পরীরাজ্যের রাজকণ্যা – শফিউদ্দিন সরদার – ফ্রি পিডিএফ ডাউনলোড – Free PDF Download

পরীরাজ্যের রাজকণ্যা – শফিউদ্দিন সরদার – ফ্রি পিডিএফ ডাউনলোড – Free PDF Download এই বইটি ডাউনলোড করে নিন এখনি। আরো নতুন নতুন বই পেতে ভিজিট করুন আমাদের বই লাইব্রেরি।

মহান আল্লাহ বলেন –

পড়ো! তোমার প্রভুর নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন

আল কুরআন

জগতের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত প্রত্যেক জমানায়, প্রত্যেক সময়ে কিছু মানুষ এমন ছিল যারা অজানাকে জানতে চেয়েছে, বুঝতে চেয়েছে। অনুধাবন করতে চেষ্টা করেছে বিশ্বজগতের গূঢ় রহস্য, অবলোকন করেছে পরম বিস্ময়ের সাথে মহাকাশের লীলাখেলা। এই মানুষগুলোর নিরন্তর প্রচেষ্টার ফলেই আজ আমরা এখানে দাঁড়িয়ে আছি এবং এত সুন্দর কিছু প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারছি, পৃথিবী এগিয়ে যাচ্ছে উন্নয়নের সোপান বেয়ে তরতর করে। এই পথচলার মাঝেই আরেকটি ক্ষুদ্র প্রয়াস আমাদের এই ওয়েবসাইট। এখানে বাংলাভাষায় এবং অন্যান্য সকল ভাষায় পরবর্তীতে সর্বাধিক বইয়ের লাইব্রেরি করার ইচ্ছা আমাদের রয়েছে। বারবার এই সাইট বন্ধ হয়েছে, অন্য নামে আবার এসেছে, আসবে। এইজন্যে আপনাদের সাপোর্ট প্রয়োজন। আপনারা প্রতিনিয়ত সাইটে ভিজিট করে যাবেন এই আশাবাদ ব্যক্ত করছি। আমাদের জানাবেন কোনো সমস্যা থাকলে।

বইটি সম্পর্কেঃ

অনুবাদঃ শফিউদ্দিন সরদার

পৃষ্ঠাসংখ্যাঃ ২৬

পরীরাজ্যের রাজকণ্যা – বইটির এক ঝলকঃ

শাহরিয়ার বললো- তা আমি জানি। কিন্তু এখানে তুমি কি জন্যে আসো ?
সোনাপরী এবার মাথা একটু নীচু করলো। এরপর অল্প অল্প হেসে বললো – তোমার জন্যে শাহরিয়ার। তোমাকে আমার যে ভালো লেগেছে খুব।
শাহরিয়ার বললো ভাল লেগেছে? সোনাপরী বললো পর থেকে আমার রাতের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। রাতে আমি কথা চিন্তা করি । স্বপনের মাঝেও তোমাকে আমি দেখি ।
হ্যা শাহরিয়ার। তোমাকে দেখার ঘুমুতে পারিনে। সবসময় তোমার
শাহরিয়ার কিছুক্ষণ চুপ করে রইলো। এরপর ধীরে ধীরে বললো— তুমি ভুল করেছো রাজকন্যা । এ ভাল লাগার কোনো মানে নেই। তুমি পরী, আমি মানুষ। পরীতে আর মানুষে কোনো ভালোবাসা হয় না ।
সোনাপরী বললো— হয় শাহরিয়ার, হয়। ভালবাসতে জানলেই হয়। আমাকে কি ভাল লাগছে না তোমার।
সোনাপরীর রূপ দেখে শাহরিয়ারও মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিল। সে বললো – আমি মিথ্যা কথা বলি না রাজকন্যা। তোমাকে আমার এত ভাল লেগেছে যে, আমারও রাতের ঘুম হারাম হয়ে গেল। কেন তুমি আমার সামনে এলে, বলোতো ?
সোনাপরী বললো—শাহরিয়ার !
শাহরিয়ার বললো—তুমি কি সত্যিই পরীরজ্যের রাজকন্যা? কোনো ডাইনি ডাকিনী নওতো ?
সোনাপরী বললো আমাকে বিশ্বাস করো শাহরিয়ার। যেখানে কুরআন শরীফ থাকে, সেখানে কোনো ডাইনি ডাকিনী প্রবেশ করতে পারেনা। তোমার ঘরে কুরআন শরীফ আছে। তবু আমি রাতের বেলা সেখানে কয়েকবার গিয়েছি। তুমি ঘুমিয়ে থাকো তখন। আমি চেয়ে চেয়ে তোমাকে দেখেছি ।
শাহরিয়ার : সত্যি ?
সোনাপরী ঃ হ্যা শাহরিয়ার।
শাহরিয়ার ঃ আমার ঘরে ঢুকতে কোনো অসুবিধা হয়না তোমার ?
সোনাপরী ঃ কেন হবে বলো ? আমরাও যে আল্লাহ তায়ালার ইবাদাত বন্দেগী করি।
শাহরিয়ার ঃ তাই নাকি ? তাহলে আমি জেগে থাকার সময় আসতে পারবে রাতে ?
সোনাপরী ঃ তুমি অনুমতি দিলেই পারবো। রাতের বেলা তুমি তোমার ঘরে কুরআন শরীফ পাঠ করতে থাকবে, তবু দেখবে—আমি তোমার ঘরে এসে গেছি।
শাহরিয়ার ও ঠিক তাই
সোনাপরী ঃ হ্যাঁ, শাহরিয়ার ঠিক তাই।
এরপর রাতে সোনাপরী মাঝে মাঝেই শাহরিয়ারের ঘরে আসতে লাগলো। শাহরিয়ার কুরআন শরীফ পাঠ করে আর সোনাপরী তা বসে বসে শুনে। শাহরিয়ার এবার বুঝতে পারলো, সোনাপরী আসলেই একজন পরীকন্যা। কোনো ডাইনী ডাকিনী নয়। শাহজাদা শাহরিয়ার খুব খুশী হলো। তাদের মধ্যে খুব ভাব জমে গেল।
এদিকে দুষ্ট জ্বীন কালকূপ চুপ করে রইলো না । পরীরাণী তার সাথে সোনাপরীর বিয়ে দিতে রাজী হলো না দেখে, কালকূপ ভীষণ ক্ষেপে গেল। ভয়ংকর রূপ ধারণ করে এসে সে পরীরাজ্যে হানা দিতে লাগলো । কালকূপের সাথে পরীরাজ্যের সৈন্যদের প্রায় দিনই যুদ্ধ হতে লাগলো আর কালকূপের হাতে পরীরাজ্যের অনেক সৈন্য নিহত হতে লাগলো ।
তা দেখে পরীরাণী রূপাপরী সোনাপরীকে ডেকে বললেন – মস্তবড় সমস্যা হলো মা মণি ! শয়তান কালকূপ যা শুরু করেছে, তাতে তো সত্যি সত্যিই আমার রাজ্যটা সে তছনছ করে ফেলবে!
সোনাপরী বললো-
-কেন আম্মা, আমাদের সৈন্যরা কি পারছে না ?
পরীরাণী বললো –কৈ আর পারছে ? শত শত সৈন্য তাকে আঘাত করছে তবু মরা তো দূরের কথা, তার কিছুই হচ্ছে না। সে বরং যে হারে আমাদের সৈন্য মারছে দৈনিক, তাতে দেখছি—দিনে দিনে আমাদের সব্য সৈন্য শেষ হয়ে যাবে। প্রাসাদে ঢুকতে না পারুক, রাজ্যটা আমাদের ছারখার করে দিবে ঐ শয়তানটা
সোনাপরী বললো –কি সাংঘাতিক কথা।
পরীরাণী বললো –হ্যাঁ, কথাটা সাংঘাতিকই বটে। শয়তানটাকে মারার নতুন কোনো চিন্তা ভাবনা করতে হবে এখন। তা থাক একথা। তুমি আরো সাবধান হও। আমাদের রাজ্যের বাইরে যেখানে সেখানে তুমি আর যাবে না। ঐ শয়তানটা যদি কোনোভাবে চিনতে পারে তোমাকে, তাহলে আর ছেড়ে কথা বলবেনা ।
সোনাপরী বললো আমি যেখানে সেখানে যাইনে আম্মা। আমি এমন জায়গায় আর এমন লোকের কাছে যাই, যেখানে কোনো শয়তানের যাওয়ার সাধ্য নেই।
মা বললেন—সেকি ! কোন্ জায়গায় সেটা, আর কার কাছে যাও ?
মেয়ে বললো আমি শামরাজ্যে যাই আর সে রাজ্যের শাহজাদা শাহরিয়ার রেজার কাছে যাই। খুবই আল্লাহ ভক্ত মানুষ। সকাল-সন্ধ্যা কুরআন শরীফ পাঠ করে। দেখতেও ভীষণ সুন্দর আম্মা। চোখ ফেরানো যায় না। দেখলে তুমিও খুব খুশী হবে।
মা বললেন —তুমি তাকে বিয়ে করতে চাও ?

বইটি ডাউনলোড করে নিন নিচের দেয়া লিঙ্ক থেকে এবং পড়ে নিন সহজেই। লিঙ্কে ক্লিক করে ডাউনলোড করতে না পারলে আমাদের জানিয়ে দিন। ফিক্স করে দেয়া হবে। অথবা নিচে কমেন্ট করুন কেমন লাগলো বইটি!

বই পড়া অনেকের জন্য নেশা, অনেকের জন্য পরম ভালোবাসার একটি বস্তু। এই বইকে আমরা সহজলভ্য এবং সহজে পাওয়ার বস্তু হিসেবে উপস্থাপন করতে চাইছি, তাই আমাদের সাইট আমরা ডিজাইন করেছি ইউজার ফ্রেন্ডলিনেস বজায় রেখে। সাইটের কোনো ধরনের ইস্যু নিয়ে কোনো মতামত থাকলে জানাতে পারেন, এবং বই এর জন্যে রিকুয়েস্ট করতে পারেন উপরে বাটন দেয়া আছে নিচেও লিঙ্ক দেয়া আছে। সর্বোপরি সকলের সহযোগিতা কাম্য সাইট চালাতে হলে, ইনশাআল্লাহ আমরা সকলেই বই পড়ে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারবো!

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top