কাঙ্খিত জীবন – কাসেম বিন আবুবাকার – ফ্রি পিডিএফ ডাউনলোড – Free PDF Download

কাঙ্খিত জীবন – কাসেম বিন আবুবাকার – ফ্রি পিডিএফ ডাউনলোড – Free PDF Download এই বইটি ডাউনলোড করে নিন এখনি। আরো নতুন নতুন বই পেতে ভিজিট করুন আমাদের বই লাইব্রেরি।

মহান আল্লাহ বলেন –

পড়ো! তোমার প্রভুর নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন

আল কুরআন

জগতের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত প্রত্যেক জমানায়, প্রত্যেক সময়ে কিছু মানুষ এমন ছিল যারা অজানাকে জানতে চেয়েছে, বুঝতে চেয়েছে। অনুধাবন করতে চেষ্টা করেছে বিশ্বজগতের গূঢ় রহস্য, অবলোকন করেছে পরম বিস্ময়ের সাথে মহাকাশের লীলাখেলা। এই মানুষগুলোর নিরন্তর প্রচেষ্টার ফলেই আজ আমরা এখানে দাঁড়িয়ে আছি এবং এত সুন্দর কিছু প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারছি, পৃথিবী এগিয়ে যাচ্ছে উন্নয়নের সোপান বেয়ে তরতর করে। এই পথচলার মাঝেই আরেকটি ক্ষুদ্র প্রয়াস আমাদের এই ওয়েবসাইট। এখানে বাংলাভাষায় এবং অন্যান্য সকল ভাষায় পরবর্তীতে সর্বাধিক বইয়ের লাইব্রেরি করার ইচ্ছা আমাদের রয়েছে। বারবার এই সাইট বন্ধ হয়েছে, অন্য নামে আবার এসেছে, আসবে। এইজন্যে আপনাদের সাপোর্ট প্রয়োজন। আপনারা প্রতিনিয়ত সাইটে ভিজিট করে যাবেন এই আশাবাদ ব্যক্ত করছি। আমাদের জানাবেন কোনো সমস্যা থাকলে।

বইটি সম্পর্কেঃ

অনুবাদঃ কাসেম বিন আবুবাকার

পৃষ্ঠাসংখ্যাঃ ৫৫

কাঙ্খিত জীবন – বইটির এক ঝলকঃ

ইশিতা হাফিজকে বলল, আজ কয়েকটা অংক বুঝিয়ে দিয়ে যাবেন স্যার? হাফিজ বলল, কেন দেব না, চল।
ইশিতা তাকে পড়ার রুমে নিয়ে এসে অংকগুলো দেখিয়ে দিয়ে বলল, আপনি এগুলো করুন, আমি আসছি বুঝিয়ে দেবেন। তারপর অনুমতি নিয়ে চলে গেল।
ইশিতা কিছুক্ষণ আগে বিলকিসকে মন খারাপ করে ফিরে আসতে দেখে জিজ্ঞেস করেছিল, কোথায় গিয়েছিলে আপা? তোমার মন এত খারাপ কেন?
পরে বলব, এখন বিরক্ত করিস না বলে বিলকিস নিজের রুমে চলে গেছে। ইশিতার তখন মনে হল, স্যারের সঙ্গে কি আপার কোনো গোলমাল হয়েছে। তারপর নাশতা খাওয়ার সময় আপা আসছে না দেখে মা আয়াকে দিয়ে তাকে ডেকে পাঠাতে বলেছে, তার শরীর খারাপ, সে এখন কিছু খাবে না। সে কথা শুনে সন্দেহটা দৃঢ় হয়। তাই স্যারকে অংক করতে বলে তার রুমে গেল। দেখল, আপা বালিশে মুখ গুঁজে ফুলে ফুলে কাঁদছে। কাছে গিয়ে বলল, আপা তুমি কাঁদছ কেন?
বিলকিস একরোখা ধরনের মেয়ে। নিজের মতামতকে বড় করে দেখে। কাউকে বড় একটা পরোয়া করে না। তার মা ও ভাইয়া এই জন্যে তার প্রতি মাঝে মাঝে অসন্তুষ্ট হন। রকিব সাহেব তাকে অন্য ছেলেমেয়েদের চেয়ে একটু বেশি স্নেহ করেন। বাবার কাছ থেকে আদর পেয়ে বিলকিস এই রকম হয়েছে। সে জন্যে রকিম সাহেবকে মাঝে মাঝে হাসান ও শাফিয়া বেগম দায়ি করেন।
আজ বিকেলে হাফিজের কথা শুনে বিলকিসের মনে হয়েছিল, সে তাকে গভীরভাবে ভালোবাসে না। তাই ঐসব বলে এড়িয়ে যেতে চায়। তখন তার মাথা গরম হয়ে যায় এবং রাগ সামলাতে না পেরে তাকে কাওয়ার্ড ভেবে চলে আসে। বাসায় এসে রাগ পড়ে যেতে হাফিজের কথাগুলো চিন্তা করে বুঝতে পারল, হাফিজ তাকে গভীরভাবে ভালোবাসে বলে এবং বিয়ের পরে যাতে কোনো রকম ভুল বোঝাবুঝি না হয়, সেই জন্য ঐসব কথা বলে তাকে বোঝাতে চেয়েছিল। অথবা ঐসব বলে পরীক্ষা করেছিল। বিলকিস নিজের ভুল বুঝতে পেরে অনুশোচনার আগুনে জ্বলছিল। প্রতিকারের উপায় চিন্তা করতে করতে চোখের পানিতে সেই আগুন নেভাবার চেষ্টা করছিল। ইশিতার কথা শুনে উঠে বসে চোখ মুখ মুছে বলল, জানিস, আজ হাফিজের সাথে খুব খারাপ ব্যবহার করে ফেলেছি।
ইশিতা বলল, তাতে কি হয়েছে। ভুল সবাই করে। সে জন্যে তার কাছে ক্ষমা চেয়ে নিও। স্যার একটা বিদেশী ফার্মে খুব ভালো চাকরি পেয়েছেন, তা কি তুমি জান? বিলকিস আনন্দে উৎফুল্ল হয়ে বলল, সত্যি বলছিস?
হ্যাঁ, সত্যি ।
তুই কি করে জানলি?
ইশিতা বুঝতে পারল, স্যার এসেছেন আপা জানে না। বলল, একটু আগে স্যার মা-বাবা সবার সামনে বললেন।
সে এসেছে এতক্ষণ বলিসনি কেন? আছে, না চলে গেছে?

বইটি ডাউনলোড করে নিন নিচের দেয়া লিঙ্ক থেকে এবং পড়ে নিন সহজেই। লিঙ্কে ক্লিক করে ডাউনলোড করতে না পারলে আমাদের জানিয়ে দিন। ফিক্স করে দেয়া হবে। অথবা নিচে কমেন্ট করুন কেমন লাগলো বইটি!

বই পড়া অনেকের জন্য নেশা, অনেকের জন্য পরম ভালোবাসার একটি বস্তু। এই বইকে আমরা সহজলভ্য এবং সহজে পাওয়ার বস্তু হিসেবে উপস্থাপন করতে চাইছি, তাই আমাদের সাইট আমরা ডিজাইন করেছি ইউজার ফ্রেন্ডলিনেস বজায় রেখে। সাইটের কোনো ধরনের ইস্যু নিয়ে কোনো মতামত থাকলে জানাতে পারেন, এবং বই এর জন্যে রিকুয়েস্ট করতে পারেন উপরে বাটন দেয়া আছে নিচেও লিঙ্ক দেয়া আছে। সর্বোপরি সকলের সহযোগিতা কাম্য সাইট চালাতে হলে, ইনশাআল্লাহ আমরা সকলেই বই পড়ে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারবো!

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top