
বইয়ের মূল বিষয়বস্তু
সংক্ষিপ্ত প্রিভিউ
কত না অশ্রুজল স্মৃতিচারণটি পাঠকদের মুক্তিযুদ্ধের সময়কার মানবিক অনুভূতি ও অভিজ্ঞতার গভীরে নিয়ে যাবে।
বই সম্পর্কে
হুমায়ূন আহমেদের 'কত না অশ্রুজল' ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরের বিজয় দিবসে লেখকের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও অনুভূতির এক সংক্ষিপ্ত স্মৃতিচারণ। লেখক তার স্বভাবসুলভ সহজ-সরল ভাষা ও চিত্তাকর্ষক বর্ণনার মাধ্যমে সেই ঐতিহাসিক দিনের আনন্দ, বেদনা এবং মানবিক অনুভূতির মিশ্রণটি তুলে ধরেছেন। তিনি তার ছোট ভাই জাফর ইকবালকে খুঁজে বের করার জন্য যাত্রাবাড়ীতে যান এবং সেই সময়ের সমাজের অবস্থা, মানুষের অনুভূতি ও মুক্তিযুদ্ধের প্রভাব মর্মস্পর্শীভাবে তুলে ধরেছেন। বিশেষ করে, সায়েন্স ল্যাবরেটরির কাছে একটি বিহারি পরিবারের মৃতদেহ দেখে তার হৃদয়ে যে গভীর বেদনা সৃষ্টি হয়, তাও তিনি বর্ণনা করেছেন। হুমায়ূন আহমেদের লেখনশৈলী সহজবোধ্য ও প্রাঞ্জল, যা সাধারণ ভাষায় গভীর অনুভূতি ও জীবনের জটিলতা উপস্থাপন করতে সক্ষম। এই স্মৃতিচারণে তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময়কার মানবিক অনুভূতি ও অভিজ্ঞতা মর্মস্পর্শীভাবে তুলে ধরেছেন।
রিভিউ / পাঠ প্রতিক্রিয়া
কাহিনি, থিম ও বিষয়বস্তু, লেখনশৈলী এবং পড়ার উপযোগিতার দিক থেকে এই স্মৃতিচারণটি উচ্চ প্রশংসিত (৯/১০)। এটি মুক্তিযুদ্ধের সময়কার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও মানবিক অনুভূতি সম্পর্কে জানতে আগ্রহী পাঠকদের জন্য বিশেষ উপযোগী।
মূল বিষয়
মুক্তিযুদ্ধকালীন ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও মানবিক অনুভূতি
বই পড়লে কী পাবেন?
- মনোযোগ দিয়ে পড়ার অভ্যাস তৈরি হবে
- বাংলা ভাষা ও শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ হবে
- চিন্তা, কল্পনা ও বিশ্লেষণ ক্ষমতা বাড়বে
- সাহিত্য, গল্প বা বিষয়ের প্রতি আগ্রহ বাড়বে
- অবসর সময়কে জ্ঞানভিত্তিকভাবে কাজে লাগানো যাবে





