খুন রাঙা পথ – নসীম হেজাযী – ফ্রি পিডিএফ ডাউনলোড – Free PDF Download

খুন রাঙা পথ – নসীম হেজাযী – ফ্রি পিডিএফ ডাউনলোড – Free PDF Download এই বইটি ডাউনলোড করে নিন এখনি। আরো নতুন নতুন বই পেতে ভিজিট করুন আমাদের বই লাইব্রেরি।

মহান আল্লাহ বলেন –

পড়ো! তোমার প্রভুর নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন

আল কুরআন

জগতের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত প্রত্যেক জমানায়, প্রত্যেক সময়ে কিছু মানুষ এমন ছিল যারা অজানাকে জানতে চেয়েছে, বুঝতে চেয়েছে। অনুধাবন করতে চেষ্টা করেছে বিশ্বজগতের গূঢ় রহস্য, অবলোকন করেছে পরম বিস্ময়ের সাথে মহাকাশের লীলাখেলা। এই মানুষগুলোর নিরন্তর প্রচেষ্টার ফলেই আজ আমরা এখানে দাঁড়িয়ে আছি এবং এত সুন্দর কিছু প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারছি, পৃথিবী এগিয়ে যাচ্ছে উন্নয়নের সোপান বেয়ে তরতর করে। এই পথচলার মাঝেই আরেকটি ক্ষুদ্র প্রয়াস আমাদের এই ওয়েবসাইট। এখানে বাংলাভাষায় এবং অন্যান্য সকল ভাষায় পরবর্তীতে সর্বাধিক বইয়ের লাইব্রেরি করার ইচ্ছা আমাদের রয়েছে। বারবার এই সাইট বন্ধ হয়েছে, অন্য নামে আবার এসেছে, আসবে। এইজন্যে আপনাদের সাপোর্ট প্রয়োজন। আপনারা প্রতিনিয়ত সাইটে ভিজিট করে যাবেন এই আশাবাদ ব্যক্ত করছি। আমাদের জানাবেন কোনো সমস্যা থাকলে।

বইটি সম্পর্কেঃ

অনুবাদঃ আব্দুল মান্নান

পৃষ্ঠাসংখ্যাঃ ৪৫০

খুন রাঙা পথ – বইটির এক ঝলকঃ

মোয়াযযম আলীর দীলের মধ্যে বেড়ে চললো নিঃসঙ্গতা ও একাকিত্বের অনুভূতি । ঘরের বাইরে মুর্শিদাবাদের পথঘাট তার কাছে বৈচিত্র্যহীন আকর্ষণহীন। কখনো কখনো তিনি হোসেন বেগের কাছে যান। হোসেন বেগ তাঁকে দেখান অন্তহীন বাৎসল্য। তার সাথে আফযলের আচরণও নেহায়েৎ বন্ধুত্বপূর্ণ। কিন্তু প্রত্যেক মোলাকাতের পর মোয়াযযম আলী ফিরে আসেন এক গুরুতর বোঝার অনুভূতি নিয়ে। পাঁচদিন পর ইউসুফ আলী এসে দুদিন বাড়িতে থেকে ফিরে গেলেন কর্মস্থলে।
কয়েদখানা থেকে ফেরার হবার পর মোয়াযযম আলী আকবর খানের কাছে ওয়াদা করেছিলেন, মুর্শিদাবাদ পৌঁছেই তাকে রোহিলাখন্ড পাঠাবার ব্যবস্থা করে দেবেন। আকবর খান তার বাড়িতে দশ দিন থাকার পর যখন তার জন্মভূমির মাটিতে পৌঁছবার আকাঙ্ক্ষা জানালো, তিনি বললেন : আকবর খান! পেরেশান হয়ো না। তোমার সাথে আমি নিজেই যাবার ফয়সালা করে ফেলেছি।’
আকবর খানের চোখ দুটি খুশির দীপ্তিতে জ্বলে উঠলো। সে বললো : আপনি আমার সাথে গেলে আরো কয়েক হফতা এখানে থাকতে পারি।’
চতুর্থ দিন ভোরে মোয়াযযম আলী আকবর খানের সাথে রওয়ানা হলেন। কয়েকদিন সফরের পর তারা অযোধ্যার সীমানা থেকে দশ মাইল দূরে রোহিলাখন্ডের রাখাল ও কিষানদের কতকগুলো বস্তি পার হয়ে এক টিলার উপর ঘোড়া থামিয়ে সামনে দেখতে পেলেন এক শস্যশ্যামল সবুজ উপত্যকাভূমি । আকবর খান একদিকে হাতে ইশারা করে বলে উঠলো : ওই আমার গাঁ।
এরপর তারা টিলা থেকে নেমে খানিকক্ষণ ঘন বনের পথ অতিক্রম করে পৌঁছলেন বায়ু ভরে দোলায়মান সবুজ গমের ক্ষেতে। আকবর খান বললো ঃ এই আমাদের জমিন।’
অল্পসময়ের মধ্যে তারা গাঁয়ের ভিতরে প্রবেশ করলো। দেখতে দেখতে গায়ের নিস্তব্ধ পথঘাট আকবর খানের আগমন সংবাদ গুঞ্জরিত হয়ে উঠলো। বাচ্চা-বুড়ো-জোয়ান সবাই তাকে ঘিরে ধরলো। তারা ঘোড়া থেকে নামলেন। গাঁয়ের প্রত্যেকটি লোক আকবর খানকে দেখতে তার কাছে যেতে ও তার সাথে কথা বলতে বেকারার হয়ে ছুটে এলো। কিছুক্ষণ পর জনতা এসে থামলো এক কেল্লার মতো বড়ো বাড়ির সামনে। আকবর খান মোয়াযযম আলীকে বললো ঃ ভাইজান, এই আমাদের বাড়ি।’
এক সুদর্শন নওজোয়ান দরজার পথে বেরিয়ে এলেন এবং ভিড় ঠেলে আগে এসে আকবর খানকে টেনে নিলেন বুকের মধ্যে। লোকটি আকবর খানের বড়ো ভাই আতহার খান।
কয়েকদিন পর। মোয়াযযম আলী সে এলাকার বাচ্চা-বুড়ো কারুরই কাছে অপরিচিত নন । সবাই তাকে মনে করে উপকারী বন্ধু। বাপের মৃত্যুর পর আতহার খান হয়েছেন তাদের গোষ্ঠীর সরদার । তিনি হয়েছেন মোয়াযযম আলীর অকৃত্রিম বন্ধু ।
এই গাঁয়ে ও আশেপাশের আরো দশটি বস্তিতে উপজাতীয় আফগানদের এক গোষ্ঠীর লোকের বাস। তারা সবাই আকবর খানদের খান্দানের সরদারী মেনে চলে । রোহিলাখণ্ডের অপর আফগানদের মতো তারা ভালো চাষী ও পশুপালক ছাড়াও ছিলো সিপাহীসুলভ শ্রেষ্ঠ গুণের অধিকারী। বাইরের হামলাদারদের বিশেষ করে মারাঠাদের লুটতরাজ থেকে বাঁচবার জন্য প্রত্যেকটি রোহিলা নওজোয়ান নিশানাবাজি, তেগচালনা ও শাহসওয়ারী বিদ্যায় পূর্ণতা হাসিল করা ফরজ মনে করতো। হিন্দুস্তানের বাকি এলাকাকে যখন রাজনৈতিক দাবারু ও লোভী- ভাগ্যান্বেষীরা দুর্ভাগ্য ও দুঃখ-দারিদ্র্যের জাহান্নামের দিকে ঠেলে দিচ্ছিলো, তখনো এরা নিজস্ব মেহনত ও প্রচেষ্টা দ্বারা গড়ে তুলছিলো স্বাচ্ছন্দ্য ও সুখময় জীবনযাত্রার এক নতুন দুনিয়া। বড়ো বড়ো সুবায় যখন আরামপ্রিয় শাসকরা তাদের প্রজাসাধারণকে মারাঠা ও লুঠতরাজের কবল থেকে বাঁচাতে পারছেন না, তখনো এরা নিজস্ব আজাদি হেফাজত করবার জন্য ঐক্যবদ্ধ ও সংহত হয়ে থাকতো।
মোয়াযযম আলী খুব বেশি হলে এক হফতা সেখানে থাকবার নিয়ত করে এসেছেন। কিন্তু দেখতে দেখতে তার কেটে গেলো তিনটি মাস। গোড়ার দিকে তিনি আতহার খান ও আকবর খানের সাথে সিংহ শিকারে বেরুতেন, কিন্তু শিকার যখন আর ভালো লাগে না, তখন শুরু করলেন গাঁয়ের লোকদের সাথে তীরন্দাজি, নেজাহবাজি ও তেগচালানার প্রতিযোগিতায় শরীক হতে।
তিনমাস পর যখন তিনি আতহার খান ও আকবর খানকে খোদা হাফিজ বলছিলেন, তখন তার মনে হচ্ছিলো যেনো প্রিয়তম বন্ধু ও সাথীদের কাছ থেকে তিনি জুদা হয়ে যাচ্ছেন। আতহার, আকবর ও এলাকার আরো কতক লোক তাকে এগিয়ে দিতে এলেন অযোধ্যার সীমান্ত পর্যন্ত। আকবর খানের সাথে মোসাফেহা করতে গেলে অশ্রুসজল চোখে সে বললো : ভাইজান, আবার কবে আসবেন?’
ঃ তা আমি জানি না, ভাই। হয়তো আমি চিরদিনের জন্য তোমাদের মাঝে এসে যাবো, এও হতে পারে যে, আজকের দিনের পর এ জিন্দেগিতে আমাদের আর দেখা হবে না।’
আকবর খানের কাছ থেকে রোখসত হয়ে মোয়াযযম আলী গেলেন আগ্রা ও দিল্লির পথে। দিল্লি থেকে ফিরে তিনি কিছুকাল থাকলেন লাখনৌয়ে। অবশেষে মুসলমানদের সমসাময়িক দুঃখ-দুর্দশার মর্মান্তিক কাহিনী নিয়ে ফিরে এলেন জন্মভূমির কোলে ।
স্বগৃহে মোয়াযযম আলীর নসীবে শাস্তি জুটলো না। কিছুকাল তিনি তার কর্মহীন সময় কাটিয়েছেন বই পড়ে। কিন্তু কয়েক হফতা পর বইপত্রে আর তার মন বসলো না। একদিন তার ভাই ইউসুফ ছুটি নিয়ে ঘরে ফিরলেন এবং এক হফতা থেকে চলে গেলেন। মোয়াযযম আলীর ছুটির মেয়াদ ফুরিয়ে এলে তিনি কয়েকবার ইস্তফা লিখবার ইরাদা করলেন, কিন্তু কাগজ-কলম নিয়ে বসলেই যেনো তার ফয়সালার শক্তি লোপ পেয়ে যায়।
একদিন তিনি খবর পেলেন, সিরাজুদ্দৌলা মুর্শিদাবাদে এসেছেন। তিনি তার খেদমতে হাজির হলেন। তাকে দেখেই সিরাজুদ্দৌলা প্রশ্ন করলেন ঃ বলুন, এখন আপনার ইরাদা কি?’
মোয়াযযম আলী জওয়াব দিলেন : কয়েকদিন ধরে আমি হুগলী পৌঁছবার ইরাদা করছিলাম।’
সিরাজুদ্দৌলা বললেন : কয়েকদিন ধরে আমি ভাবছি, হুগলীর কেল্লার অধিনায়ত্ব আমি আপনারই হাতে সমর্পণ করবো। এক হফতার মধ্যে আমি ফিরে যাচ্ছি। আপনি তৈরি থাকুন।
মোয়াযযম আলী জওয়াব দিলেন : হুগলীর কেল্লার জন্য যদি আপনি আমার প্রয়োজন অনুভব করেন, তাহলে আমার ইচ্ছা, এক হফতা ইন্তেজার না করে কালই আমি এখান থেকে রওয়ানা হয়ে যাবো।’
ঃ বহুত আচ্ছা, সন্ধ্যা পর্যন্ত আপনার কাছে আমার হুকুমনামা পৌঁছে যাবে। পরদিন ভোরেই মোয়াযযম আলী রওয়ানা হয়ে গেলেন হুগলীর পথে। আরো কয়েকদিন পরেই হুগলী কেল্লার আরামপ্রিয় সিপাহী ও অফিসাররা পরস্পরের কাছে অভিযোগ করতে লাগলো যে, নয়া কমাণ্ডার তাদেরকে এক লহমার জন্যও স্থির হয়ে বসতে দেন না ।
এক বছর পর মোয়াযযম আলী কয়েক দিন ছুটি নিয়ে ফিরে এসেছেন গৃহে। তিনি জানতে পেলেন যে, পরের হফতায় ফরহাতের শাদী হবার কথা। তার বাপ-মা ও মীর্যা হোসেন বেগের ইচ্ছা, শাদীর তারিখ পর্যন্ত তিনি ফিরে না যান । তাই তিনি সিরাজুদ্দৌলার কাছে লিখলেন তিন হফতার ছুটি ও মুর্শিদাবাদে থাকার এজাযত চেয়ে কিন্তু চিঠির জওয়াব আসার আগেই উড়িষ্যায় এক নতুন গোলযোগের খবর এলো। মারাঠাদের সাথে সন্ধি করতে গিয়ে আলীবর্দী খান মীর হাবীবকে নিযুক্ত করেছিলেন কটকের ফউজদার। মারাঠারা হামলা করে তাকে হত্যা করেছে এবং উড়িষ্যার বেশিরভাগ জেলা তাদের সেনাবাহিনী দখল করে বসেছে।
মোয়াযযম আলী তার বাপের মুখে শুনলেন, আলীবর্দী খান মুর্শিদাবাদের ফউজকে অভিযান প্রস্তুতির হুকুম দিয়েছেন এবং ঢাকা ও হুগলীর দুই ফউজদারের কাছে ফরমান পাঠিয়েছেন অবিলম্বে তাদের ফউজ উড়িষ্যা ফ্রন্টে পৌঁছবার জন্য । মোয়াযযম আলী বিন্দুমাত্র বিলম্ব না করে চলে গেলেন হুগলীর পথে ।
দু হফতা পর। হুগলী ও মুর্শিদাবাদের সেনাবাহিনী কটক থেকে কয়েক মনজিল দূরে তাঁবু গেড়েছে। ঢাকা থেকে মীর মদনের লোক লশকরের জন্য ইন্তেজার করছে তারা। মুর্শিদাবাদের ফউজের সাথে এসেছেন মাহমুদ আলী ও আফযল বেগ। পাচদিন পরে পৌঁছলেন মীর মদন পাঁচ হাজার সওয়ার নিয়ে I মীর মদনের ফউজ সেনাঘাঁটিতে প্রবেশ করলে বড়ো বড়ো ফউজী অফিসার তার অভ্যর্থনার জন্য দাঁড়ালেন। মীর মদন ঘোড়া থেকে নামতেই অনেকে তার সাথে মোসাফেহা করলেন। মোয়াযযম আলীর পালা এলে তিনি বললেন : মোয়াযযম আলী, তোমায় দেখেই আমার সকল ক্লান্তি দূর হয়ে গেছে। আমি সিরাজুদ্দৌলার সাথে মোলাকাতের পর তোমার সাথে স্থির হয়ে আলাপ করবো।’
মীর মদনকে এক অফিসার পথ দেখিয়ে নিয়ে গেলেন সিরাজুদ্দৌলার খিমায় । আফযল ছিলেন কয়েক কদম দূরে দাঁড়িয়ে। তিনি মোয়াযযম আলীকে আওয়াজ দিলেন : মোয়াযযম আলী! তোমার ভাইজানও এসে গেছেন।’
ঃ তিনি কোথায়?’ মোয়াযযম আলী এগিয়ে গিয়ে প্রশ্ন করলেন ।
ঃ ওই দেখো।’ আফযল একদিকে ইশারা করে বললেন।
ইউসুফ আলী প্রায় ত্রিশ কদম দূরে লশকরদের মাঝখানে দাঁড়িয়েছিলেন। মোয়াযযম আলী ও আফযল দ্রুতপায়ে এগিয়ে গেলেন। ইউসুফ আলী একে একে তাদের সাথে মোসাফেহা করলেন। আচানক মোয়াযযম আলীর পিছে আর একটি নওজোয়ানের দিকে আফযলের নজর পড়লো। তিনি নিজের ঘোড়ার লাগাম ধরে দাঁড়িয়ে আছেন ।
আফযল এগিয়ে গিয়ে তার সাথে হাত মিলিয়ে প্রশ্ন করলেন : আপনি কি করে এলেন এখানে?’
: আমি ঢাকার ফউজের সাথে এসেছি।’ নওজোয়ান জওয়াব দিলেন। আফযল বললেন, আপনি যে ফউজে শামিল হয়েছেন, তাতো জানি না ?
নওজোয়ান অস্বস্তির সাথে জওয়াব দিলেন : এতে হয়রানির কি আছে? আমি দুশো রেজাকারও সাথে নিয়ে এসেছি।’
মোয়াযযম আলী চাপা আওয়াজে প্রশ্ন করলেন : ভাইজান, ইনি কে?’
: ইনি শওকত বেগ। আফযলের বোনের সাথ এর শাদীর কথা হয়েছে। আফযল বেগ মোয়াযযম আলীর দিকে শওকৎ বেগের মনোযোগ আকর্ষণ করে বললেন : ইনি মোয়াযযম আলী ইউসুফ আলীর ছোট ভাই।’
শওকত বেগ এগিয়ে এসে মোয়াযযম আলীর সাথে মোসাফেহা করে বললেন : আমার নাম শওকৎ বেগ। আপনার সাথে দেখা হওয়ায় আমি খুশি হয়েছি। আপনার সম্পর্কে আমি আগেও শুনেছি অনেক কিছু ।
শওকৎ বেগ উজ্জ্বল রঙের সুগঠিত দেহ নওজোয়ান এবং তার চেহারা দেখে বয়স পঁচিশ বছরের কাছাকাছি মনে হয়।
খানিকক্ষণ পর মোয়াযযম আলী, মাহমুদ আলী, ইউসুফ, আফযল ও শওকত্ বেগ এক খিমায় বসে মন খুলে আলাপ করছেন। তখনো মোয়াযযম আলী শুধু এইটুকুই জানেন যে, শওকৎ বেগ ঢাকার এক অতি বড়ো জমিদারের ছেলে এবং মীর মদনের ফউজের সাথে তার আগমন তার কাছে এক অপ্রত্যাশিত ব্যাপার । কিন্তু ইউসুফ আলীর কাছ থেকে তিনি জানলেন যে, নিজস্ব ব্যক্তিগত ফউজের দুশো সিপাহী নিয়ে রেজাকার হিসাবে তিনি এসেছেন মীর মদনের সাথে। মোয়াযযম আলীর কাছে তার এ উদ্যম ছিলো প্রশংসনীয়। শওকৎ বেগকে লক্ষ্য করে তিনি বললেন ঃ মীর্যা সাহেব, আপনি বাংলায় উমরাহর কাছে এক সুন্দর নজির পেশ করলেন। নইলে বর্তমান অবস্থা এমন হয়ে পড়েছে যে, বড়ো বড়ো লোকের মধ্যে এখনো কোনো সমষ্টিগত বিপদের অনুভূতি পর্যন্ত অবশিষ্ট নেই।’
শওকৎ বেগ জওয়াবে বললেন : সমষ্টিগত বিপদের কোনো বিশেষ অনুভূতি আমারও ছিলো না। আমি কেবল আপনাদের পথ অনুসরণ করছি। আমি শুনেছি মুর্শিদাবাদের উপর হামলা হলে আপনি মহল্লার কিছুসংখ্যক রেজাকার নিয়ে মারাঠাদের সুসংহত ফউজকে বিধ্বস্ত করে দিয়েছিলেন। তাই আমারও দীলে

বইটি ডাউনলোড করে নিন নিচের দেয়া লিঙ্ক থেকে এবং পড়ে নিন সহজেই। লিঙ্কে ক্লিক করে ডাউনলোড করতে না পারলে আমাদের জানিয়ে দিন। ফিক্স করে দেয়া হবে। অথবা নিচে কমেন্ট করুন কেমন লাগলো বইটি!

বই পড়া অনেকের জন্য নেশা, অনেকের জন্য পরম ভালোবাসার একটি বস্তু। এই বইকে আমরা সহজলভ্য এবং সহজে পাওয়ার বস্তু হিসেবে উপস্থাপন করতে চাইছি, তাই আমাদের সাইট আমরা ডিজাইন করেছি ইউজার ফ্রেন্ডলিনেস বজায় রেখে। সাইটের কোনো ধরনের ইস্যু নিয়ে কোনো মতামত থাকলে জানাতে পারেন, এবং বই এর জন্যে রিকুয়েস্ট করতে পারেন উপরে বাটন দেয়া আছে নিচেও লিঙ্ক দেয়া আছে। সর্বোপরি সকলের সহযোগিতা কাম্য সাইট চালাতে হলে, ইনশাআল্লাহ আমরা সকলেই বই পড়ে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারবো!

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top