রূপনগরের বন্দী – শফিউদ্দিন সরদার – ফ্রি পিডিএফ ডাউনলোড – Free PDF Download এই বইটি ডাউনলোড করে নিন এখনি। আরো নতুন নতুন বই পেতে ভিজিট করুন আমাদের বই লাইব্রেরি।
মহান আল্লাহ বলেন –
পড়ো! তোমার প্রভুর নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন
আল কুরআন
জগতের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত প্রত্যেক জমানায়, প্রত্যেক সময়ে কিছু মানুষ এমন ছিল যারা অজানাকে জানতে চেয়েছে, বুঝতে চেয়েছে। অনুধাবন করতে চেষ্টা করেছে বিশ্বজগতের গূঢ় রহস্য, অবলোকন করেছে পরম বিস্ময়ের সাথে মহাকাশের লীলাখেলা। এই মানুষগুলোর নিরন্তর প্রচেষ্টার ফলেই আজ আমরা এখানে দাঁড়িয়ে আছি এবং এত সুন্দর কিছু প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারছি, পৃথিবী এগিয়ে যাচ্ছে উন্নয়নের সোপান বেয়ে তরতর করে। এই পথচলার মাঝেই আরেকটি ক্ষুদ্র প্রয়াস আমাদের এই ওয়েবসাইট। এখানে বাংলাভাষায় এবং অন্যান্য সকল ভাষায় পরবর্তীতে সর্বাধিক বইয়ের লাইব্রেরি করার ইচ্ছা আমাদের রয়েছে। বারবার এই সাইট বন্ধ হয়েছে, অন্য নামে আবার এসেছে, আসবে। এইজন্যে আপনাদের সাপোর্ট প্রয়োজন। আপনারা প্রতিনিয়ত সাইটে ভিজিট করে যাবেন এই আশাবাদ ব্যক্ত করছি। আমাদের জানাবেন কোনো সমস্যা থাকলে।

বইটি সম্পর্কেঃ
অনুবাদঃ শফিউদ্দিন সরদার
পৃষ্ঠাসংখ্যাঃ ১১৫
রূপনগরের বন্দী – বইটির এক ঝলকঃ
আমিন খাঁ গর্জে উঠে বললো, মূল্য দিতে হবে সিপাহসালার। এই জঘন্য আচরণের মূল্য কড়ায় গণ্ডায় পরিশোধ করতে হবে।
তাহলে এই নাও তোমার মূল্য ।
কাফি খাঁ ক্ষিপ্তভাবে অসি উন্মোচন করে আমিন খাঁকে আঘাত করতে গেলেন। আমিন খাঁও বীর বিক্রমে অসি উন্মোচন করলো এবং কাফি খাঁকে প্রত্যাঘাত করতে উদ্যত হয়ে বললো, হুঁশিয়ার বেঈমান!
লড়াই লাগে লাগে, হঠাৎ এই সময় অদূরে অনর্গল গুলির শব্দ হতে লাগলো। চমকে উঠলেন কাফি খাঁ এবং ভীত কণ্ঠে বললেন, ও কি! ও কিসের শব্দ?
পড়ি মরি ছুটে এলো বাহার খাঁ এবং কাফি খাঁকে উদ্দেশ্য করে বললো, সর্বনাশ হয়ে গেছে হুজুর, সর্বনাশ হয়ে গেছে! বকশী আসাদ খার বাহিনী চারদিক দিয়ে ঘিরে ফেলেছে আমাদের। আমরা এখন সম্পূর্ণ অসহায়। কাফি খাঁ কম্পিত কণ্ঠে বললেন, আসাদ খাঁর বাহিনী!
বাহার খাঁ বললো, সংগে আছেন আসাদ খাঁ স্বয়ং। প্রতিরোধের সামান্যতম প্রস্তুতিও আমাদের নেই, অথচ আপনার উপর সবার সে কি আক্রোশ! আপনাকেই সবাই তালাশ করছে।
কাফি খাঁ ঘাবড়ে গিয়ে বললেন, আমাকে?
বাহার খাঁ বললো, আপনাকেই। আসাদ খাঁর আত্মীয়া মালেকা বানুর উপর আপনি যে হামলা করতে গিয়েছিলেন, সেজন্যেই এই আক্রোশ! তারই প্রতিশোধ নিতে কাফি বা উদ্ভ্রান্তের মতো বললো, এ্যা! তাহলে?
বাহার খাঁ বললো, পালান হুজুর, শিল্পির পালান। আপনাকে পেলে একদম দু টুকরো করে ফেলবে।
আতংকে লাফিয়ে উঠে কাফি খাঁ বললেন, ওরে বাপরে, ওরে বাপরে! সেনাপতি কাফি খাঁ দৌড়ে পালিয়ে যেতে লাগলেন। তা দেখে আমিন খাঁ বললো, দাঁড়াও শয়তান, তোমার ব্যবস্থা আমিই করছি দাঁড়াও!
এ কথায় কাঁফি খাঁ আরো অধিক ভীত হয়ে উঠলেন এবং আরো দ্রুত বেগে ছুটে পালিয়ে গেলেন।
কাফি খাঁ অদৃশ্য হয়ে গেলে আমিন খাঁ বাহার থাকে প্রশ্ন করলো, কি ব্যাপার বাহার খাঁ?
বাহার খাঁ হেসে বললো, ফাঁকা আওয়াজ দোস্ত। কেউ আসেনি। সবই আমার ঐ বাহাদুরের বাহাদুরী! বলো কি!
নইলে ঐ জানোয়ারটাকে সহজে বাগে আনা যেতো না। তার সহায়তায় আরো সঙ্গী-সাবুদ হেথা হোথা ছিল। আমি যাই। তুমি শিল্পির মেয়েটাকে কোন নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাও। এ এলাকায় থাকলে তার রেহাই নেই ।
বাহার খাঁ দ্রুত সেখান থেকে চলে গেল। আমিন খাঁ স্বগতোক্তি করলো, তাজ্জব!
সরস্বতী বাঈ এক পাশে দাঁড়িয়ে মৃদু মৃদু কাঁপছিল। আমিন খাঁ এবার তাকে লক্ষ্য করে বললো, এসো বহিন ।
সরস্বতী বাঈ এ কথায় তাজ্জব হয়ে গেল! তাজ্জব কণ্ঠে বললো, এ্যা? বহিন? আপনি আমাকে বহিন বললেন?
আমিন খাঁ বললো, হ্যাঁ। দুনিয়ার তামাম আওরাত আমাদের কাছে মা- বহিনের সমান। বলো, কোথায় যাবে এখন?
কোথায়? আমাকে মোঘল শিবিরে পৌছে দিন।
আমিন খাঁ সবিস্ময়ে বললো, মোঘল শিবিরে!
সরস্বতী বাঈ বললো, আমি দিল্লীস্বরের এক কর্মচারীকে ভালোবাসি। সেটা আমাদের সমাজে জানাজানি হওয়ায় আমাকে আটকে রাখা হয়েছিল। আমি আজ পালিয়ে তাঁর সন্ধানেই এখানে এসেছিলাম। কিন্তু তাঁকে খুঁজে পাইনি । সে কি!
এখন ফিরে গেলেও সমাজে আর ঠাঁই পাবো না ।
আশ্চর্য! সে কর্মচারীর নাম?
এর বেশি আমি কিছুই জানিনে। আজকেই সব জানানোর কথা ছিল।
তাঁর নামটাও জানো না?
জি না। তাও তিনি জানাননি।
বলো কি! বড় জটিল ব্যাপার। মোঘল শিবিরে গিয়ে তাঁকে না পেলে কি
করবে?
তাহলে বাঈজীর দলে ভর্তি হবো।
বাঈজীর দলে?
জি। তাতে আমার দুঃখ নেই। আমাদের বংশে অনেকেই বাঈজী ছিলেন আমার মন বলছে, একদিন না একদিন তাঁর হদিস আমি পাবোই।
তোমার নাম? সরস্বতী বাঈ ও। আচ্ছা চলো। মোঘল শিবির এখানে দু’টি। কিন্তু ছোট শাহজাদার শিবির তোমার জন্যে মোটেই নিরাপদ নয়। এসো বড় শাহজাদার শিবিরেই তোমাকে নিয়ে যাই। সেখানে তাঁকে পাবে কিনা জানিনে। তবে এটা নিশ্চিত যে, জেনানার অমর্যাদা করার দুঃসাহস সেখানে কারো নেই।
বেশ, তাহলে তাই চলুন ।
এসো।
সরস্বতী বাঈকে নিয়ে শাহজাদা আওরঙ্গজেবের শিবিরের দিকে রওনা হলো আমিন খাঁ।
বড় জ্বালা। শাহজাদা মুরাদ বকশের মনে বড় জ্বালা । সরস্বতী বাঈ আর এলো না হেতু মনে তাঁর বড় দুঃখ।
সেদিন তাঁর মনে বড় ক্রোধ পয়দা হয়েছিল। অভিমানও হয়েছিল অপরিসীম। ক্রোধে ও অভিমানে সেদিন তিনি জোর করেই সে স্থান থেকে চলে এসেছিলেন। দরিয়া খাঁর আপত্তি ও অনিচ্ছায় আমল না দিয়ে তিনি জিদের বশেই চলে এসেছিলেন। আর অপেক্ষা করতে চাননি। ভেবেছিলেন সরস্বতী বাঈ প্রতারণা করেছে তাঁর সাথে কোন প্রতারিণীকে নিয়ে তিনি আর ভাববেন না। তার কথা মনে আর রাখবেন না
ছাউনিতে ফিরে আসার পর এভাবেই কেটে গেল দিন দুয়েক। এর পরেই শুরু হলো যন্ত্রণা। সরস্বতীকে ভুলে থাকার চেষ্টা করলেন। প্রাণপণ চেষ্টা করলেন কিন্তু পারলেন না তাঁর সব চেষ্টা ব্যর্থ করে সরস্বতী বাঈয়ের কথা পুনঃপুনঃ তাঁর মনের কোণে ভেসে উঠতে লাগলো। ভেসে উঠতে লাগলো সরস্বতী বাঈয়ের ঐ মনোলোভা রূপলাবণ্য, সরস্বতী বাঈয়ের ঐ মিষ্টি মধুর আলাপন, সরস্বতী বাঈয়ের ঐ নিষ্পাপ মুখচ্ছবি।
থমকে গেলেন শাহজাদা খতিয়ে দেখতে লাগলেন সরস্বতী বাঈয়ের মনে ও মুখে প্রতারণার আদৌ কোন আভাস ছিল কিনা। প্রাণপণে ও গভীর মনোনিবেশে চেষ্টা করেও বিন্দুমাত্র সে আভাস পেলেন না তিনি। তাহলে?
মুষড়ে পড়লেন শাহজাদা মুরাদ। তাহলে কি সত্যিই মস্ত বড় ভুল করলেন তিনি? দরিয়া খাঁর কথাই কি ঠিক ছিল তাহলে? দরিয়া খাঁ বলেছিল, পুরুষের মতো স্বাধীন জীবন মেয়েদের নয়। তাদের পদে পদে বিপত্তি। ধাপে ধাপে বাধা। কোন বাধা-বিপত্তির কারণেই আসতে পারছে না সরস্বতী। আরো কিছুক্ষণ অপেক্ষা করা উচিত ছিল। দরিয়া খাঁর চিন্তা-ভাবনাই কি যথার্থ ছিল তাহলে?
তাই যদি হয় আর তাঁর চলে আসার পরেই যদি সরস্বতী বাঈ এসে থাকে, তাহলে তাঁর পরিণামটা কি হলো সরস্বতীর জন্যে? তার ঐ অসামান্য রূপলাবণ্য নিয়ে সে কি নিরাপদে আবার ঘরে ফিরতে পেরেছে? ঐ নির্জন তেপান্তরে কোন খান্নাসের কবলে তো পড়েনি সে!
পুনশ্চ ভাবনা, যদি সে সব কোন বিপত্তি ঘটেই থাকে শেষ পর্যন্ত, তাহলে কি সরস্বতী না করতে পারবে তাঁকে? তাঁর কথা কি আর মনে রাখবে সে? তার ভালোবাসা আর কি মনে পুষে রাখবে সরস্বতী? না, হয়তো তা রাখবে না!
হয়তো তা রাখতে সে পারে না!
ছাউনিতে ফিরে আসার দিন দুয়েক পরে শাহজাদা মুরাদ এসব কথা ভেবে ভেবে ক্লান্ত হয়ে পড়লেন। শ্রান্ত-ক্লান্ত হয়ে তিনি এ সব কথা ভুলে যাওয়ার জন্যে নিজেকে ডুবিয়ে দিলেন সরাবের সাগরে। নিজ কক্ষে বোতল খানেক সরাব সংরক্ষিত ছিল। নিজেই তা ঢেলে নিলেন আর নীরবে বসে বসে সবটুকু পান করলেন । শূন্য হলো রোতল, তবু নেশা তাঁর জমলো না। তাই শেষে হাঁক দিলেন, এ্যায়, কুয়ী হ্যায়?
দরিয়া খাঁ বাইরে থেকে জবাব দিল,
শাহজাদা বললেন, সরাব লাও।
হুজুর!
সরাবের বোতল ও পেয়ালা হাতে ছুটে এলো দরিয়া খাঁ। পেয়ালায় সরাব ঢেলে দিয়ে বললো, এই নিন হুজুর।
দরিয়া খাঁ পরপর কয়েক পেয়ালা সরাব ঢেলে দিল আর শাহজাদা মুরাদও পরপর সেই কয়েক পেয়ালা সরাব পান করলেন। সরাব পান করতে করতে শাহজাদার চিন্তা-ভাবনা সরস্বতী বাঈয়ের দিক থেকে অন্য দিকে ঘুরে গেল তিনি ভাবতে লাগলেন তাঁর বর্তমান ও ভবিষ্যৎ জীবন নিয়ে। তাঁর বাদশাহ হওয়ার ব্যাপার-স্যাপার নিয়ে। ভাবতে লাগলেন বাদশাহ হওয়ার উচিত- অনুচিতের দিক নিয়ে সরাবের পেয়ালায় চুমুক দিতে দিতে তাই তিনি বললেন, আচ্ছা বাবা! দিল দরিয়া, মগজটায় একটু নাড়া দিয়ে চিন্তা করে দ্যাখতো, এইভাবে দিন কাটিয়ে দেয়া ভালো, না বাদশাহ হওয়া ভালো?
দরিয়া খাঁ বললো, আমি আদার বেপারী হুজুর, ওসব জাহাজের খবর দেবো কোত্থেকে?
একটু চিন্তা করে দ্যাখ আমি জানি, এর খাসা জওয়াব তুই দিতে পারবি আমাকে পিটিয়ে তক্তা বানালেও আমি তা পারবো না হুজুর। জীবনে কোনদিন সরাবও খাইনি, ওদিকে আবার চৌদ্দ পুরুষের কেউ কোনদিন রাজা- বাদশাও ছিল না। কাজেই এর কোনটা ভালো আর কোনটা মন্দ, তা আমি কি করে বলবো, খোদাবন্দ?
তুই বড় চালাক দরিয়া, তাই গুরুতর বিষয়ের উপর কোন মন্তব্য করতে চাসনে। আচ্ছা, একটা কথার জবাব দেতো।
হুজুর!
তোর এত বুদ্ধি, তবু তুই কোন বড় পদ নিতে চাসনে কেন?
এর বেশি যে আমার কোন মুরোদ নেই হুজুর।
কিসে বুঝলি?
হাতের বোতল ও পেয়ালা পাশে রেখে দরিয়া খাঁ বললো, হুজুর, আমার বাড়ি ছিল যমুনা নদীর পাড়ে। আমার আব্বা ছিলেন একজন ডাক সাইটে হালের মাঝি। ছোটকাল থেকে তাই আমারও খাহেশ ছিল, আমি হালের মাঝি হবো।
তারপর?
কিন্তু আমার নসীব খারাপ হুজুর, ছোটকাল থেকেই। আমার আবার খোশ গল্পে বেজায় ঝোঁক। ঐ ঝোঁকেই সব মাটি করে দিলে।
কি রকম?
হাল ধরে বসেই চড়নদারের সাথে খোশ গল্পে মেতে যেতাম। ফলে দু’ দু’বার মাঝদরিয়ায় নৌকা উল্টিয়ে দিলাম। শেষবারে তো নিজের জানটাই গিয়েছিল হুজুর! স্রেফ ঢেউয়ের ধাক্কায় ডাঙ্গায় এসে পৌঁছেছিলাম বলেই রক্ষে। সেই থেকে কানে মাটি দিয়েছি, ও কাজে আর যাচ্ছিনে।
কেন?
ও যোগ্যতা আমার নেই হুজুর। যে কাজ যার স্বভাববিরুদ্ধ, তার সে কাজে না যাওয়াই ভালো।
হো হো করে হেসে উঠলেন শাহজাদা মুরাদ। বললেন, তুই নাকি আদার বেপারী দরিয়া? জাহাজের খবর নাকি দিতে পারিসনে তুই?
দরিয়া খাঁ নত মস্তকে বললো, খোদাবন্দ !
মোঘল সাম্রাজ্যের মাঝি হতে গেলে যে যোগ্যতার প্রয়োজন, তা আমার নেই। বাদশাহগিরি আমার স্বভাববিরুদ্ধ কাজ তাই না?
দরিয়া খাঁ হাত জোড় করে বললো, আমি তো তেমন কিছুই বলিনি হুজুর।
বইটি ডাউনলোড করে নিন নিচের দেয়া লিঙ্ক থেকে এবং পড়ে নিন সহজেই। লিঙ্কে ক্লিক করে ডাউনলোড করতে না পারলে আমাদের জানিয়ে দিন। ফিক্স করে দেয়া হবে। অথবা নিচে কমেন্ট করুন কেমন লাগলো বইটি!
বই পড়া অনেকের জন্য নেশা, অনেকের জন্য পরম ভালোবাসার একটি বস্তু। এই বইকে আমরা সহজলভ্য এবং সহজে পাওয়ার বস্তু হিসেবে উপস্থাপন করতে চাইছি, তাই আমাদের সাইট আমরা ডিজাইন করেছি ইউজার ফ্রেন্ডলিনেস বজায় রেখে। সাইটের কোনো ধরনের ইস্যু নিয়ে কোনো মতামত থাকলে জানাতে পারেন, এবং বই এর জন্যে রিকুয়েস্ট করতে পারেন উপরে বাটন দেয়া আছে নিচেও লিঙ্ক দেয়া আছে। সর্বোপরি সকলের সহযোগিতা কাম্য সাইট চালাতে হলে, ইনশাআল্লাহ আমরা সকলেই বই পড়ে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারবো!