ইতিহাসের কান্না – খাজা হাসান নিজামী – ফ্রি পিডিএফ ডাউনলোড – Free PDF Download

ইতিহাসের কান্না – খাজা হাসান নিজামী – ফ্রি পিডিএফ ডাউনলোড – Free PDF Download এই বইটি ডাউনলোড করে নিন এখনি। আরো নতুন নতুন বই পেতে ভিজিট করুন আমাদের বই লাইব্রেরি।

মহান আল্লাহ বলেন –

পড়ো! তোমার প্রভুর নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন

আল কুরআন

জগতের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত প্রত্যেক জমানায়, প্রত্যেক সময়ে কিছু মানুষ এমন ছিল যারা অজানাকে জানতে চেয়েছে, বুঝতে চেয়েছে। অনুধাবন করতে চেষ্টা করেছে বিশ্বজগতের গূঢ় রহস্য, অবলোকন করেছে পরম বিস্ময়ের সাথে মহাকাশের লীলাখেলা। এই মানুষগুলোর নিরন্তর প্রচেষ্টার ফলেই আজ আমরা এখানে দাঁড়িয়ে আছি এবং এত সুন্দর কিছু প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারছি, পৃথিবী এগিয়ে যাচ্ছে উন্নয়নের সোপান বেয়ে তরতর করে। এই পথচলার মাঝেই আরেকটি ক্ষুদ্র প্রয়াস আমাদের এই ওয়েবসাইট। এখানে বাংলাভাষায় এবং অন্যান্য সকল ভাষায় পরবর্তীতে সর্বাধিক বইয়ের লাইব্রেরি করার ইচ্ছা আমাদের রয়েছে। বারবার এই সাইট বন্ধ হয়েছে, অন্য নামে আবার এসেছে, আসবে। এইজন্যে আপনাদের সাপোর্ট প্রয়োজন। আপনারা প্রতিনিয়ত সাইটে ভিজিট করে যাবেন এই আশাবাদ ব্যক্ত করছি। আমাদের জানাবেন কোনো সমস্যা থাকলে।

বইটি সম্পর্কেঃ

অনুবাদঃ খাজা হাসান নিজামী

পৃষ্ঠাসংখ্যাঃ ৪৯

ইতিহাসের কান্না – বইটির এক ঝলকঃ

স্বামীর মুখের দিকে তাকাচ্ছিলাম আর মনে মনে বলছিলাম, আল্লাহ আমরা যাই কোথায়। কোনো ভরসাই কোথাও দেখা যাচ্ছে না। ভাগ্য এমনই পাল্টাল যে শাহী মহল থেকে ফকিরীতে নেমে এলাম। কিন্তু ফকিররা তো শাস্তি ও স্বস্তিতে থাকে। আমাদের ভাগ্যে তাও নেই।
সৈন্যরা যুদ্ধ করতে করতে অনেক দূর চলে গিয়েছিল। বস্তি গিয়ে নদী থেকে পানি আনে। আমরা পানি খেলাম ও নবাব নূরমহলের মুখের ওপর পানির ছিট দেয়া হলো। নূরমহল কাঁদতে শুরু করেন। বলেন, এখুনি স্বপ্নে তোমার বাবা জিল্লে সোবহানীকে দেখলাম। তিনি শেকলে বাঁধা দাঁড়িয়ে আছেন আর বলছেন :
‘আজ আমাদের মতো গরিবের জন্য কাঁটায় ভরা ধুলোয় বিছানা মখমলের ফরশ থেকে ঢের ভালো। নূরমহল, ব্যাকুল হোয়ো না। সাহসে বুক বেঁধে কাজ করো। নসীবের লিখন, বার্ধক্যে এইসব কঠোরতা সহ্য করো। আমার কুলসুমকে একটু দেখিয়ে দাও। জেলখানায় যাওয়ার আগে তাকে একবার দেখতে চাই।’
বাদশাহর এই সব কথা শুনে আমার মুখ থেকে ‘হায়’ বেরিয়ে এল আর ঘুম ভেঙে গেল। কুলসুম, সত্যি কি বাদশাহকে শেকলে বেঁধেছে? সত্যিই কি ওরা তাঁকে কয়েদীদের মতো জেলে পাঠিয়ে দিয়েছে? মির্জা উমর সুলতান জবাব দিলেন, ‘এ তোমার নিছক খেয়াল। বাদশাহরা বাদশাহদের সঙ্গে এরকম খারাপ ব্যবহার করে না। তুমি ভয় পেয়ো না। তিনি বহাল তবিয়তেই আছেন।’ বাদশাহর বেয়াইন হাফিজ সুলতান বললেন, ‘এই মড়া ফিরিঙ্গিরা বাদশাহর মূল্য কী ছাই বুঝবে? তারা নিজেরাই তাদের সুলতানের মাথা কেটে ষোলো আনায় বিক্রি করে (রৌপ্যমুদ্রার প্রতি ইশারা, যাতে রাজার মাথার ছাপ থাকে- হাসান নিমাজী।) নূরমহল ফুফু, তুমি তো তাঁকে শেকল পরা অবস্থায় দেখেছ। আমি বলি, এই বেনে ফেরিঅলারা এর চেয়েও বেশি খারাপ ব্যবহার করতে পারে। কিন্তু আমার স্বামী মির্জা জিয়াউদ্দীন আশ্বাসের কথা বলে সবাইকে শান্ত করেন। এরই মধ্যে বস্তি নৌকোর ওপর গাড়ি চাপিয়ে এপারে নিয়ে আসে ও আমরা তাতে বসে রওনা হই। অনতিদূর যেতেই সন্ধ্যে নেমে আসে এবং আমাদের গাড়ি এক গাঁয়ে গিয়ে থামে। সেই গ্রামে মুসলমান রাজপুতদের বসতি। গাঁয়ের মোড়ল আমাদের জন্য একটি কুঁড়েঘর খালি করিয়ে দিল। তাতে শুকনো ঘাস ও খড়ের বিছানা পাতা। যাকে ওরা পিয়াল বা পরাল বলে সেই ঘাসের ওপরেই তারা ঘুমোয়। আমাদেরও বেশ খাতির করে (যা তাদের হিসেবে বেশ উঁচুদরের খাতির) তারা এই নরম বিছানা দিল ।
আমার প্রাণ তো এই জঞ্জাল দেখে আইঢাই করতে থাকে। কিন্তু সে সময় করাই বা কী যায় অথবা কীইবা হতে পারত। বাধ্য হয়ে তার ওপরেই শুয়ে পড়ি। সারাদিনের ধকল ও ক্লান্তির পর নিরুদ্বেগ নিশ্চিন্ত হওয়ার দরুন চোখে ঘুম নেমে আসে।
মাঝরাতে হঠাৎই সবার ঘুম ভেঙে গেল। ঘাসের শীষগুলো ছুঁচের মতো বিধছিল গায়ে। আর যেখানে-সেখানে ডাঁশের কামড়। সে সময় কী যে অস্বস্তি হচ্ছিল খোদাই জানেন। মখমলের বালিশ ও নরম তুলতুলে রেশমের বিছানার অভ্যেস আমাদের, তাই যা কিছু কষ্ট। নইলে আমাদের মতোই এ গ্রামে অন্য লোকেরা রয়েছে, যারা এই ঘাসের ওপরেই গভীর ঘুমে অচেতন। অন্ধকার রাত্রি, চারিদিক থেকে শেয়াল ডাকে আর আমার বুক ভয়ে কাঁপে। ভাগ্য পালটাতে দেরি হয় না। কে ভাবতে পারত যে, একদিন শাহানশাহে হিন্দের ছেলেপিলেরা এই ভাবে ছন্নছাড়া হয়ে ঘুরে বেড়াবে। এইভাবে পদে পদে ভাগ্য বিড়ম্বনার তামাশা দেখতে দেখতে হায়দ্রাবাদ পৌঁছে গেলাম ও সীতারাম পেঠেতে একটি বাড়ি ভাড়া নেওয়া হলো। জব্বলপুরে আমার স্বামী একটি রত্নজড়িত আংটি বিক্রি করে দেন যেটি লুটপাট থেকে বেঁচে গিয়েছিল। তাই দিয়ে পথের খরচ চলে আর এখানেও কিছুদিন থাকার ব্যবস্থা হয়। শেষ পর্যন্ত যা কিছু কাছে ছিল সবই শেষ হয়ে গেল। এবার ভাবনা পেট ভরাবার কী ব্যবস্থা করা যায়। আমার স্বামী বেশ উঁচুদরের খোশনবীস তথা নন্দন লিপিকার ছিলেন। তিনি লতা-পাতা এঁকে সুন্দর লিখনে হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর পরিবারের গুণগান লিখলেন এবং চারমিনারে সেটি বিক্রি করতে গেলেন। লোকেরা সেটা দেখে অবাক হয়ে গেল। প্রথম দিন সুন্দর করে আঁকা দুরূদ শরীফের দাম উঠল পাঁচ টাকা । তারপরে এমন হলো যে যখনই তিনি কিছু লিখতেন, তক্ষুনি তা বিক্রি হয়ে যেত। এই করে আমাদের দিন ভালোভাবেই কাটছিল। কিন্তু মুসা নদীর বন্যার ভয়ে আমরা দারোগা আহমদের বাড়িতে চলে এলাম। এই লোকটি ছিল মহামান্য নিজামের বিশেষ কর্মচারী।
কিছুদিন পরে গুজব রটল যে নবাব লশকর জঙ্গ যিনি শাহজাদাকে নিজের কাছে আশ্রয় দিয়েছিলেন ইংরেজদের কোপভাজন হয়েছেন এবং এখন কোনো লোকই দিল্লির শাহজাদাদের আশ্রয় দেবে না। বরঞ্চ যদি কোনো শাহজাদার খবর পাওয়া যায়, তাহলে তাকে ধরার চেষ্টা করা হবে। আমরা সবাই এই খবরে ভয় পেয়ে গেলাম। আমি স্বামীকে বাইরে বেরুতে বাধা দিলাম, যদি কোনো শত্রু ওঁকে ধরিয়ে দেয়। বাড়িতে বসে বসে যখন অনাহারের পালা এসে পড়ে, তখন নিরুপায় হয়ে একজন নবাবের ছেলেকে কুরআন শরীফ পড়াবার চাকরি আমার স্বামী মাসিক বারো টাকা মাইনেতে নিলেন। তিনি চুপি চুপি তার বাড়ি গিয়ে পড়িয়ে ফিরে আসতেন কিন্তু সেই নবাব এমন বদ- মেজাজি ও খারাপ লোক ছিলেন যে আমার স্বামীর সঙ্গে সর্বদা সাধারণ চাকরের মতো ব্যবহার করতেন, যা তাঁর পক্ষে বরদাশত করা খুবই কঠিন ছিল। তিনি বাড়ি ফিরে কেঁদে কেঁদে দুআ চাইতেন, ‘হে আল্লাহ, এই অপমানের চাকরি থেকে তো মৃত্যু অনেক ভালো। তুমি আমাকে এমনই ভিখিরি করে দিলে? কাল পর্যন্ত ঐ নবাবের মতো লোক আমাদের গোলাম ছিল আর আজ আমিই তার গোলাম।’
এরই মধ্যে কেউ গিয়ে নাজিমুদ্দীন সাহেবকে আমাদের কথা বলে। হায়দ্রাবাদে মিয়ার খুব সম্মান ছিল। কেননা, মিয়া হযরত কালে মিয়া সাহেব চিশতি নিজামী ফখরীর ছেলে যাঁকে দিল্লির বাদশাহ ও নিজাম নিজেদের পীর বলে মানতেন। মিয়া রাত্রে আমাদের কাছে এলেন এবং আমাদের দেখে খুব কাঁদলেন। একসময় ছিল যখন তিনি কেল্লায় আসতেন, তখন তাঁকে সোনার জরির কাজ করা মসনদে বসানো হতো। বাদশাহ বেগম নিজের হাতে বান্দা- বাদির মতো সেবা করতেন। আজ যখন তিনি আমাদের বাড়িতে এলেন ছেড়া। চটও ছিল না যে তাঁকে বসতে দিই। বিগত দিনগুলো চোখের সামনে ভাসতে থাকে। খোদার দেওয়া জাকজমক কী ছিল আর কী হয়ে গেল! মিয়া অনেকক্ষণ ধরে হালচাল জিজ্ঞেস করতে থাকেন। তারপর বিদায় নেন।
সকাল বেলা তাঁর বার্তা পেলাম, আমি খরচপত্রের বন্দোবস্ত করে দিয়েছি, এবার তুমি হজ করার সংকল্প নাও। তাই শুনে মন খুশিতে ভরে ওঠে ও পুণ্যতীর্থ মক্কার জন্য প্রস্তুতি চলতে থাকে। সংক্ষেপে বলা যায়, হায়দ্রাবাদ থেকে রওনা হয়ে বোম্বাই এলাম এবং এখান থেকে আমাদের প্রকৃত দরদি ও সঙ্গী বস্তিকে খরচপাতি দিয়ে ফেরত পাঠিয়ে দিলাম। জাহাজে তো বসলাম কিন্তু যে যাত্রীই শোনে যে আমরা হিন্দুস্থানের বাদশাহ বংশের, সেই আমাদের দেখার জন্য উতলা হয়ে ওঠে। সে সময় আমরা সবাই দরবেশের পোশাকে। একজন হিন্দু যার বোধ হয় এডেনে দোকান ছিল এবং আমাদের বিষয়ে কিছু জানত না, জিজ্ঞাসা করে, ‘তোমরা কোন পন্থের ফকির।’ তার প্রশ্ন আমাদের ক্ষতবিক্ষত হৃদয়ে নুনের ছিটের মতো এসে লাগে। আমি বলি, ‘আমরা মজলুম (উৎপীড়িত) শাহ পীরের মুরিদ। তিনিই আমাদের বাপ, তিনিই আমাদের শুরু। পাপীরা তাঁর ঘরদোর কেড়ে তাঁর কাছ থেকে আমাদের বিচ্ছিন্ন করে জঙ্গলে তাড়িয়ে দিয়েছে। তিনি আমাদের মুখ দেখার জন্য লালায়িত আর তাঁর দর্শনের জন্য আমরা আকুলি-বিকুলি করছি।’
নিজেদের ফকিরি দশার বিষয়ে এর চেয়ে বেশি আর কী বলা যায়। যখন সে আমাদের আসল পরিচয় পেল, এসে বলল, ‘বাহাদুরশাহ আমাদের সকলেরই গুরু এবং বাপ। কিন্তু কী করা যায় যখন নিষ্পাপ ব্যক্তির উচ্ছেদই রামচন্দ্রজীর মর্জি।’
মক্কায় পৌঁছলাম তো আল্লাহ পাক আমাদের থাকার এক অদ্ভুত ব্যবস্থা করে দিলেন। আব্দুল কাদের নামে আমার এক গোলাম ছিল যাঁকে মুক্ত করে আমি মক্কা পাঠিয়ে দিয়েছিলাম। এখানে এসে সে অনেক ধনসম্পত্তি উপার্জন করে এবং জমজমের পাহারাদার হয়ে যায়। আমাদের আসার খবর পেয়ে সে ছুটে এসে পায়ের ওপর আছড়ে পড়ে অঝোরে কাঁদতে থাকে। তার বাড়ি ছিল খুবই ভালো ও আরামদায়ক। আমরা সবাই সেখানেই আশ্রয় নিই। কিছুদিন পরে রুমী সুলতানের নায়েব, যে মক্কায় বাস করত, খবর পেয়ে আমাদের সঙ্গে দেখা করতে এল। কেউ তাকে বলেছিল যে দিল্লির বাদশাহর মেয়ে এসেছে। পর্দা না করেই কথা বলে। নায়েব সুলতান আব্দুল কাদেরের মারফত দেখা করার জন্য খবর পাঠাল। আমি তার আবেদন মঞ্জুর করলাম।
পরদিন সে আমার বাড়ি এল এবং আদবকায়দা মাফিক ও বিনয়ের সঙ্গে কথাবার্তা বলল। শেষে সে তার ইচ্ছা জানাল যে, সে আমাদের আসার খবর হুজুর সুলতানকে দিতে চায়। ওকে উত্তর আমি খুবই অবহেলায় দিলাম, আমরা সবাই এখন অনেক বড় সুলতানের দরবারে এসেছি। আর আমাদের অন্য কোনো সুলতানের পরোয়া নেই। নায়েব আমাদের খরচের জন্য বেশ ভালো অঙ্কের টাকা মঞ্জুর করে এবং আমরা নয় বছর মক্কা শরীফেই থেকে যাই। তারপর এক বছর বাগদাদ শরীফে, এক এক বছর নজফে আশরাফে ও কারবালায় কাটাই। এতদিন কেটে যাওয়ার পর শেষকালে দিল্লির স্মৃতি বড়ই ব্যাকুল করে তোলে। তখন দিল্লি ফিরে আসি। এখানে ইংরেজ সরকার ভীষণ দয়ার্দ্র হয়ে মাসিক দশ টাকা পেনশন মঞ্জুর করে। পেনশনের টাকার পরিমাণ শুনে খুব হাসি পেল। আমার বাবার এক বিশাল সাম্রাজ্য কেড়ে নিয়ে দশ টাকা ক্ষতিপূরণ! তারপর খেয়াল হলো, দেশ তো খোদার, কারোর বাপের নয়, তিনি যাকে চান তাকে দেন। যার কাছ থেকে ইচ্ছে কেড়ে নেন। মানুষের তো তাতে কিছুই করার নেই।

বইটি ডাউনলোড করে নিন নিচের দেয়া লিঙ্ক থেকে এবং পড়ে নিন সহজেই। লিঙ্কে ক্লিক করে ডাউনলোড করতে না পারলে আমাদের জানিয়ে দিন। ফিক্স করে দেয়া হবে। অথবা নিচে কমেন্ট করুন কেমন লাগলো বইটি!

বই পড়া অনেকের জন্য নেশা, অনেকের জন্য পরম ভালোবাসার একটি বস্তু। এই বইকে আমরা সহজলভ্য এবং সহজে পাওয়ার বস্তু হিসেবে উপস্থাপন করতে চাইছি, তাই আমাদের সাইট আমরা ডিজাইন করেছি ইউজার ফ্রেন্ডলিনেস বজায় রেখে। সাইটের কোনো ধরনের ইস্যু নিয়ে কোনো মতামত থাকলে জানাতে পারেন, এবং বই এর জন্যে রিকুয়েস্ট করতে পারেন উপরে বাটন দেয়া আছে নিচেও লিঙ্ক দেয়া আছে। সর্বোপরি সকলের সহযোগিতা কাম্য সাইট চালাতে হলে, ইনশাআল্লাহ আমরা সকলেই বই পড়ে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারবো!

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top