অন্তরে প্রান্তরে – শফিউদ্দিন সরদার – ফ্রি পিডিএফ ডাউনলোড – Free PDF Download

অন্তরে প্রান্তরে – শফিউদ্দিন সরদার – ফ্রি পিডিএফ ডাউনলোড – Free PDF Download এই বইটি ডাউনলোড করে নিন এখনি। আরো নতুন নতুন বই পেতে ভিজিট করুন আমাদের বই লাইব্রেরি।

মহান আল্লাহ বলেন –

পড়ো! তোমার প্রভুর নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন

আল কুরআন

জগতের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত প্রত্যেক জমানায়, প্রত্যেক সময়ে কিছু মানুষ এমন ছিল যারা অজানাকে জানতে চেয়েছে, বুঝতে চেয়েছে। অনুধাবন করতে চেষ্টা করেছে বিশ্বজগতের গূঢ় রহস্য, অবলোকন করেছে পরম বিস্ময়ের সাথে মহাকাশের লীলাখেলা। এই মানুষগুলোর নিরন্তর প্রচেষ্টার ফলেই আজ আমরা এখানে দাঁড়িয়ে আছি এবং এত সুন্দর কিছু প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারছি, পৃথিবী এগিয়ে যাচ্ছে উন্নয়নের সোপান বেয়ে তরতর করে। এই পথচলার মাঝেই আরেকটি ক্ষুদ্র প্রয়াস আমাদের এই ওয়েবসাইট। এখানে বাংলাভাষায় এবং অন্যান্য সকল ভাষায় পরবর্তীতে সর্বাধিক বইয়ের লাইব্রেরি করার ইচ্ছা আমাদের রয়েছে। বারবার এই সাইট বন্ধ হয়েছে, অন্য নামে আবার এসেছে, আসবে। এইজন্যে আপনাদের সাপোর্ট প্রয়োজন। আপনারা প্রতিনিয়ত সাইটে ভিজিট করে যাবেন এই আশাবাদ ব্যক্ত করছি। আমাদের জানাবেন কোনো সমস্যা থাকলে।

বইটি সম্পর্কেঃ

অনুবাদঃ শফিউদ্দিন সরদার

পৃষ্ঠাসংখ্যাঃ ১৯২

অন্তরে প্রান্তরে – বইটির এক ঝলকঃ

: না হয়ে উপায় কি ? উনার সামনেই কি লড়াই শুরু করে দেবো ?
: তার মানে ? তুমি লড়াই শুরু করার জন্যে তৈয়ার হয়ে আছো ?
ঃ একশোবার আছি। তুমি ভেবেছো কি? এত সাহস হয় তোমার কোত্থেকে ? এতদিন পরে দেখা পেয়ে আমি কোথায় আনন্দে উৎফুল্ল হয়ে উঠলাম, আগ্রহ করে কথা বলতে গেলাম আর আমাকে সেখানে ঐভাবে অপমান করার দুর্মতি তোমার হলো কি করে ? এটা কি মতিভ্রম, না বদমায়েশী ?
মাহমুদ আলী চুপ করে রইলো। সংগে সংগে কোনই জবাব দিলো না। এতে ইসরত জাহান আরো অসহিষ্ণু হয়ে উঠলো। ঝাঁঝালো কণ্ঠে বললো—কি হলো, জবাব দিচ্ছো না কেন ?
মাহমুদ আলী গম্ভীর কণ্ঠে বললো না, কোন মতিভ্রমও নয়, কোন বদমায়েশীও নয়। তোমার নিদারুণ অধঃপতন দেখে নিজেকে সংযত করা সম্ভব হয়নি আমার। : অধঃপতন ।
ঃ মাত্রাহীন অধঃপতন। বরদাশতের বাইরে। তুমি একজন মুসলমান ঘরের মেয়ে। জমিদারের মেয়ে। যুবতী হয়েছো। অন্দরে গোছল করার সব ব্যবস্থা আছে তোমাদের। তথাপি, ব্রঞ্জের গোপিনীর মতো কাঁকে কলসী নিয়ে দূরবর্তী নদীর ঘাটে স্নান করতে আসবে তুমি, ভেজা কাপড়ে এলোচুলে এমন বেআব্রু হয়ে প্রকাশ্য নদী পথে চলাফেরা করবে, এ আমি কল্পনা করতে পারিনে।
ঃ কেন, কল্পনা করতে না পারার এমন কি ব্যাপার। “যেখানে যেমন চলে” বলে একটা কথা আছে। যাদের নিয়ে থাকি আমরা, যাদের সাথে আমাদের হর-হামেশা উঠা-বসা আর বৈষয়িক কায় কারবার, তাদের আচার-আচরণ আর চাল-চলনের সাথে কিছুটা খাপ খাইয়ে চলতে তো আমাদের হবেই।
ঃ তাজ্জব!
ঃ তাজ্জবের কি আছে? খুবই কি দুর্বোধ্য কিছু? আমরা যে জমিদার, তা কাদের বদৌলতে ? ঐসব বড় বড় জমিদারদের অনুকম্পার জন্যে কি নয় ? জমিদারীটাও আবার কাদের জমিদারী ইংরেজ সরকারের নয় কি ? যারা জমিদারী দিলেন আর যাঁদের কথায় দিলেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতাবোধ না থাকলে চলবে কেন আমাদের। সুসম্পর্ক জরুর বজায় রাখতে হবে।
ঃ আচ্ছা। নিজের আদব-আখলাক আর জাতি-ধর্ম বাদ দিয়ে তাই ঐ দিকে পড়িয়েছো ?
ঃ জাতি-ধর্ম ধুয়ে খেলে কি পেট ভরবে আমাদের, না এই শান-শওকত নিয়ে চলা যাবে? জাতি-ধর্ম নিয়ে যারা মাথা কুটে মরছে তাদের তো দেখছি, দিন দিন ফকিরের হাল হচ্ছে। দীনহীন কাঙাল বনে যাচ্ছে।
ঃ বটে ! এ বুঝই শেষ অবধি তুমিও বুঝে আছো ?
: অর্থাৎ
: নিজের অস্তিত্ব বিকিয়ে দিয়ে পরের অনুগ্রহে রাজ ভোগ খাওয়া আর রাজদ্বারে কুকুরের রাজ খানার উচ্ছিষ্ট খাওয়া ঐ একই ব্যাপার। নিজের ইজ্জত, নিজের অস্তিত্ব বজায় রেখে কাঙাল হয়ে থাকাও অনেক বেশী গৌরবের। পরের প্রাসাদের চেয়ে নিজের কুঁড়েঘর অনেক বেশী দামী ।
ঃ এইতো, এইতো তোমাদের সব কিতাবী বুলি। কাব্য-সাহিত্যের যত সব ছেঁদো কথা। ওসব যে বাস্তবে চলে না, এ জ্ঞান তোমাদের কোনদিনই হলো না । : বাস্তবে চলে না ।
ঃ বিলকুল না। একদম না। ওসব ছাড়ো। নিজের ভালাই ভাবতে শেখো।
মাহমুদ আলী বুঝলো, এই সাত বছরে ইসরত জাহানের মাথা মগজে তার বাপের বোধ ও রুচি শিকড় গজিয়ে বসেছে। এর মূল-উৎপাটন অল্পতে সম্ভব নয়। বিতর্ক এড়িয়ে তাই মাহমুদ আলী অন্য কথায় গেল। বললো – আচ্ছা, সে যা হয় বুঝে সুঝে করবো। এবার বলো দেখি, ওদের ভাবেই চলবে যদি, তাহলে অতদূরে পদ্মবীদের নদীঘাটে গেলে কেন ? তোমাদের বাড়ীর কাছেও তো নদীর ঘাট আছে।
: তা আছে। কিন্তু সেদিন যে সারাদিন আমি পল্লবীদের ওখানেই ছিলাম। সেখানে একটা অনুষ্ঠান ছিল দিনমান। সে অনুষ্ঠানে আমাদের বাড়ীর সকলের দাওয়াত ছিল।
:
ও। তাহলে ঐ কলসী-শাড়ী। ওসব কি পল্লবীদের
ঃ পল্লবীদের-পদ্মবীদের। শাড়ী-গামছা পল্লবীর নিজের। বাড়ী থেকে কি বয়ে নিয়ে গেছি আমি ওসব
ঃ পল্লবীদের অন্দর মহলে তাহলে যাতায়াত আছে তোমার ?
ঃ অন্দরে যাতায়াত না থাকলে কি হবে? বাইরেও অনেক ঘর আছে পল্লবীর মামার । তারই একটা ঘর আমাদের জন্যে বরাদ্দ করা ছিল।
কথায় কথায় তারা ইসরত জাহানদের বাড়ীর ফটকে এসে পৌঁছে গেল। সেখানে এসে মাহমুদ আলী দাঁড়িয়ে গেলে ইসরত জাহান এবার অনেকটা প্রফুর কণ্ঠে বললো—দাঁড়ালে কেন ? এসো—
মাহমুদ আলী বললো— কোথায়? তোমাদের অন্দরে ?
: অন্দরে না হোক, ঐ যে ফটকের ওপাশে বসার ঘর আছে, ওখানে একটু বসি । এতক্ষণ তো হাঁটার উপরই আছি। একটু বসে কথা বলি।
মাহমুদ আলী আপত্তি তুলে বললো — ওরে বাপরে। তোমার আব্বার নজরে পড়লে দু’জনকেই কতল করে ফেলবেন।
ঃ আব্বাজান বাড়ীতে নেই। সদরে গেছেন। ফিরে আসতে দু’তিন দিন লাগবে । তাছাড়া, থাকতেনও যদি, তাতেই বা ভয় কিসের ? উনি আমাদের কতল করতে আসবেন কেন ?
: তোমাকে না আসুন, আমাকে তো জরুর কতল করতে আসবেন। কারণ, তোমাদের কাছেও আমরা এখন ভিনজাতি। তোমাদের স্বার্থের বিরুদ্ধে আমরা একটা হুমকি। এমন মানুষকে ভেতরে ডেকে নিলে উনি কি ছেড়ে কথা বলবেন ?
: তা কেন ? ঐ হাজী শরিয়তুল্লাহ সাহেবের দল করতেন তোমার আব্বাজান । তুমি তো ঐ দলের লোক নও। ফরায়েজী অফরায়েজী কলহটা এখন আর প্রায় নেই-ই। হাজী সাহেবদের পুরো নজর এখন জমিদার আর ইংরেজদের উপর। ওদের ঐ জমিদার বিরোধী ইংরেজ বিরোধী সংগ্রামেরও তুমি কোন কেউ নও। তোমার উপর আব্বাজান রুষ্ট হবেন কেন ? নাকি এসেই তুমি ঐ সংগ্রামে শরিক হয়ে গেছো ?
ঃ সে সময় না পেলেও যেতে আর কতক্ষণ ? আমাদের দেশের তামাম লোকের
মুখের গ্রাস ঐ মুষ্টিমেয় কয়েকজন ইংরেজ আর জমিদারেরা কেড়ে খাবে, দেশের সকল লোকের মাথায় তারা জুতা মারবে, আর আমি তা চেয়ে চেয়ে দেখবো ?
ঃ সর্বনাশ! ঐ ব্যারামে তোমাকেও তাহলে ধরেছে? মানে, গ্রাস করে ফেলেছে? ঃ পুরোপুরি করেনি। তবে জ্ঞান-বুদ্ধি কিছুটা যখন হয়েছে, পুরোপুরি করতে আর কতক্ষণ।
ঃ সে যখন করবে তখন না হয় আর এসো না। এখন এসো তো দেখি—
আসবো
ও আসবে না মাে
৪ আশ্চর্য। আমার একটা কথাও কি তোমার রাখার ইচ্ছে হয় না ? আগে তো আমার অনেক কথা রেখেছো?
ইসরত জাহানের কণ্ঠস্বর করুণ হলো। আর দ্বিরুক্তি চলে না। দেখে মাহমুদ আলী তাকে অনুসরণ করে ফটক পেরিয়ে এলো এবং সামনের বসার ঘরে এসে মুখোমুখী বসলো। এতে ইসরত জাহান খুবই খুশী হলো। খোশ কণ্ঠে বললো—কি খাবে বলো ? ঝাল, না ি
বুঝতে না পেরে মাহমুদ আলী বললো – ঝাল না মিষ্টি মানে ?
: ঘটনা কি ঠিক ?
ঃ সেরেস্তাদার চাচা কি মিথ্যা বলার লোক?
ঃ তাহলে অমন তোফা খানা ফেলে এলে কেন ?
রাজী না হওয়ার কারণটা কি ? ভীত হওয়ার ভান করে ইসরত জাহান বললো – ওরে বাবা ! আমার কি জানের ডর নেই? সামান্য ঐ বেআব্রুভাবে গোছল করে আসা দেখেই অনেকের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙ্গে যায়, তাতে আবার হারাম-হালাল মেশানো ঐ খেষ্টানী খানা খেলে আর রক্ষে আছে ? দিগ্বিদিক জ্ঞান হারিয়ে মাথায় হয়তো লাঠি মেরেই বসবে।
: বটে !
ঃ লাঠি একান্তই না মারলেও, অদ্ভুৎ-অস্পৃশ্য বোধে দশ হাত দূর দিয়ে হাঁটবে। দেখা সাক্ষাত কথাবার্তার আর কোন রাহাই খোলা থাকবে না ।
ঃ তা থাকবে না কেন? পদ্মবীদের বাড়ীতে খানা খেয়ে আসার পরও যারা অস্পৃশ্য বোধ করে না, দূর দিয়ে হাঁটে না, বরং কাছে এসে বসে, খেষ্টানী খানা খেলে আর তা বোধ করবে কেন ? পল্লবীদেরও তো সব খানা আমাদের জন্যে হালাল খানা নয় ?
ঃ তা না হোক। আমাদের জন্যে যে পৃথক ব্যবস্থা ছিল ।
: তাই নাকি ? তাহলে এটা একটা ভাল কাজ তাঁরা করেছেন —- আমি তা অকপটে বলবো।
:
বেশ। এখন ওসব বলাবলি রাখো। আমি যা বলি, তাই শুনো।
: আচ্ছা বলো ?
ঃ লেখাপড়া কি শেষ করে এসেছো?
: শেষ ! লেখাপড়ার কি শেষ আছে? যতই লেখাপড়া করবে জ্ঞানের পরিধি ততই বাড়বে।
ঃ তা বাড়ুক। তুমি এখন কি করবে স্থির করেছো? আনের পরিধি আরো বৃদ্ধি করতে যাবে, না স্থির হয়ে বসে আয় উপায়ে মনোনিবেশ করবে ?
ঃ আয় উপায়ে মনোনিবেশ এখনই কি করবো ? আরো খানিক এলেম হাসিল না করলে আয় উপায়ের পথ আমার খোলাসা হবে কি করে? অনভ্যস্ত হাতে লাগল চেপে ধরলে তো আমার দ্বারা উন্নতি কিছু হবে না ?
: লাঙ্গল চেপে ধরবে কেন? বিদ্বানের যা পেশা, তাই করবে তুমি। নকরী করবে! ঃ দিচ্ছে কে ? আরো কিছু এলেম হাসিল করার আগে এখনই নকরী আমাকে দিচ্ছে কে ?
: নকরীর জন্যে ভাবনা কি ? তুমি স্বীকার না করলেও আমরা তো জানি, অনেক এলেম হাসিল করেছো তুমি। তুমি রাজী থাকলে যে কেউ তোমাকে লুফে নেবে।
: সেই যে কেউটা কে ?
ঃ আমরা তোমাকে লুফে নেবো। আমাদের সেরেস্তায় একজন এলেমদার লোক এখন খুবই প্রয়োজন । ইংরেজ আর অন্যান্য জমিদারদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করার কাজে একজন ভাল এলেমদার লোক হয়রাণ হয়ে খুঁজে বেড়াচ্ছেন আব্বাজান। তুমি রাজী আছো শুনলে তিনি তোমাকে লুফে নেবেন।
ঃ এবং তোমাদের সেরেস্তায় নকরী দেবেন ?
ও দেবেনই তো।
: এরপর ইংরেজ আর জমিদারদের সাথে যোগাযোগ করতে পাঠাবেন?
ঃ হ্যাঁ হ্যাঁ, তাই পাঠাবেন। এ জন্যেই তো এলেমদার লোক দরকার। এলেমদার লোক বলতে এখন একমাত্র সেরেস্তাদার নূরুল আলম চাচা মিয়া। একা তিনি সেরেস্তা সামলাতেই নাজেহাল । নজর একটু সরালেই হাতটান নায়েব-গোমস্তাদের পোয়াবারো। তাই বাইরে যাওয়ার সময় তাঁর হয় না। বড় বড় জমিদার আর ইংরেজদের সাথে দেন- দরবার করার জন্যে আব্বাজানকেই ছুটতে হয়। জমিদারীর সমস্যাদি নিয়ে তাঁদের সাথে আলাপ-আলোচনা করতে হয়। তাঁদের ইচ্ছে-আদেশ জেনে আসতে হয় ।
ঃ আমাকে সেই ইচ্ছে আদেশ জেনে আসতে হবে।
ঃ হ্যাঁ। এ কাজটাই করতে হবে তোমাকে। বলতে পারো, বেড়িয়ে বেড়ানো কাজ। খুব সহজ কাজ আর ইজ্জতের কাজ। যে কাজ আব্বা নিজে করেন, সেই কাজ। সেরেস্তায় বসে তোমাকে সাধারণ কেরাণীর মতো দিনরাত কলম পিযতে হবে না।
ঃ আচ্ছা। তা তোমাদের সেই বড় বড় জমিদার বাবুরা আর ইংরেজ রাজা বাবুরা আমি এসেছি শুনলেই কি আমার ইজ্জত রক্ষা করার জন্যে তৎক্ষণাৎ ছুটে আসবেন । দর্শনপ্রার্থী হয়ে আমাকে গ্রহরের পর প্রহর ধরে অপেক্ষা করতে হবে না ?
ঃ তাতো একটু হবেই। ভঁরা কত বড় লোক !
ঃ দেখামাত্রই ওদের সালাম ঠুকতে হবে না।
ঃ তা নাহলে চলবে কেন? এঁরা কেউ দেশের মালিক, কেউ আমাদের চেয়ে দশ গুণে বড় এক একটা জমিদার। ওঁদের ইজ্জত দিতে হবেই তো। তবে, তুমি তো নিজের ইচ্ছেয় সালাম ঠুকতে যাচ্ছো না, জমিদারীর স্বার্থরক্ষার খাতিরেই ঠুকছো।
ঃ ওরা যদি আমাকে কিছুমাত্র ইজ্জত নাও দেয়, ওদের তবু ইজ্জত দিতে হবে— ব্যাপারটা এই তো
: হ্যাঁ। জমিদারী ঠিক রাখার খাতিরে ওটুকু হজম করতে হয়ই। জমিদারী কি যার তার নসীবে জোটে ? জমিদারী দুর্লভ জিনিস।
ঃ ঐ দুর্লভ জিনিস ঠিক রাখার খাতিরে ওরা যদি কেউ ‘ব্লাডী-নিগার’ আর কেউ ‘ম্লেচ্ছ যবন’ বলে গালি-গালাজও করে এবং জুতো তুলে নাচায়, তবু আমাকে “হুজুর- হুজুর” করতে হবে আর দাঁত বের করে হাসতে হবে।
ঃ আহ্হা ? জমিদারীর খাতিরে না হলেও, নকরী রক্ষার খাতিরেও অনেক সময় এ রকম অনেক কিছুই করতে হয়। এতসব ভাবতে গেলে তো নকরী করতে পারবে না !
ঃ অমন নকরী করার আগে গলায় দেয়ার দড়িটাও কি জুটবে না আমার ? * মাহমুদ !

বইটি ডাউনলোড করে নিন নিচের দেয়া লিঙ্ক থেকে এবং পড়ে নিন সহজেই। লিঙ্কে ক্লিক করে ডাউনলোড করতে না পারলে আমাদের জানিয়ে দিন। ফিক্স করে দেয়া হবে। অথবা নিচে কমেন্ট করুন কেমন লাগলো বইটি!

বই পড়া অনেকের জন্য নেশা, অনেকের জন্য পরম ভালোবাসার একটি বস্তু। এই বইকে আমরা সহজলভ্য এবং সহজে পাওয়ার বস্তু হিসেবে উপস্থাপন করতে চাইছি, তাই আমাদের সাইট আমরা ডিজাইন করেছি ইউজার ফ্রেন্ডলিনেস বজায় রেখে। সাইটের কোনো ধরনের ইস্যু নিয়ে কোনো মতামত থাকলে জানাতে পারেন, এবং বই এর জন্যে রিকুয়েস্ট করতে পারেন উপরে বাটন দেয়া আছে নিচেও লিঙ্ক দেয়া আছে। সর্বোপরি সকলের সহযোগিতা কাম্য সাইট চালাতে হলে, ইনশাআল্লাহ আমরা সকলেই বই পড়ে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারবো!

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top