প্রেম ও পূর্ণিমা – শফিউদ্দিন সরদার – ফ্রি পিডিএফ ডাউনলোড – Free PDF Download এই বইটি ডাউনলোড করে নিন এখনি। আরো নতুন নতুন বই পেতে ভিজিট করুন আমাদের বই লাইব্রেরি।
মহান আল্লাহ বলেন –
পড়ো! তোমার প্রভুর নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন
আল কুরআন
জগতের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত প্রত্যেক জমানায়, প্রত্যেক সময়ে কিছু মানুষ এমন ছিল যারা অজানাকে জানতে চেয়েছে, বুঝতে চেয়েছে। অনুধাবন করতে চেষ্টা করেছে বিশ্বজগতের গূঢ় রহস্য, অবলোকন করেছে পরম বিস্ময়ের সাথে মহাকাশের লীলাখেলা। এই মানুষগুলোর নিরন্তর প্রচেষ্টার ফলেই আজ আমরা এখানে দাঁড়িয়ে আছি এবং এত সুন্দর কিছু প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারছি, পৃথিবী এগিয়ে যাচ্ছে উন্নয়নের সোপান বেয়ে তরতর করে। এই পথচলার মাঝেই আরেকটি ক্ষুদ্র প্রয়াস আমাদের এই ওয়েবসাইট। এখানে বাংলাভাষায় এবং অন্যান্য সকল ভাষায় পরবর্তীতে সর্বাধিক বইয়ের লাইব্রেরি করার ইচ্ছা আমাদের রয়েছে। বারবার এই সাইট বন্ধ হয়েছে, অন্য নামে আবার এসেছে, আসবে। এইজন্যে আপনাদের সাপোর্ট প্রয়োজন। আপনারা প্রতিনিয়ত সাইটে ভিজিট করে যাবেন এই আশাবাদ ব্যক্ত করছি। আমাদের জানাবেন কোনো সমস্যা থাকলে।

বইটি সম্পর্কেঃ
অনুবাদঃ শফিউদ্দিন সরদার
পৃষ্ঠাসংখ্যাঃ ১৭৯
প্রেম ও পূর্ণিমা – বইটির এক ঝলকঃ
: জি তুমি। আর আমাকেই সে পদটা পাইয়ে দিতে হবে। অবস্থা যখন এই. তখন এলেম হাসিল করা রেখে তুমি বর্তন ঠেলতে কেন গেলে, বাহাও ? আমাকে দোষের ভাগী করবে। সাথে শিরিবানুর সম্পর্ক এই দুই পর্যায়ের কোনটাতেই পড়ে না। সর্বোপরি, আবদুল আজিজের মুখের তেজের সাথে এ ব্যাপারে তাঁর নীলের তেজের কোনদিনই সমন্বয় সাধনা।
শিরিবানু আবদুল আজিজের আত্মীয়া, কিন্তু ঘনিষ্ঠ বা নিকট নয়। আবদু আজিজের ওয়ালেন ঢাকায় নবাব শায়েস্তা খানের এক বেসামরিক বিভাগে উচ্চপদে চাকরী করেন। শিরিবানুর আব্বা গরীব সাইদ বেগ আবদুল আজিজের আব্বার দূর সম্পর্কের ভাই। সম্পর্কটা একটু বেশী রকমের দূরের। অকস্মাৎ এক বিমারে সাইদ বেগ ইন্তেকাল করলে সহায় সম্বল
বেগের স্ত্রী কন্যা চরম দুর্দশায় নিপতিত হয়। ইতিমধ্যে নেমে আসে নিদারুণ এক দুর্ভিক্ষ। সুবাদার মীরজুমলার সুবাদারীর শেষভাগে ভয়াবহ এক দুর্ভিক্ষ বাংলা মুলুকে আঘাত হানে। পেটের দায়ে লোকজন গাছ গাছড়ার পাতা খেতে শুরু করে। একখানা রুটির জন্যে মউতের ঝুঁকি নিতেও কেউ ইতস্ততঃ করে না। আবদুল আজিজের আব্বা ছিলেন একাধারে একজন উচ্চপদস্থ কর্মচারী ও দৌলতমান্দ ব্যক্তি। ঈমানদার ও পরহেজগার আদমী। দুর্ভিক্ষ দেখা দিলে তিনি তাঁর দূরের নিকটের তামাম গরীব-দুঃখী আত্মীয়-স্বজন ও খাতিরের লোকদের নিয়ে এসে নিজের বিশাল মানের এক অংশে ঠাঁই দেন ও সকলের আহার অবস্থানের ব্যবস্থা করেন। সাইল বেগের স্ত্রী কন্যাকেও তিনি ঐ একই সাথে নিয়ে আসেন এবং তাদের অন্ন বস্ত্র ও বাসস্থানের ব্যবস্থা করেন। শিরিবানুর বয়স তখন চার কি পাঁচ বছর।
এরপর একদিন দুর্ভিক্ষ কেটে যায়। আগত ব্যক্তিরা আবার সকলেই নিজ নিজ গৃহবাসে ফিরে যায়। কিন্তু যাওয়ার জায়গা না থাকায় সাইদ বেগের স্ত্রী মদিনা বিবি ও কন্যা শিরিবানু রয়ে যায়। ঠিক রয়ে যায়, তা নয়। আর পাঁচ জনের মতো তারাও আল্লাহ ভরসা করে নিজ এলাকায় ফিরে যেতে উদ্যত হলে, আবদুল আজিজের আব্বাই তাদের ঐ অসহায়ভাবে যেতে দেন না, নিজ মকানেই রেখে দেন।
সেই থেকেই শিরিবানুৱা এই পরিবারে বয়ে গেছে। শিরিবানুর আত্মা মদিনা বিধি একজন অত্যন্ত বিবেক সম্পন্না মহিলা। আত্মীয় হোক, পর হোক, কারো অন্ন বসে বসে খাওয়ার তিনি বিরুদ্ধে। রুচিতে বাধে। তাই এই পরিবারে প্রবেশ করার পর থেকেই তিনি গৃহস্থালীর কাজ-কর্ম নিজের হাতে তুলে নেন এবং চাকর চাকরানী সহকারে এ সংসার প্রকৃতপক্ষে তিনিই পরিচালনা করতে থাকেন। আবদুল আজিজের আমার বোঝা এতে করে একেবারেই হালকা হয়ে যায় এবং এই দুই মা-বেটি আবদুল আজিজের আব্বা-আমার সুনজরে পড়েন। এদের প্রতি তাঁদের দীলে দরদ পয়সা হয় ও সে দরদ ক্রমে ক্রমে গাঢ় হয়। শিরিবানু ও তাঁর আত্মা কালক্রমে এই পরিবারের এক অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়। আবদুল আজিজের মাঝা শিরিবানুকে এলেম শিক্ষা দেয়ার জন্যে স্থানীয় এক মাদ্রাসায় ভর্তি করে দেন। সাথে শিরিবানুর সম্পর্ক এই দুই পর্যায়ের কোনটাতেই পড়ে না। সর্বোপরি, আবদুল আজিজের মুখের তেজের সাথে এ ব্যাপারে তাঁর নীলের তেজের কোনদিনই সমন্বয় সাধনা।
শিরিবানু আবদুল আজিজের আত্মীয়া, কিন্তু ঘনিষ্ঠ বা নিকট নয়। আবদু আজিজের ওয়ালেন ঢাকায় নবাব শায়েস্তা খানের এক বেসামরিক বিভাগে উচ্চপদে চাকরী করেন। শিরিবানুর আব্বা গরীব সাইদ বেগ আবদুল আজিজের আব্বার দূর সম্পর্কের ভাই। সম্পর্কটা একটু বেশী রকমের দূরের। অকস্মাৎ এক বিমারে সাইদ বেগ ইন্তেকাল করলে সহায় সম্বল
বেগের স্ত্রী কন্যা চরম দুর্দশায় নিপতিত হয়। ইতিমধ্যে নেমে আসে নিদারুণ এক দুর্ভিক্ষ। সুবাদার মীরজুমলার সুবাদারীর শেষভাগে ভয়াবহ এক দুর্ভিক্ষ বাংলা মুলুকে আঘাত হানে। পেটের দায়ে লোকজন গাছ গাছড়ার পাতা খেতে শুরু করে। একখানা রুটির জন্যে মউতের ঝুঁকি নিতেও কেউ ইতস্ততঃ করে না। আবদুল আজিজের আব্বা ছিলেন একাধারে একজন উচ্চপদস্থ কর্মচারী ও দৌলতমান্দ ব্যক্তি। ঈমানদার ও পরহেজগার আদমী। দুর্ভিক্ষ দেখা দিলে তিনি তাঁর দূরের নিকটের তামাম গরীব-দুঃখী আত্মীয়-স্বজন ও খাতিরের লোকদের নিয়ে এসে নিজের বিশাল মানের এক অংশে ঠাঁই দেন ও সকলের আহার অবস্থানের ব্যবস্থা করেন। সাইল বেগের স্ত্রী কন্যাকেও তিনি ঐ একই সাথে নিয়ে আসেন এবং তাদের অন্ন বস্ত্র ও বাসস্থানের ব্যবস্থা করেন। শিরিবানুর বয়স তখন চার কি পাঁচ বছর।
এরপর একদিন দুর্ভিক্ষ কেটে যায়। আগত ব্যক্তিরা আবার সকলেই নিজ নিজ গৃহবাসে ফিরে যায়। কিন্তু যাওয়ার জায়গা না থাকায় সাইদ বেগের স্ত্রী মদিনা বিবি ও কন্যা শিরিবানু রয়ে যায়। ঠিক রয়ে যায়, তা নয়। আর পাঁচ জনের মতো তারাও আল্লাহ ভরসা করে নিজ এলাকায় ফিরে যেতে উদ্যত হলে, আবদুল আজিজের আব্বাই তাদের ঐ অসহায়ভাবে যেতে দেন না, নিজ মকানেই রেখে দেন।
সেই থেকেই শিরিবানুৱা এই পরিবারে বয়ে গেছে। শিরিবানুর আত্মা মদিনা বিধি একজন অত্যন্ত বিবেক সম্পন্না মহিলা। আত্মীয় হোক, পর হোক, কারো অন্ন বসে বসে খাওয়ার তিনি বিরুদ্ধে। রুচিতে বাধে। তাই এই পরিবারে প্রবেশ করার পর থেকেই তিনি গৃহস্থালীর কাজ-কর্ম নিজের হাতে তুলে নেন এবং চাকর চাকরানী সহকারে এ সংসার প্রকৃতপক্ষে তিনিই পরিচালনা করতে থাকেন। আবদুল আজিজের আমার বোঝা এতে করে একেবারেই হালকা হয়ে যায় এবং এই দুই মা-বেটি আবদুল আজিজের আব্বা-আমার সুনজরে পড়েন। এদের প্রতি তাঁদের দীলে দরদ পয়সা হয় ও সে দরদ ক্রমে ক্রমে গাঢ় হয়। শিরিবানু ও তাঁর আত্মা কালক্রমে এই পরিবারের এক অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়। আবদুল আজিজের মাঝা শিরিবানুকে এলেম শিক্ষা দেয়ার জন্যে স্থানীয় এক মাদ্রাসায় ভর্তি করে দেন। কয়েক বছর শিরিবানু মাদ্রাসায় এলেম শিক্ষা করে। এরপর তার মধ্যে সাবালিকার আভাস ফুটে উঠলে তার মাদ্রাসায় যাওয়া বন্ধ হয় এবং তার এলেম শিক্ষা স্থগিত থাকে।
এদিকে আবদুল আজিজ উপযুক্ত এলেম শিক্ষা করার পর নবাব শায়েস্ত ধানের সামরিক বিভাগে যোগদান করেন এবং অল্পদিনের মধ্যে ছোটবড় কয়েকটা ধাপ তর তর করে ডিঙ্গিয়ে ফৌজদার পদে উন্নীত হন। পদোন্নতির পর নয়া কর্মস্থল হুগলীতে এসে তিনি কিছুদিন হুগলীর প্রশাসক জিন্দামালিকের বাসভবনে অবস্থান করেন। পরে সরকারী বাসা মঞ্জুৰ হলে ফৌজদার আবদুল আজিজ বেগ এই নয়া সংসার খুলে বসেন। আবদুল আজিজের আব্বা আম সেরেফ চাকর-নফর আর দাসীবাদীর উপর ভরসা করে আবদুল আজিজকে ঢাকা থেকে হুগলীতে পাঠাননি। তার সেবাযত্ন আর ভয়তদবির সুনিশ্চিত করার জন্যে একান্ত বিশ্বস্ত ও গৃহকর্মে পারদর্শিনী মদিনা বিধিকে পুত্রের সাথে দিয়েছেন। শিরিবানুকে স্বাভাবিকভাবেই মায়ের সাথে আসতে হয়েছে। কাজের জন্যে অন্য আরো ঝি-চাকর থাকলেও মদিনা বিবিই আবদুল আজিজের সংসারের প্রধান পরিচারিকা হওয়াক্ত তিনি কাজ নিয়ে আছেন।
শিরিবানুর অবস্থা না ঘরকা, না ঘাটকা। আবদুল আজিজের আত্মীয়া হওয়ায় আর বেশ খানিকটা এলেম হাসিল করায় সে না পারছে পুরোদস্তুর ধানীর কাতারে সামিল হতে, না পারছে উপরের কোন অবস্থানে ঠাঁই করে নিতে। তার এই বেকার অবস্থা দেখে আবদুল আজিজ তার স্থগিত এলেম শিক্ষা আবার চালু করে তার বেকারত্ব ঘুচিয়েছেন এবং গৃহশিক্ষক হিসাবে হুগলীর একজন প্রবীণ ও বিজ্ঞ আলেম সাহেবকে নিয়োগদান করেছেন।
শিরিবানুর আম্মা চান, মেয়ের বয়স হচ্ছে, কাঙ্গাল-গরীব যে ঘরে হয় তাড়াতাড়ি তার শাদি হোক। আবদুল আজিজ চান, এলেম শিক্ষা করে শিরিবানু ভাল পারে পড়ুক। আবদুল আজিজের আম্মা-আব্বা চান, শানিটা তার কিছুদিন আটকে থাকুক এবং আবদুল আজিজের শাদির পর তার শানিটা হোক। শিরিবানু খসমের ঘরে চলে গেলে, তাদের ধারণা, মদিনা বিবি মেয়েকে ছেড়ে থাকতে পারবে না। আবদুল আজিজকে ফেলে সেও মেয়ের কাছে চলে যাবে আর আবদুল আজিজ হুগলীতে অসুবিধায় পড়ে যাবে। এ ছাড়া শিরিবানুর বয়সটা এমন কিছু বেশী হয়নি যে তার শাদিটা প্রভৃতি হতে হবে। বরং আবদুল আজিজের শাদিটা হয়ে গেলে আবদুল আজি
আব্বারাই দেখেশুনে ভাল একটা জায়গায় গিরিবানুর শামির ব্যবস্থা করবেন। আবদুল আজিজের শানির পয়গামও জোরদারভাবে আসতে শুরু করেছে। বর হিসাবে আবদুল আজিজ খুবই আকর্ষণীয়। তিনি এলেমদার। সুপুরুষ ও সবংশীয়। নকরীও তাঁর খানদানী এবং নকরীতে তিনি খুবই প্রতিশ্রুতিশীল। ফলে, অনেক উঁচু তত্কা থেকে তাঁর অনেকগুলো শানির পয়গাম ইতিমধ্যেই এসে গেছে এবং এদের মধ্যে দুই একজন মেয়েকে আবদুল আজিজ বেশ পছন্দও করেছেন বলে জানা গেছে।
সুতরাং আবদুল আজিজের শাদির আর দেরী নেই। তাই, আবদুল আজিজের আব্বা-আম্মা চান, গিরিবানুর শাদিটা মাত্র এই ক’টা দিন অপেক্ষা করে থাকুক।
শিরিবানু কি চায় তা শিরিবানু নিজেও বুঝে না বা বুঝার জন্যে ব্যস্তও সে নয়। পরোয়াও তার তেমন একটা কোন কিছুতেই নেই। তাঁর ধ্যান-ধারণা, জীব দিয়েছেন যিনি, তিনি শুধু আহারই দেবেন না, আর পাঁচটা দিকও দেখার দায়িত্ব তারই। আত্মীয় হলেও আবদুল আজিজের ব্যক্তিত্বের জন্যে শিরিবানু তাকে যতটা ভাই হিসেবে জানে, তার চেয়ে বেশী মুনিব হিসেবে গণ্য করে। তবে একই বাড়ীতে থেকে মানুষ হয়ে উঠার দরুন এবং ছোটকাল থেকে সবসময় চোখের সামনে দেখার দরুন, বাইরে বাইরে অনেকটা ভয়-সংকোচ করলেও, আবদুল আজিজকে নিয়ে শিরিবানুর অন্তরে ভয়-সংকোচের পরিমাণটা খুবই কম। শিরিবানুর গুণ বললে বড়গুণ সে সুন্দরী আর বুদ্ধিমতী। দোষ বলতে বড় দোষ সে কিছুটা চঞ্চল।
নাস্তার পর আবদুল আজিজ এসে এবার দহলীতে বসলেন। আমিন গাজীর তেমন কিছুই করতে হয়নি। মদিনা বিবিই ইতিমধ্যে নাস্তার আনযাম প্রায় তামামই সম্পন্ন করে এনেছিলেন। আবদুল আজিজের খানসামা বা নর আজব আলী সওদা নিয়ে তখনও না ফেরায় সাদামাটা আনযামেই নাস্তার পর্ব শেষ হলো। নাস্তার ওয়াক পেরিয়ে যাওয়ার আগে যে আজব আলী ফিরবে না, এটা সবার জানা। কারণ, তারা জানেন, তাদের আজাব আলী এক আজব চীজ। নামটা তার অর্থবহ। আজব আলী বুঝে কম, মনে রাখে আরো কম, কিন্তু জানার খাহেশ তার অদম্য। কখন কোন কাহিনীর মধ্যে কোথায় যে সে আটকে যাবে, এটা ঠাহর করে সাধ্য কার। অনেক অভিজ্ঞতার ফলেই তার সম্বন্ধে সবার এই ধারণা।
দহলীতে ঢুকেই আবদুল আজিজ খেয়াল করলেন, দহলীজের আঙ্গিনা ঘেরা প্রাচীরটার ওপারে রাস্তার উপর রীতিমতো বহাস চলছে। অর বাকযুদ্ধ। গভীর তত্ত্বালোচনা। কন্ঠস্বর এই নরম এই গরম। তিনি আরো খেয়াল করলেন, রণটা দ্বৈত বা পড়াইয়ারা দুই আলী। এক আলী আলী আর এক আলী
দহলীতে আসার কালেই আবদুল আজিজ রাস্তার দিকে একটা “হায়-হায় আওয়াজের সাথে কিছু এলোমেলো কথাবার্তা শুনেছিলেন। রাস্তার এসব
বইটি ডাউনলোড করে নিন নিচের দেয়া লিঙ্ক থেকে এবং পড়ে নিন সহজেই। লিঙ্কে ক্লিক করে ডাউনলোড করতে না পারলে আমাদের জানিয়ে দিন। ফিক্স করে দেয়া হবে। অথবা নিচে কমেন্ট করুন কেমন লাগলো বইটি!
বই পড়া অনেকের জন্য নেশা, অনেকের জন্য পরম ভালোবাসার একটি বস্তু। এই বইকে আমরা সহজলভ্য এবং সহজে পাওয়ার বস্তু হিসেবে উপস্থাপন করতে চাইছি, তাই আমাদের সাইট আমরা ডিজাইন করেছি ইউজার ফ্রেন্ডলিনেস বজায় রেখে। সাইটের কোনো ধরনের ইস্যু নিয়ে কোনো মতামত থাকলে জানাতে পারেন, এবং বই এর জন্যে রিকুয়েস্ট করতে পারেন উপরে বাটন দেয়া আছে নিচেও লিঙ্ক দেয়া আছে। সর্বোপরি সকলের সহযোগিতা কাম্য সাইট চালাতে হলে, ইনশাআল্লাহ আমরা সকলেই বই পড়ে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারবো!