সকল বই (Library)
ময়ূরাক্ষী – হুমায়ূন আহমেদ বইয়ের প্রচ্ছদ

ময়ূরাক্ষী

লেখক: হুমায়ূন আহমেদ

ডাউনলোড করুন
লেখকহুমায়ূন আহমেদ
ক্যাটাগরিসাহিত্য
ভাষাBangla

বইয়ের মূল বিষয়বস্তু

অবহেলিত একটি জীবনের গল্প
সম্পর্কের নিঃশব্দ জটিলতা ও আবেগের বুনন
মধ্যবিত্ত জীবনের বাস্তবতা ও আত্মিক উপলব্ধি

সংক্ষিপ্ত প্রিভিউ

‘ময়ূরাক্ষী’ হুমায়ূন আহমেদের একটি সংবেদনশীল ও সম্পর্কনির্ভর উপন্যাস, যেখানে পারিবারিক সংকট, প্রেম, হারানো আশা ও জীবনের জটিলতা উঠে এসেছে। এটি নিঃশব্দ ভালোবাসা, আত্মপরিচয়ের খোঁজ এবং স্মৃতির রঙিন মায়ার এক গল্প।

বই সম্পর্কে

ময়ূরাক্ষী হুমায়ূন আহমেদের একটি মানবিক ও সংবেদনশীল উপন্যাস, যা পারিবারিক সম্পর্ক, প্রেমে হারানো আশা ও জীবনের জটিলতাকে তুলে ধরে। এটি নীরব ভালোবাসা, আত্মপরিচয়ের খোঁজ এবং একাকীত্বের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো মানুষের অন্তর্দৃষ্টির গল্প। উপন্যাসের মূল চরিত্র ফরিদ, একজন নিরীহ ও আত্মবিশ্বাসহীন মানুষ যার ভেতরে গভীর আবেগ রয়েছে। তার পরিবার, স্ত্রী, আত্মীয়স্বজন এবং পুরনো ভালোবাসাকে কেন্দ্র করে কাহিনি আবর্তিত হয়। জীবনের শেষ প্রান্তে এসে ফরিদ উপলব্ধি করেন, সব কিছু পাওয়া সম্ভব না হলেও কিছু ভালোবাসা অমলিন থাকে। এটি একজন মধ্যবিত্ত, উপেক্ষিত পুরুষের নিঃশব্দ আত্মসংঘর্ষের কাহিনি।

রিভিউ / পাঠ প্রতিক্রিয়া

4.6/ 5

এই উপন্যাসের প্রধান বিশেষত্ব হলো চরিত্রের মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ; ফরিদ চরিত্রটি এমন একজন মানুষের প্রতিনিধি যে ভালোবাসতে জানে কিন্তু প্রকাশ করতে পারে না। গল্পটি নাটকীয় না হয়ে বরং নীরব, সহজ অথচ গভীর আবেগ নিয়ে লেখা। হুমায়ূন আহমেদের স্বাভাবিক সংলাপ ও সহজ ভাষা বাস্তব জীবনের প্রতিধ্বনি তোলে, যা পাঠকের মনে দীর্ঘ সময় গেঁথে থাকে। নামকরণের সৌন্দর্যও এর বিশেষ দিক, যেখানে ‘ময়ূরাক্ষী’ স্মৃতির রঙিন প্রতিচ্ছবি হিসেবে কাজ করে। উপন্যাসটি সম্পর্কের গাঢ় অনুভব ও অপূর্ণতাকে দারুণভাবে চিত্রিত করে। বাস্তব জীবনের প্রতিফলন থাকায় পাঠক নিজেকে সহজেই খুঁজে পান। এতে হুমায়ূনীয় ছোঁয়া সুস্পষ্ট, যা হৃদয় ছুঁয়ে যায় এবং এর আবেশী গঠন পাঠককে একটানা ধরে রাখে। এটি একটি নিঃশব্দ ভালোবাসার গল্প, যা অপরিব্যক্ত আবেগ, আত্ম-অভিমান ও স্মৃতির এক রঙিন মায়ার চিত্র তুলে ধরে।

মূল বিষয়

পারিবারিক সম্পর্ক, প্রেম, আত্মিক দ্বন্দ্ব, আত্মপরিচয়ের খোঁজ এবং মধ্যবিত্ত জীবনের বাস্তবতা।

বই পড়লে কী পাবেন?

  • মনোযোগ দিয়ে পড়ার অভ্যাস তৈরি হবে
  • বাংলা ভাষা ও শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ হবে
  • চিন্তা, কল্পনা ও বিশ্লেষণ ক্ষমতা বাড়বে
  • সাহিত্য, গল্প বা বিষয়ের প্রতি আগ্রহ বাড়বে
  • অবসর সময়কে জ্ঞানভিত্তিকভাবে কাজে লাগানো যাবে