
বইয়ের মূল বিষয়বস্তু
সংক্ষিপ্ত প্রিভিউ
এক রাতে ফোর্ট নক্স থেকে উধাও হয়ে যায় পৃথিবীর সবচেয়ে মূল্যবান এবং বিরলতম সোনার মুদ্রা 'ডাবল ঈগল'। সন্দেহের তির গিয়ে পড়ে অবসরপ্রাপ্ত দুর্ধর্ষ শিল্প-চোর টম কার্কের ওপর...
বই সম্পর্কে
ব্রিটিশ লেখক জেমস টোয়াইনিংয়ের জনপ্রিয় অভিষেক থ্রিলার উপন্যাস 'দ্য ডাবল ঈগল'-এর অনবদ্য বাংলা অনুবাদ এই বইটি। কাহিনীর কেন্দ্রে রয়েছে ১৯৩৩ সালের অত্যন্ত দুর্লভ ও ঐতিহাসিক একটি স্বর্ণমুদ্রা, যা ফোর্ট নক্সের কড়া নিরাপত্তা ভেদ করে চুরি হয়ে যায়। একই সাথে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে আর্ট জগতের সাথে জড়িত একাধিক ব্যক্তির রহস্যজনক হত্যাকাণ্ড ঘটতে শুরু করে।
সাবেক দুর্ধর্ষ শিল্প চোর টম কার্ক এই পেশা থেকে সরে দাঁড়ালেও তাকেই ফেঁসে যেতে হয় এই মহাচুরির প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে। নিজের নির্দোষিতা প্রমাণ করার জন্য কার্ক বাধ্য হয় মাঠে নামতে। এফবিআই স্পেশাল এজেন্ট জেনিফার ব্রাউনের তীক্ষ্ণ নজর এড়িয়ে তাকে এমন এক গোপন ইতিহাসের মুখোমুখি হতে হয়, যার শিকড় প্রোথিত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের নাৎসিদের লুণ্ঠিত সম্পদে। দ্রুতগতি ও টানটান সাসপেন্সে ভরপুর এই উপন্যাস বিশ্বজুড়ে থ্রিলারপ্রেমীদের মাঝে বিপুল প্রশংসিত হয়েছে।
রিভিউ / পাঠ প্রতিক্রিয়া
জেমস টোয়াইনিংয়ের 'দ্য ডাবল ঈগল' থ্রিলারপ্রেমীদের জন্য একটি ক্লাসিক ধাঁচের দুর্দান্ত আর্ট-ক্রাইম উপন্যাস। লেখক নিজে আর্ট এবং অ্যান্টিকস ব্যবসায় যুক্ত থাকায় উপন্যাসের প্রতিটি নিখুঁত বর্ণনা অত্যন্ত বাস্তবসম্মত ও রোমাঞ্চকর হয়ে উঠেছে। ফোর্ট নক্সের রহস্যময় ইতিহাস, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার ষড়যন্ত্র এবং আধুনিক চোর ও গোয়েন্দার ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া পাঠকের মনোযোগ শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ধরে রাখে।
বাংলা অনুবাদটি সাবলীল এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলকে চমৎকারভাবে দেশীয় পাঠকের পাঠোপযোগী করে ফুটিয়ে তুলেছে। ড্যান ব্রাউন বা ডেভিড বাল্ডাচির রচনা যারা পছন্দ করেন, তাদের কাছে জেমস টোয়াইনিংয়ের টম কার্ক সিরিজের এই বইটি একটি অবিস্মরণীয় পাঠ-অভিজ্ঞতা দেবে।
মূল বিষয়
আন্তর্জাতিক আর্ট ক্রাইম, ঐতিহাসিক রহস্য এবং শ্বাসরুদ্ধকর গুপ্তধন অনুসন্ধান
চরিত্র / আলোচিত বিষয়
টম কার্ক: বিশ্ববিখ্যাত প্রাক্তন আর্ট চোর, যাকে অন্যায়ভাবে চুরির দায়ে ফাঁসানো হয়
জেনিফার ব্রাউন: এফবিআই এজেন্ট, যিনি মুদ্রা চুরির তদন্তের দায়িত্বে নিয়োজিত
ক্যাসিমির: রহস্যময় ও নির্মম অপরাধী চক্রের সদস্য
বই পড়লে কী পাবেন?
- মনোযোগ দিয়ে পড়ার অভ্যাস তৈরি হবে
- বাংলা ভাষা ও শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ হবে
- চিন্তা, কল্পনা ও বিশ্লেষণ ক্ষমতা বাড়বে
- সাহিত্য, গল্প বা বিষয়ের প্রতি আগ্রহ বাড়বে
- অবসর সময়কে জ্ঞানভিত্তিকভাবে কাজে লাগানো যাবে





