর, আমাকেও ঘটনা সম্পর্কে কিছুটা অবহিত করুন।’
নাদের খান বললেন- ‘বাবা! সময় খুব কম। সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে একটি পর্বত আমাদের হটাতে হবে। তোমার জন্য পীড়াদায়ক এ সংবাদটিই যথেষ্ট যে, কিছু হিন্দু হায়েনা তোমার চাচার পাগড়ি কেড়ে নিয়ে তাদের নাপাক পায়ের নিচে পিষ্ট করার স্পর্ধা দেখিয়েছে। এ মুহূর্তের এই সমাগম তোমার সেই নিষ্পাপ বোনের আর্তচিৎকারের প্রতিধ্বনি- যে আমাদের মুখে ডাকা কন্যা। সে ক’দিন আগে হিন্দুধর্ম ছেড়ে ইসলাম কবুল করেছে। আমি তোমাকে বিশ্রাম দেয়ার পরিবর্তে এই জিহাদে রওনা করাতে চাচ্ছি।’ হাশিম ঘোড়ার লাগাম হাতে নিয়ে বললো- ‘চাচা হুজুর! যতোক্ষণ পর্যন্ত আমরা আমাদের বোনকে হিন্দুদের বন্দিত্ব থেকে মুক্ত করতে না পারবো, ততোক্ষণ পর্যন্ত বিশ্রামের ব্যাপারে কোনো ভাবনা মাথায় নেয়াই পাপ মনে করি। দোয়া করুন, দোয়া আমাদের ভীষণ প্রয়োজন।’
নাদের খান বললেন- ‘আমিও তোমাদের সঙ্গে যাবো।’
ইসমাইল এগিয়ে এসে নাদের খানের পা ছুঁয়ে বললো- ‘বাবা হুজুর! আমাদের ওপর আস্থা রাখুন। ইনশাআল্লাহ আমরা রাতের মধ্যেই কুলসুম ও তার পিতা এবং মাওলানা নুর মুহাম্মাদ সাহেবকে হিন্দু নরপশুদের বন্দীখানা থেকে মুক্ত করে আনবো। আপনি আমাদের জন্য দোয়া করুন।’
নাদের খান বললেন— ‘তোমরা সবাই আমার সন্তান। আমি তোমাদের সাহস ও বীরত্ব সম্পর্কে অবগত। কিন্তু মনে রেখো, আমাদের কন্যা ছাড়া এ বসতিতে ফিরে আসার স্পর্ধা দেখাবে না। যাও, আল্লাহই তোমাদের সাহায্যকারী। আমাদের দোয়ার ছায়াতলে কদম বাড়িয়ে এগিয়ে চলো।’
বসতির যুবকেরা স্লোগান দিতে দিতে ঘোড়ায় আরোহণ করলো। নাদের খান কামিনীর মাথার ওপর হাত রেখে বললেন- ‘মা কামিনী! আমার সঙ্গে এসো, সকিনা ও তার মা তোমাকে পেয়ে ভীষণ খুশি হবে।
কামিনী বললো- ‘সরদার! এ মুহূর্তে এই সৈনিকদের সঙ্গে যাওয়া আমার ভীষণ প্রয়োজন।’
হাশিম কামিনীর দিকে তাকালো ।
নাদের খান বললেন— ‘মা, তুমি চিন্তা করো না। এরা ওইসব লোক- যারা পা বাড়ালে জমিনের প্রশস্ততা হাত গুটিয়ে আত্মসমর্পণ করে।’
কামিনী হাত জোড় করে মাথা ঝুঁকিয়ে বললো- ‘এটা আমি বিশ্বাস করি। কিন্তু খান বাবা! মন্দিরের অন্ধকার নির্জন কক্ষ- যেখানে কুলসুম, তার পিতা ও মৌলভি সাহেবকে আটকে রাখা হয়েছে, তা খুঁজতে খুঁজতে এঁদের হপ্তা পেরিয়ে যাবে। ওই সময়টুকুতে হিন্দু মহাদেব ও পূজারিরা কুলসুম ও তার সাথিদের জীবনপ্রদীপ নিভিয়ে দেবে। আমি সেই সব অন্ধকার রাস্তা সম্পর্কে অবগত। ওদিক দিয়ে গিয়ে দ্রুত আমরা ওই নরপশুদের আস্তানায় পৌঁছাতে সক্ষম হবো।’ একটু ভেবে নাদের খান বললেন- ‘সম্ভবত তুমি সঠিক বলছো।’
কিছুক্ষণ পর জানবাজদের ক্ষুদ্র এই বাহিনী- যাদের সংখ্যা সর্বসাকুল্যে একশ’র অধিক ছিলো না- হাশিম ও ইসমাইলের নেতৃত্বে বসতি হতে বের হয়ে জগন্নাথ দেবতার মন্দির অভিমুখে রওনা করলো। নাদের খান সেখানেই আল্লাহর দরবারে সেজদায় লুটিয়ে পড়লেন। কেঁদে কেঁদে বললেন— ‘হে আল্লাহ! আপনিই এদের সফলতার জামিন হতে পারেন।
কামিনী খুব সহজভাবে হাশিম ও ইসমাইলের সাথে ঘোড়া দৌড়িয়ে গন্তব্যের দিকে এগিয়ে চললো। ঘন বন-জঙ্গল ও উঁচু উঁচু পাহাড়-পর্বত ডিঙিয়ে এই বাহিনী এক অপরিচিত পথ ধরে অতর্কিতভাবে মন্দির পর্যন্ত পৌঁছে যেতে চায়। তাদের জানা ছিলো, মন্দিরের প্রহরীরা গুরুত্বপূর্ণ সব পথে ভালো করে পাহারা বসিয়েছে। কিন্তু কামিনী ও ইসমাইলের অভিনব কৌশলের কাছে জগন্নাথ মন্দিরের পূজারিদের কড়া সতর্কতা টিকলো না।
এখনো রাতের তৃতীয় প্রহর চলছে। তারকাগুচ্ছ এখনো মিটিমিটি আলো বিলিয়ে যাচ্ছে। ছোট্ট এই বাহিনী জগন্নাথ মন্দিরের পেছনে প্রবাহিত নদীর ধারে এসে পৌঁছেছে। এই নদীর উভয় তীরে ঘন গাছের বন। গাছের দীর্ঘ ছায়া অন্ধকারের চাদর আরো গাঢ় করে রেখেছে।
কামিনী ঘোড়ার লাগাম টেনে গভীর নিশ্বাস নিয়ে বললো- ‘আমাদের সফর শেষ হয়েছে। এক কঠিন দশা পেরিয়ে এলাম আমরা। নিজেদের বাহনগুলো জঙ্গলের অন্ধকারে লুকিয়ে রাখো। এই জঙ্গলের কোথায় যেন গোপন সুড়ঙ্গের চোরাপথ আছে। আমার ধারণা- ভোর হলে কোনো-না-কোনো পূজারি নিশ্চয় এদিকে আসবে। তাকে আক্রমণ করে আমরা খুব সহজেই তার থেকে সব তথ্য জেনে নিতে পারবো।’
হাশিম তার সঙ্গীদের উদ্দেশ্য করে বললো- ‘বন্ধুরা! নিজ নিজ ঘোড়ার মুখ বেঁধে সতর্কতার সাথে জঙ্গলে লুকিয়ে থাকো। যে-ই মন্দিরের কোনো পূজারিকে দেখতে পাবে, অতর্কিত তাকে ধরে বেঁধে ফেলবে।’
হাশিম, কামিনী ও ইসমাইল ছড়িয়ে পড়লো এদিক-ওদিক। তারা মন্দিরের প্রাচীরের খুব কাছেই আছে। ভোর ঘনিয়ে আসছে। আলোকিত হতে চলেছে চারদিক। মন্দিরের ঘন্টার আওয়াজ শোনা যাচ্ছে। রাতের নিস্তব্ধতায় এক রহস্যময় অধ্যায় সমাপ্তির পথে। জানবাজরা সতর্ক। নদীর তীরে এক জায়গায় লম্বা লম্বা ঘন ঘাসে ঘেরা একটি ঢাকনা । একজন সিপাহি ওই ঢাকনার কাছে গিয়ে থমকে দাঁড়ায়। একধরনের সন্দেহ তার ভেতর। তার ধারণা এই ঢাকনার নিচে কোনো গর্ত আছে। ভোরের আভা দীপ্তমান। সূর্য কিরণ মেলেছে। হঠাৎ ঘাসগুলোতে নড়াচড়া অনুভূত হচ্ছে। সিপাহি ঘন একটি ঝাড়ের নিচে লুকিয়ে পড়লো। কিছুক্ষণ পর ঘাস চিরে উঠতে দেখা গেলো মোটা গড়নের ভুঁড়িওয়ালা এক পূজারিকে। সে খুবই তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে এদিক-ওদিক তাকালো। এরপর নিশ্চিন্ত মনে এগোতে থাকলো নদীর দিকে। তার মাথায় ছিলো লম্বা চুলের বেণি; যা তার ডান কাঁধে ঝোলানো। এখনো সে নদীর তীরে পৌঁছাতে পারেনি। লুকিয়ে থাকা সিপাহি ধীর কদমে এগিয়ে এসে পেছন থেকে বললো- ‘নমস্কার, মহাত্মাজি!’ পূজারি পেছনে ফিরে তাকালো। এরপর সশস্ত্র যুবককে দেখে ভীতকণ্ঠে বললো- “তুমি কে? এদিকে কেন এসেছো?’
সিপাহি হাত জোড় করে বললো- ‘মহাত্মাজি! দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই! আমার নাম মোহন। আমি স্নান করতে নদীতে এসেছি।’
পূজারি উদ্বেগের দৃষ্টিতে তার দিকে তাকিয়ে বললো- “কিন্তু তোমাকে তো আগে কখনো দেখিনি।’
‘দেখেননি তো কী হয়েছে? এখন ভালো করে দেখে নিন!
মোহনের কথা শুনে পূজারি পেছনের দিকে তাকিয়ে বলতে লাগলো- ‘তোমার ভাষা তো ভীষণ কর্কশ! আমার সামনে থেকে দূর হও!’
মোহন সামনে গিয়ে বেশ আহ্লাদে পূজারির দীর্ঘ চুলের বেণি ধরে এক ধাক্কায় মাটিতে ফেলে দিয়ে বললো- “চিৎকার-চেঁচামেচির কোনো চেষ্টা করবে না, নইলে এই তরবারির কলা তোমার কলজে ভেদ করে ছাড়বে। ‘
মোহন তার গলায় পা রেখে ইসমাইল ও হাশিমকে ডাকলো। অল্পক্ষণের মধ্যেই হাশিন, ইসমাইল, কামিনীসহ অন্য সিপাহিরা পূজারির চারপাশ ঘিরে দাঁড়ালো। এরপর তাকে নিয়ে যাওয়া হলো ঘোর ঘন এক ঝাড়ের আড়ালে।
ইসমাইল তার কণ্ঠনালির ওপর তরবারি রেখে বললো- ‘তোমাকে খুন করার কোনো ইচ্ছে আমাদের নেই। কিন্তু তুমি যদি আমাদের সাহায্য না করো, তাহলে তোমাকে জীবিত ছাড়া হবে না!

বইটি ডাউনলোড করে নিন নিচের দেয়া লিঙ্ক থেকে এবং পড়ে নিন সহজেই। লিঙ্কে ক্লিক করে ডাউনলোড করতে না পারলে আমাদের জানিয়ে দিন। ফিক্স করে দেয়া হবে। অথবা নিচে কমেন্ট করুন কেমন লাগলো বইটি!

বই পড়া অনেকের জন্য নেশা, অনেকের জন্য পরম ভালোবাসার একটি বস্তু। এই বইকে আমরা সহজলভ্য এবং সহজে পাওয়ার বস্তু হিসেবে উপস্থাপন করতে চাইছি, তাই আমাদের সাইট আমরা ডিজাইন করেছি ইউজার ফ্রেন্ডলিনেস বজায় রেখে। সাইটের কোনো ধরনের ইস্যু নিয়ে কোনো মতামত থাকলে জানাতে পারেন, এবং বই এর জন্যে রিকুয়েস্ট করতে পারেন উপরে বাটন দেয়া আছে নিচেও লিঙ্ক দেয়া আছে। সর্বোপরি সকলের সহযোগিতা কাম্য সাইট চালাতে হলে, ইনশাআল্লাহ আমরা সকলেই বই পড়ে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারবো!

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top