বাসর রাত – কাসেম বিন আবুবাকার – ফ্রি পিডিএফ ডাউনলোড – Free PDF Download এই বইটি ডাউনলোড করে নিন এখনি। আরো নতুন নতুন বই পেতে ভিজিট করুন আমাদের বই লাইব্রেরি।
মহান আল্লাহ বলেন –
পড়ো! তোমার প্রভুর নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন
আল কুরআন
জগতের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত প্রত্যেক জমানায়, প্রত্যেক সময়ে কিছু মানুষ এমন ছিল যারা অজানাকে জানতে চেয়েছে, বুঝতে চেয়েছে। অনুধাবন করতে চেষ্টা করেছে বিশ্বজগতের গূঢ় রহস্য, অবলোকন করেছে পরম বিস্ময়ের সাথে মহাকাশের লীলাখেলা। এই মানুষগুলোর নিরন্তর প্রচেষ্টার ফলেই আজ আমরা এখানে দাঁড়িয়ে আছি এবং এত সুন্দর কিছু প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারছি, পৃথিবী এগিয়ে যাচ্ছে উন্নয়নের সোপান বেয়ে তরতর করে। এই পথচলার মাঝেই আরেকটি ক্ষুদ্র প্রয়াস আমাদের এই ওয়েবসাইট। এখানে বাংলাভাষায় এবং অন্যান্য সকল ভাষায় পরবর্তীতে সর্বাধিক বইয়ের লাইব্রেরি করার ইচ্ছা আমাদের রয়েছে। বারবার এই সাইট বন্ধ হয়েছে, অন্য নামে আবার এসেছে, আসবে। এইজন্যে আপনাদের সাপোর্ট প্রয়োজন। আপনারা প্রতিনিয়ত সাইটে ভিজিট করে যাবেন এই আশাবাদ ব্যক্ত করছি। আমাদের জানাবেন কোনো সমস্যা থাকলে।

বইটি সম্পর্কেঃ
অনুবাদঃ কাসেম বিন আবুবাকার
পৃষ্ঠাসংখ্যাঃ ৩৯
বিদায় বেলা – বইটির এক ঝলকঃ
সেদিন শামী ফাহমিদাকে কলেজে পৌঁছে দিয়ে বাড়ী ফিরল।
শামী যেন আজ নবজন্ম লাভ করল। ফেরার পথে রায়হানের সঙ্গে দেখা করে সব কথা বলল। তারপর কবিতাটা পড়তে দিল 1
কবিতাটা পড়ার পর রায়হানের কপালে চিন্তার রেখা ফুটে উঠল। বুঝতে পারল, ফাহমিদাও শামীকে ভালবাসে। কিন্তু তার মা-বাবা তো কিছুতেই শামীকে জামাই করবে না। সে জন্যে তারা মালেকের সঙ্গে মেয়ের বিয়ে ঠিক করে রেখেছে।
তাকে চুপ করে থাকতে দেখে শামী বলল, মনে হচ্ছে কিছু যেন ভাবছিস ?
রায়হান বলল, না, মানে ভাবছি, ফাহমিদা তোকে ভালবাসে ঠিক, কিন্তু তার মা-বাবা তোর সঙ্গে কি বিয়ে দেবে? তোদের কি আছে? কি দেখে দেবে? ওরা বড়লোক। এক মেয়েকে কি তারা তোর মত ছেলের হাতে তুলে দিতে রাজি হবে? আমার মনে হয় তুই ভুল পথে চলেছিস। এখনো ফিরে আসার সময় আছে। তুই আমার বাল্যবন্ধু। তোর ভালমন্দ কিছু হলে, আমিও কম দুঃখ পাব না। আমার কথাগুলো ভেবে দেখিস।
শামী বলল, তুই অবশ্য প্রকৃত বন্ধুর মত কথা বলেছিস। তোর কথাগুলো আমারও যে মনে হয়নি তা নয়। কিন্তু দোস্ত, মৃত্যু ছাড়া আমার যে ফেরার আর কোন পথ নেই। ফাহমিদাকে ছাড়া আমি বাঁচব না। আমারও মাঝে মাঝে মনে হয়, ফাহমিদাকে পাওয়ার আশা দুরাশা মাত্র। তবু মনকে কিছুতেই বোঝাতে পারি না। তবে একথা ঠিক, তার উপযুক্ত হয়ে তাকে বিয়ে করব।
রায়হান বুঝতে পারলে, ওকে বুঝিয়ে কোন কাজ হবে না। বলল, তোর জন্য আমার খুব দুঃখ হয়। দোয়া করি আল্লাহ তোর মনস্কামনা পূরণ করুক।
সেদিন শামী বাড়ী ফিরে এসে পূর্ণ উদ্দমে পড়াশুনা শুরু করল।
এতদিন ধরে ফাহমিদা মনের সঙ্গে যুদ্ধ করে যতটা না শামীকে মন থেকে সরাতে পেরেছিল, আজ তার সাথে দেখা হয়ে এবং তার চিঠি পড়ে তারচেয়ে বেশি করে মনে পড়তে লাগল। চিন্তা করল, ভাগ্যে যা আছে, তাকে যখন প্রতিরোধ করতে পারব না তখন আর শামীর সাথে যোগাযোগ রাখব না কেন ?
এরপর থেকে প্রতি বৃহস্পতিবার তাদের অভিসার চলতে লাগল। এভাবে এইচ. এস. সি. ফাইনাল পরীক্ষা পর্যন্ত তাদের কোন বাধা এল না। কিন্তু পরীক্ষার পর আবার যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেল। প্রায় আড়াই মাস পর রেজাল্ট বেরোতে শামী ডিগ্রীতে এ্যাডমিশন নিল। ফাহমিদার খোঁজে একদিন জোবেদার কাছ এসে জানতে পারল, সে আর পড়বে না। কথাটা জেনে তার মন খারাপ হয়ে গেল। ফিরে এসে চিন্তা করতে লাগল, কি করে তার সঙ্গে দেখা করা যায়? এভাবে কিছু দিন কেটে যাবার পর একদিন রাহেলাকে তাদের বাড়িতে আসতে দেখে শামী অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল, কি ব্যাপার হঠাৎ কি মনে করে?
রাহেলা হাসিমুখে বলল, কেন আসতে মানা আছে নাকি?
ও মানা থাকবে কেন? তুমি কোন দিন আসনি তো, তাই আর কি। তাছাড়া তোমর বিয়ে হল, একটা খবরও পেলাম না।
বইটি ডাউনলোড করে নিন নিচের দেয়া লিঙ্ক থেকে এবং পড়ে নিন সহজেই। লিঙ্কে ক্লিক করে ডাউনলোড করতে না পারলে আমাদের জানিয়ে দিন। ফিক্স করে দেয়া হবে। অথবা নিচে কমেন্ট করুন কেমন লাগলো বইটি!
বই পড়া অনেকের জন্য নেশা, অনেকের জন্য পরম ভালোবাসার একটি বস্তু। এই বইকে আমরা সহজলভ্য এবং সহজে পাওয়ার বস্তু হিসেবে উপস্থাপন করতে চাইছি, তাই আমাদের সাইট আমরা ডিজাইন করেছি ইউজার ফ্রেন্ডলিনেস বজায় রেখে। সাইটের কোনো ধরনের ইস্যু নিয়ে কোনো মতামত থাকলে জানাতে পারেন, এবং বই এর জন্যে রিকুয়েস্ট করতে পারেন উপরে বাটন দেয়া আছে নিচেও লিঙ্ক দেয়া আছে। সর্বোপরি সকলের সহযোগিতা কাম্য সাইট চালাতে হলে, ইনশাআল্লাহ আমরা সকলেই বই পড়ে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারবো!