ঈমানদীপ্ত দাস্তান ৭ম খণ্ড – এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ – ফ্রি পিডিএফ ডাউনলোড – Free PDF Download

ঈমানদীপ্ত দাস্তান ৭ম খণ্ড – এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ – ফ্রি পিডিএফ ডাউনলোড – Free PDF Download এই বইটি ডাউনলোড করে নিন এখনি। আরো নতুন নতুন বই পেতে ভিজিট করুন আমাদের বই লাইব্রেরি।

মহান আল্লাহ বলেন –

পড়ো! তোমার প্রভুর নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন

আল কুরআন

জগতের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত প্রত্যেক জমানায়, প্রত্যেক সময়ে কিছু মানুষ এমন ছিল যারা অজানাকে জানতে চেয়েছে, বুঝতে চেয়েছে। অনুধাবন করতে চেষ্টা করেছে বিশ্বজগতের গূঢ় রহস্য, অবলোকন করেছে পরম বিস্ময়ের সাথে মহাকাশের লীলাখেলা। এই মানুষগুলোর নিরন্তর প্রচেষ্টার ফলেই আজ আমরা এখানে দাঁড়িয়ে আছি এবং এত সুন্দর কিছু প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারছি, পৃথিবী এগিয়ে যাচ্ছে উন্নয়নের সোপান বেয়ে তরতর করে। এই পথচলার মাঝেই আরেকটি ক্ষুদ্র প্রয়াস আমাদের এই ওয়েবসাইট। এখানে বাংলাভাষায় এবং অন্যান্য সকল ভাষায় পরবর্তীতে সর্বাধিক বইয়ের লাইব্রেরি করার ইচ্ছা আমাদের রয়েছে। বারবার এই সাইট বন্ধ হয়েছে, অন্য নামে আবার এসেছে, আসবে। এইজন্যে আপনাদের সাপোর্ট প্রয়োজন। আপনারা প্রতিনিয়ত সাইটে ভিজিট করে যাবেন এই আশাবাদ ব্যক্ত করছি। আমাদের জানাবেন কোনো সমস্যা থাকলে।

বইটি সম্পর্কেঃ

অনুবাদঃ এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ

পৃষ্ঠাসংখ্যাঃ ২৫৭

ঈমানদীপ্ত দাস্তান ৭ম খণ্ড – বইটির এক ঝলকঃ

‘আমি তোমার জন্য কিছু খাবারের ব্যবস্থা করছি।’ বলেই মেয়েটি বেরিয়ে যায়।
ইসহাক তুর্কি একটি তাঁবুতে বসা। প্রদীপ জ্বলছে। ভেতর থেকে উকি দিয়ে সে বাইরের দিকে তাকায়। জোৎস্না রাত। বাইরে ফকফকা চাঁদের আলো। তিন-চারজন লোককে ঘোরাফেরা করতে দেখতে পায় ইসহাক । মেয়েটির গাল ভরা হাসি শুনতে পায় সে। পরক্ষণে মেয়েটিকে তাঁবুর দিকে এগিয়ে আসতে দেখে। ইসহাক পেছনে সরে গিয়ে নিজ জায়গায় বসে পড়ে। তাঁবুতে প্রবেশ করে মেয়েটি ইসহাকের সামনে খাবার রাখে। ইসহাক খেতে শুরু করে।
তুমি কি এখন কায়রো যাচ্ছো?’ মেয়েটি জিজ্ঞেস করে।
‘না’— ইসহাক মিথ্যা উত্তর দেয়- ‘আমি ইস্কান্দারিয়া যাচ্ছি।’
‘সুলতান সালাহুদ্দীন আইউবী তো কায়রোতে আছেন’- মেয়েটি মুচকি হেসে বললো- “ইস্কান্দারিয়া গিয়ে কী করবে?’
‘সালাহুদ্দীন আইউবীর সঙ্গে আমার আবার কী সম্পর্ক।’ ইসহাক বিস্ময়মাখা কণ্ঠে বললো ।
‘আমাদের তো আছে’- মেয়েটি বললো- ‘তিনি আমাদের সুলতান । তাঁর নির্দেশে আমরা জীবন কুরবান করতেও প্রস্তুত আছি।’
‘ভালো কথা’— ইসহাক বললো- ‘কিন্তু আইউবী কায়রোতে আছেন সে কথা আমাকে বললে কেন?’
‘শোন’– মেয়েটি ইসহাকের মাথায় হাত রেখে বললো- ‘তোমার একটি ঘোড়া দরকার। তুমি সুলতান আইউবীর নিকট যাচ্ছো। আমরা তোমাকে সাহায্য করবো। তোমাকে ঘোড়া দেবো। তুমি অনেক তাড়াতাড়ি সুলতানের নিকট পৌঁছে যাবে।’
*এসব তুমি কীভাবে জানলে?’ ইসহাক বিস্ময়ভরা কণ্ঠে জিজ্ঞেস করে। ‘ও কথা জিজ্ঞেস করো না’- মেয়েটি বলছে- ‘তুমি তোমার কর্তব্য পালন করছো। আমাদের দায়িত্ব আমাদেরকে পালন করতে দাও। তোমাকে ঘোড়া দিয়ে প্রমাণ করবো, আমরা আমাদের কর্তব্য পালন করেছি।’
মেয়েটি এমন ধারায় কথা বললো যে, ইসহাক চিন্তায় পড়ে যায়। বললো- ‘হ্যাঁ, আমাকে অনেক তাড়াতাড়ি সুলতান আইউবীর নিকট পৌঁছতে হবে।’
‘জরুরী কোন সংবাদ আছে মনে হয়?’ *ওসব জিজ্ঞেস করো না’- ইসহাক উত্তর দেয়- ‘সব কথা বলাও যায় না। সবকিছু সকলের জানারও প্রয়োজন নেই।’
‘আমি তোমার ঘোড়ার ব্যবস্থা করছি’- মেয়েটি উঠতে উঠতে বললো- ‘তুমি বিশ্রাম নাও। রাত সবে মাত্র শুরু হয়েছে। শেষ প্রহরে রওনা হলেই চলবে।’
মেয়েটি তাঁবু থেকে বেরিয়ে যায়। ইসহাক তুর্কি বিছানায় গা এলিয়ে দেয় ।
‘কে না বলেছিলে ওকে ওখানেই মরতে দিলে ভালো হতো?’- মেয়েটি তাঁবুর বাইরে গিয়ে দলের লোকদের বললো- ‘ওস্তাদ মানো আমাকে লোকটা আইউবীর গুপ্তচর। বলছে কি জানো, বলছে, আমাকে একটা ঘোড়া দাও, সুলতান আইউবীর নিকট তাড়াতাড়ি পৌছতে হবে। লোকটা যখন অচেতন অবস্থায় বিড় বিড় করছিলো, তখন আমি কান পেতে শুনছিলাম, সে আইউবীর নাম উচ্চারণ করে বলছে, আমি বড় মূল্যবান তথ্য নিয়ে এসেছি।’
ইসহাকের সঙ্গে মেয়েটির যেসব কথাবার্তা হয় এবং তার মুখ থেকে যেসব কথা বের করে, মেয়েটি দলের লোকদেরকে সব জানায় ।
এটি বণিক কাফেলা নয়। এরা সবাই খৃস্টানদের গুপ্তচর এবং নাশকতার কর্মী। মিসরে দায়িত্ব পালন করে এখন ফিরে যাচ্ছে কিংবা অন্য কোন অঞ্চলে যাচ্ছে। সঙ্গে রক্ষীও আছে। দশ-বারোজন পুরুষ। দু’টি মেয়ে । মেয়ে দু’টি অত্যন্ত রূপসী ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। ছদ্মবেশ ধারণ করেছে বণিকের। তাদের সঙ্গে উট আছে, ঘোড়া আছে। ছায়া-পানি দেখে এখানে অবস্থান নিয়েছে। সন্ধ্যার খানিক আগে তারা দূর থেকে ইসহাককে দেখতে পায়। দু’জন পুরুষ ও একটি মেয়ে তার দিকে এগিয়ে আসে।
ইসহাক তুর্কি তাদেরকে দেখেছিলো। কিন্তু এই দেখাকে সে কল্পনা এবং মরিচিকা মনে করেছিলো। তার পরক্ষণেই সে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিলো। খৃস্টান পুরুষ দু’জন আর মেয়েটি তার কাছে যায়। মেয়েটি বললো, লোকটা সাধারণ মুসাফির মনে হয় না। পুরুষ দু’জন অভিমত ব্যক্ত করে, আনাড়ি কোন পথচারীই হবে। অন্যথায় এ দশা ঘটতো না। তথাপি ইসহাকের শারীরিক গঠন-আকারে তাদেরও কিছুটা সন্দেহ জাগে, অন্য কিছু হতে পারে। কিছুটা সন্দেহ, কিছুটা কৌতূহলের বশবর্তী হয়ে তারা ইসহাককে তাদের ক্যাম্পে নিয়ে আসে এবং এই তাঁবুতে শুইয়ে দেয়। ফোঁটা ফোঁটা করে ইসহাকের মুখে পানি ও মধু ঢালে। ইসহাক বিড় বিড় করে ওঠে। ইসহাক অচেতন ছিলো। এই অচেতন অবস্থা আর ঘুমের মধ্যেই মানুষের মস্তিষ্ক জেগে ওঠে। গোয়েন্দাদের বিশেষভাবে নির্দেশনা দেয়া থাকে, যেনো তারা শত্রুর এলাকায় অচেতন না হয় । অজ্ঞান অবস্থায় অনেক সময় তার কাছ থেকে গোপন তথ্য বেরিয়ে আসে। মরুভূমি ইসহাককে অসহায় ও অচেতন করে দিয়েছিলো। অন্যথায় তার যথেষ্ট প্রতিরোধ ক্ষমতা ছিলো। অচেতন অবস্থায় যদি তার মুখ থেকে বিড় বিড় শব্দ বের না হতো, তাহলে কেউ তাকে সন্দেহ করতে পারতো না ।
ইসহাক বিচক্ষণ ও কৌশলী হওয়া সত্ত্বেও চেতনা ফিরে পেয়ে এখন সে খৃস্টান মেয়ের ফাঁদে আটকা পড়ে গেছে। মেয়েটি সুদক্ষ খৃস্টান গোয়েন্দা। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। মেয়েটি নিশ্চিত হয়ে যায়, লোকটি মুসলমান এবং সালাহুদ্দীন আইউবীর গুপ্তচর। তাঁবুর বাইরে গিয়ে সে সঙ্গীদের জানায়, আমার সন্দেহ সঠিক প্রমাণিত হয়েছে। এই সুদর্শন লোকটি সুলতান আইউবীর গোয়েন্দাই বটে।
‘বড় শিকার’- দলনেতা বললো- ‘এখন জানতে হবে, লোকটা কী তথ্য নিয়ে যাচ্ছে এবং কোথায় কার নিকট যাচ্ছে।
“তথ্য কোথা থেকে এনেছে জানার পর আরো জানতে হবে, ওখানে তারা কতোজন আছে এবং তাদের আস্তানা কোথায়।’ দলের একজন বললো ।
“কিন্তু আমাদের পরিচয় সে যেনো বুঝতে না পারে’- দলনেতা বললো- ‘আমি সালাহুদ্দীন আইউবীর গোয়েন্দাদের ভালো করে জানি। তারা মৃত্যুকে বরণ করে নেবে; তবু তথ্য দেবে না। অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে কথা বলতে হবে।’
*ঐ মুসলমানগুলোকে আমিও ভালোভাবেই জানি’- মেয়েটি অর্থবহ মুচকি হেসে বললো- ‘তথ্য তো দেবেই, নিজের খঞ্জর দ্বারা নিজের হৃদয়টাও বের করে আমার পায়ের উপর রাখবে।’
‘তুমি সেই মুসলমানদের জানো, যারা ক্ষমতা আর বিত্তের নেশায় মাতাল হয়ে গেছে’— অপর এক খৃস্টান বললো- “সাধারণ মুসলমান আর সাধারণ সৈনিকের পাল্লায় তুমি পড়োনি। তোমাদের দ্বারা বিভ্রান্ত মুসলমানরাই সম্পদ ও মর্যাদার গোলাম হয়ে থাকে। কিন্তু যেসব মুসলমানের নিকট ঐশ্বর্যের স্থলে ঈমান বড়, তাদের কাছে গিয়ে দেখো।’ দলে আরো একটি খৃস্টান মেয়ে আছে। সেও এই বৈঠকে উপস্থিত। এ পর্যন্ত সে কোন কথা বলেনি। দলনেতা তার প্রতি তাকিয়ে তাচ্ছিল্যের সুরে বললো- ‘তুমি এই মুসলমানটার কাছ থেকে তথ্য বের করতে পারবে না বারবারা?’
মেয়েটি মুখ তুলে দলনেতার প্রতি তাকায় ।
দলনেতা আবার বললো- ‘তুমি কায়রোতে আমাদের অনেক ক্ষতি করেছো। মেরিনার দক্ষতা দেখো এবং তার থেকে শেখো। আমি তোমাকে আর সুযোগ দেবো না। মেরিনার দক্ষতার কথা চিন্তা করো। আমরা সবাই লোকটাকে পথভোলা পথিক মনে করেছিলাম। কিন্তু মেরিনা ঠিকই ধরে ফেলেছে, লোকটা মূল্যবান শিকার হবে। আমি তোমাকে এ জন্য মি থেকে বের করে নিয়ে যাচ্ছি যে, তুমি ক্রুশের উপকার করার পরিবর্তে ক্ষতি করছো।’
‘তোমার পরিণতি খুবই মন্দ হবে বারবারা’- অপর এক খৃস্টান বললো- ‘এই পেশায় তোমরা একজন রাজকন্যার মর্যাদ পেয়ে থাকো। কিন্তু তুমি এই মর্যাদা থেকে বঞ্চিত হয়ে যাবে। তারপর কারো গনিকা কিংবা বেশ্যাবৃত্তি ছাড়া তোমার আর কোন উপায় থাকবে না ।
“উহ্!’— পাশ থেকে মেরিনা ঘৃণা প্রকাশ করে বারবারার উদ্দেশে বললো- ‘এ তো যোগ্যই এ কাজের।
বারবারা ক্ষুব্ধ দৃষ্টিতে মেরিনার প্রতি তাকায়। রাগে-ক্ষোভে তার চেহারা লাল হয়ে গেছে। কিন্তু কোন কথা বলছে না। মেয়েটি মেরিনার মতোই রূপসী ছিলো। কিন্তু মিসর যাওয়ার পর তার দক্ষতায় ভাটা পড়ে যায়। সমস্যাটা সৃষ্টি করেছে দলনেতা। লোকটা পদস্থ অফিসার এবং সুদর্শন যুবক। বারবারাকে তার ভালো লাগতো। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে মেয়েটির সঙ্গে অন্তরঙ্গ সম্পর্ক গড়ে তোলে। তারা দু’জনে দু’জনার হয়ে যায়। কিন্তু এই দৃশ্য মেরিনার সহ্য হয় না। সে তার কূটচাল প্রয়োগ করে দলনেতাকে বারবারা থেকে সরিয়ে নিজের মুঠোয় নিয়ে আসে। তার সঙ্গে প্রেম প্রেম খেলা শুরু করে দেয়। বারবারার সঙ্গে তার সম্পর্কের অবনতি ঘটে। বারবারা বিষণ্ন হয়ে ওঠে এবং কর্তব্য পালনে অবহেলা শুরু করে। এই সুযোগে মেরিনা এমনও পরিস্থিতির উদ্ভব ঘটায় যে, বারবারার সন্দেহে নিপতিত হয়ে ধরা পড়ার উপক্রম হয়। কিন্তু শেষমেশ রক্ষা পেয়ে যায় ।
মেয়েটিকে সুলতান আইউবীর উচ্চপদস্থ একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তার পেছনে নিয়োজিত করা হয়েছিলো। কিন্তু সে উদ্দেশ্যে সফল হতে পারেনি। দলনেতা টের পেয়ে যায়, বারবারা ও মেরিনার সম্পর্কে ফাটল ধরেছে। পরস্পর সহকর্মী হয়ে কাজ করার পরিবর্তে এখন তারা একজন অপরজনকে ঘায়েল করার সুযোগটাই কাজে লাগায়। এই পরিস্থিতি মিশনের জন্য খুবই ক্ষতিকর। মেয়েটি এই দল ত্যাগ করে অন্য দলে যাওয়ার চিন্তা করে।
বারবারা দলনেতার শত্রুতে পরিণত হয়েছে। মেরিনা তার সঙ্গে তাচ্ছিল্যের দৃষ্টিতে তাকায়। নিজের অশুভ পরিণতি চোখের উপর ভাসছে মেয়েটির। আর এখন কিনা মেরিনা বলে ফেললো, বেশ্যাবৃত্তিই বারবারার মানানসই পেশা। প্রতিশোধের আগুন জ্বলে ওঠে বারবারার মনে।
*এই লোকটার কাছ থেকে তথ্য কেবল আমিই বের করতে পারবো’- মেরিনা বললো- ‘এ কাজ বারবারার সাধ্যের অতীত।’
বারবারা ক্ষুব্ধ মনে নিজের তাঁবুতে চলে যায় ।
“রাতে লোকটা পালাবার কোন সুযোগ পাবে না’- দলনেতা বললো- ‘এ যাবত পালাবার কোন কারণও নেই। তথাপি সতর্ক থাকতে হবে। লোকটাকে অজ্ঞান করে রাখো।’
খানিক পর মেরিনা ইসহাকের তাঁবুতে প্রবেশ করে। ইসহাক শুয়ে আছে। প্রদীপটা জ্বলছে। মেরিনার হাতে একটি রোমাল। রোমালটি অচেতনকারী ওষুধে ভেজা। মেরিনা পা টিপে টিপে ইসহাকের নিকট গিয়ে বসে পড়ে। রোমালটি ইসহাকের নাকের উপর রেখে কিছুক্ষণ পর সেটি সরিয়ে নিয়ে বেরিয়ে যায়। মেরিনা সঙ্গীদের জানালো- ‘আগামীকাল সূর্য উঠার সামান্য পর হুঁশ ফিরে পাবে।’
*এবার নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে পড়ো- দলনেতা বললো- ‘আগামী দিন সালাহুদ্দীন আইউবীর এই গোয়েন্দাকে তার চাহিদা মোতাবেক ঘোড়া ঠিকই দেবো, তবে সেই ঘোড়ায় সে কায়রো নয়- আমাদের সঙ্গে বৈরুতে যাবে। লোকটা আমাদের সফরসঙ্গী হবে ।
সুলতান আইউবীর একজন গোয়েন্দাকে নিজেদের কব্জায় নিয়ে আসা তাদের জন্য বিরাট সাফল্য। তারা উৎসবে মেতে ওঠে। মদের আসর বসায়। সাফল্যের আনন্দে মেরিনার পা যেনো মাটিতে পড়তে চাচ্ছে না। কিন্তু আজ বারবারার মনে আনন্দের পরিবর্তে তুষের আগুন জ্বলছে। ফূর্তিতে যোগ না দিয়ে নিজ তাঁবুতেই ব্যথিত মনে অবস্থান করছে।

বইটি ডাউনলোড করে নিন নিচের দেয়া লিঙ্ক থেকে এবং পড়ে নিন সহজেই। লিঙ্কে ক্লিক করে ডাউনলোড করতে না পারলে আমাদের জানিয়ে দিন। ফিক্স করে দেয়া হবে। অথবা নিচে কমেন্ট করুন কেমন লাগলো বইটি!

বই পড়া অনেকের জন্য নেশা, অনেকের জন্য পরম ভালোবাসার একটি বস্তু। এই বইকে আমরা সহজলভ্য এবং সহজে পাওয়ার বস্তু হিসেবে উপস্থাপন করতে চাইছি, তাই আমাদের সাইট আমরা ডিজাইন করেছি ইউজার ফ্রেন্ডলিনেস বজায় রেখে। সাইটের কোনো ধরনের ইস্যু নিয়ে কোনো মতামত থাকলে জানাতে পারেন, এবং বই এর জন্যে রিকুয়েস্ট করতে পারেন উপরে বাটন দেয়া আছে নিচেও লিঙ্ক দেয়া আছে। সর্বোপরি সকলের সহযোগিতা কাম্য সাইট চালাতে হলে, ইনশাআল্লাহ আমরা সকলেই বই পড়ে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারবো!

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top