
বইয়ের মূল বিষয়বস্তু
সংক্ষিপ্ত প্রিভিউ
প্রিয়তমেষু হুমায়ূন আহমেদের একটি সমকালীন উপন্যাস, যেখানে মধ্যবিত্ত সমাজে নারীর প্রতি নির্যাতন, ধর্ষণ এবং ন্যায়বিচারের জন্য তাদের সংগ্রামের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। এক নারীর ধর্ষণের শিকার হয়ে ন্যায়বিচারের জন্য তার আইনি লড়াই ও সামাজিক প্রতিক্রিয়ার কাহিনি এতে বর্ণিত।
বই সম্পর্কে
প্রিয়তমেষু হুমায়ূন আহমেদের রচিত একটি সমকালীন উপন্যাস। এটি মধ্যবিত্ত সমাজে নারীর প্রতি নির্যাতন, ধর্ষণ এবং ন্যায়বিচারের জন্য তাদের সংগ্রামের চিত্র তুলে ধরে। উপন্যাসটির কেন্দ্রীয় চরিত্র পুষ্প, যিনি তার স্বামী রকিব ও ছেলে পল্টুকে নিয়ে সাধারণ জীবনযাপন করেন। প্রতিবেশী নিশাত ও জহিরের সাথে তাদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। রকিবের বন্ধু মিজান প্রায়ই তাদের বাসায় আসেন, যা পুষ্পকে বিরক্ত করে। একদিন মিজান পুষ্পকে ধর্ষণ করলে পুষ্প ন্যায়বিচারের জন্য আইনের আশ্রয় নিতে চান। তবে রকিব লোকলজ্জার ভয়ে তা করতে রাজি হন না। এ সময় নিশাত পুষ্পকে সমর্থন দেন এবং তার আইনি লড়াইয়ে অংশ নেন। লেখক এই গল্পের মাধ্যমে সমাজে নারীর প্রতি নির্যাতন, ন্যায়বিচারের জন্য তাদের সংগ্রাম এবং পারিবারিক ও সামাজিক প্রতিক্রিয়ার চিত্র তুলে ধরেছেন। হুমায়ূন আহমেদের লেখনশৈলী সহজবোধ্য ও প্রাঞ্জল, যা সাধারণ ভাষায় গভীর বিষয়বস্তু উপস্থাপন করে এবং পাঠকদের মুগ্ধ করে। বইটি পাঠকদের সমাজে নারীর অধিকার, ন্যায়বিচারের জন্য সংগ্রাম এবং পারিবারিক ও সামাজিক প্রতিক্রিয়ার জগতে নিয়ে যাবে।
রিভিউ / পাঠ প্রতিক্রিয়া
উপন্যাসটি নারীর অধিকার ও ন্যায়বিচারের জন্য সংগ্রামের চিত্রায়ণ করে। এর ভাষা সহজ ও প্রাঞ্জল, এবং লেখকের অনন্যসাধারণ গল্প বলার ক্ষমতা পাঠকদের মুগ্ধ করে। গল্পটি সমাজে নারীর প্রতি নির্যাতন, ন্যায়বিচারের জন্য সংগ্রাম এবং পারিবারিক ও সামাজিক প্রতিক্রিয়ার বিষয়গুলো দক্ষতার সাথে তুলে ধরেছে।
মূল বিষয়
মধ্যবিত্ত সমাজে নারীর প্রতি নির্যাতন, ধর্ষণ ও ন্যায়বিচারের জন্য সংগ্রাম এবং পারিবারিক ও সামাজিক প্রতিক্রিয়া।
বই পড়লে কী পাবেন?
- মনোযোগ দিয়ে পড়ার অভ্যাস তৈরি হবে
- বাংলা ভাষা ও শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ হবে
- চিন্তা, কল্পনা ও বিশ্লেষণ ক্ষমতা বাড়বে
- সাহিত্য, গল্প বা বিষয়ের প্রতি আগ্রহ বাড়বে
- অবসর সময়কে জ্ঞানভিত্তিকভাবে কাজে লাগানো যাবে





