
বইয়ের মূল বিষয়বস্তু
সংক্ষিপ্ত প্রিভিউ
'একক দশক শতক' উপন্যাসে বিমল মিত্র তুলে ধরেছেন বিশ শতকের কলকাতার সমাজজীবনের ভাঙাগড়ার গল্প। অর্থ, ক্ষমতা ও স্বার্থের যাঁতাকলে পিষ্ট হতে থাকা সম্পর্কের এক অনন্য জীবন্ত দলিল এই উপন্যাস।
বই সম্পর্কে
'একক দশক শতক' বাংলা সাহিত্যের প্রবাদপ্রতিম কথাসাহিত্যিক বিমল মিত্রের একটি মহাকাব্যিক সামাজিক উপন্যাস। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসত্রয়ীর এই পর্বে বিশ শতকের সামাজিক পরিবর্তন, ক্ষয়িষ্ণু সামন্তবাদী ব্যবস্থার অবসান এবং নতুন ধনিক শ্রেণির উত্থানের বাস্তব দৃশ্য চমৎকারভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।
উপন্যাসটির কাহিনী গড়ে উঠেছে সময়ের তীব্র পরিবর্তনের ভেতর দিয়ে যাওয়া মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা, নৈতিক সংঘাত এবং জীবনের জটিল গতিপ্রকৃতি ঘিরে। চরিত্রগুলোর মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন ও সম্পর্কের গভীরতা লেখক অত্যন্ত সাবলীল অথচ গম্ভীর ভাষায় ফুটিয়ে তুলেছেন। তৎকালীন সমাজ বাস্তবতা ও মানবিক সংকটের এই চিত্র আজও পাঠকদের গভীরভাবে নাড়া দেয়।
রিভিউ / পাঠ প্রতিক্রিয়া
বিমল মিত্রের লেখনীর অন্যতম বড় শক্তি হলো বিশাল পটভূমিতে চরিত্রদের নিখুঁত বিন্যাস ও সমাজবাস্তবতার নিপুণ চিত্রায়ন। 'একক দশক শতক' বইটিতে তিনি কেবল একটি গল্প বলেননি, বরং একটি গোটা যুগের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিবর্তনকে জীবন্ত করে তুলেছেন। প্রতিটি চরিত্রের সংলাপ ও অভিব্যক্তি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং প্রাসঙ্গিক।
বাংলা সাহিত্যের ধ্রুপদী উপন্যাসগুলোর মধ্যে এটি এক অবিস্মরণীয় সৃষ্টি। উপন্যাসটি শেষ করার পর সমাজের স্বার্থপরতা এবং আত্মমর্যাদার লড়াই নিয়ে পাঠককে দীর্ঘক্ষণ ভাবিয়ে রাখে। যেকোনো সিরিয়াস পাঠকের জন্য এই উপন্যাসটি পড়া এক অনন্য অভিজ্ঞতা।
মূল বিষয়
বিশ শতকের মধ্যভাগে সমাজ ও অর্থনীতির রূপান্তর, শ্রেণিভেদ, স্বার্থপরতা এবং মানবিক সম্পর্কের টানাপোড়েন।
চরিত্র / আলোচিত বিষয়
সদাব্রত: উপন্যাসের মূল চরিত্র, যার জীবনের উত্থান-পতন ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে সমাজের রূপ ফুটে ওঠে।
সুকুমারী: উপন্যাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নারী চরিত্র।
মণিমালিনী: আবেগ, ভালোবাসা ও সামাজিক দ্বন্দ্বের সঙ্গে যুক্ত একটি কেন্দ্রীয় চরিত্র।
বই পড়লে কী পাবেন?
- মনোযোগ দিয়ে পড়ার অভ্যাস তৈরি হবে
- বাংলা ভাষা ও শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ হবে
- চিন্তা, কল্পনা ও বিশ্লেষণ ক্ষমতা বাড়বে
- সাহিত্য, গল্প বা বিষয়ের প্রতি আগ্রহ বাড়বে
- অবসর সময়কে জ্ঞানভিত্তিকভাবে কাজে লাগানো যাবে





