যদি এমন হতাম – মুহাম্মদ মফিজুল ইসলাম – ফ্রি পিডিএফ ডাউনলোড – Free PDF Download এই বইটি ডাউনলোড করে নিন এখনি। আরো নতুন নতুন বই পেতে ভিজিট করুন আমাদের বই লাইব্রেরি।
মহান আল্লাহ বলেন –
পড়ো! তোমার প্রভুর নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন
আল কুরআন
জগতের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত প্রত্যেক জমানায়, প্রত্যেক সময়ে কিছু মানুষ এমন ছিল যারা অজানাকে জানতে চেয়েছে, বুঝতে চেয়েছে। অনুধাবন করতে চেষ্টা করেছে বিশ্বজগতের গূঢ় রহস্য, অবলোকন করেছে পরম বিস্ময়ের সাথে মহাকাশের লীলাখেলা। এই মানুষগুলোর নিরন্তর প্রচেষ্টার ফলেই আজ আমরা এখানে দাঁড়িয়ে আছি এবং এত সুন্দর কিছু প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারছি, পৃথিবী এগিয়ে যাচ্ছে উন্নয়নের সোপান বেয়ে তরতর করে। এই পথচলার মাঝেই আরেকটি ক্ষুদ্র প্রয়াস আমাদের এই ওয়েবসাইট। এখানে বাংলাভাষায় এবং অন্যান্য সকল ভাষায় পরবর্তীতে সর্বাধিক বইয়ের লাইব্রেরি করার ইচ্ছা আমাদের রয়েছে। বারবার এই সাইট বন্ধ হয়েছে, অন্য নামে আবার এসেছে, আসবে। এইজন্যে আপনাদের সাপোর্ট প্রয়োজন। আপনারা প্রতিনিয়ত সাইটে ভিজিট করে যাবেন এই আশাবাদ ব্যক্ত করছি। আমাদের জানাবেন কোনো সমস্যা থাকলে।

বইটি সম্পর্কেঃ
অনুবাদঃ মুহাম্মদ মফিজুল ইসলাম
পৃষ্ঠাসংখ্যাঃ ১১৩
যদি এমন হতাম – বইটির এক ঝলকঃ
ঃ এখানে কেন এসেছ?
ঃ আমি একটি উট হারিয়েছি। সেটা খোঁজার জন্যই এখানে এসেছি।
ঃ আহমক কোথাকার! গভীর রাতে ছাদের উপর উট পাওয়া যায় নাকি? সুলতানের কণ্ঠে বিস্ময়। সেই সাথে ক্রোধও।
ঃ মহামান্য সুলতান! আমার অপরাধ ক্ষমা করবেন। আমি আপনার নিকট কেবল একটি প্রশ্নের জবাব চাই। আমার জিজ্ঞাসা হলো, যদি গভীর রাতে ছাদের উপর উট পাওয়া না যায়, তবে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সুশোভিত প্রাসাদের ফুলশয্যায় শয়ন করে কেমন করে মহান আল্লাহকে পাওয়া যাবে?
: ভাই! তুমি তো ঠিক কথাই বলেছ? এবার বল, তোমার আসল পরিচয় কি?
: আমি আল্লাহর এক নগণ্য বান্দা। একথা বলেই লোকটি চলে গেল ।
সুলতান দ্রুত রুম থেকে বের হয়ে ছাদে গিয়ে দেখলেন, সেখানে কোনো মানুষ নেই । তিনি বুঝে নিলেন, এ লোক আল্লাহর ফিরিশতা ছাড়া আর কিছুই হবে না। আল্লাহ পাক দয়া করে আমাকে সতর্ক করার জন্য ফেরেশতাকে মানুষের রূপে আমার নিকট পাঠিয়েছেন। সুতরাং আমার আর বসে থাকার সময় নেই। একথা বলে সুলতান সিংহাসনের মায়া ত্যাগ করে আল্লাহকে পাওয়ার আশায় অজানার পথে বেড়িয়ে পড়েন। শেষ পর্যন্ত তিনি তার সাধনায় পূর্ণ সফলতা অর্জন করেছিলেন।
প্রিয় পাঠক! আলোচ্য ঘটনাগুলো আমাদের জন্য বড় শিক্ষনীয় ঘটনা নয় কি? আমাদের মধ্যে কি এমন লোকের অভাব আছে, যারা বাদশাহী হালতে জীবন যাপন করছি? আরাম আয়েশের যাবতীয় উপকরণ ঘরে আছে। জীবনে কোনোদিন অভাবের মুখ দেখিনি। অথবা এক সময় অভাবী থাকলেও বর্তমানে কোটি কোটি টাকার মালিক। গাড়ী আছে। বাড়ি আছে। মিল-ফ্যাক্টরী আছে। খেদমতের জন্য খাদেম আছে। বাসার সামনে মনমুগ্ধকর বাগান আছে। মোটকথা, একটি মানুষ সুখী হওয়ার জন্য বাহ্যত যা প্রয়োজন, সবই আছে।
কিন্তু অভাব কেবল একটি জিনিসের। তা হলো, যে খোদা আমাকে সৃষ্টি করেছেন, যিনি আমাকে এত নিয়ামত দিয়েছেন, যার অনুগ্রহ আর চান
দয়া ছাড়া এক মুহূর্তও বেচে থাকা সম্ভব নয়, সেই খোদাকে নি। চিনতে চেষ্টাও করিনি। দিন রাত অহরহ তার নাফরমানি করে চলছি। তার হুকুমগুলো পদদলিত করছি। তিনি যা করতে নিষেধ করেছেন সেগুলো নির্বিঘ্নে করে যাচ্ছি। কথায় কথায় মিথ্যা বলছি। সুদ খাচ্ছি। ঘুষ গ্রহণ করছি। অন্যায়ভাবে অন্যের সম্পদ ভোগ দখল করে খাচ্ছি। অধীনস্থ লোকদের উপর অত্যাচারের স্টীম রোলার চালাচ্ছি। তাদেরকে মানুষ হিসেবে স্বীকৃতি দিতেও কুণ্ঠাবোধ করছি। তাদের অধিকারগুলোকে পায়ের তলায় পিষ্ট করছি। ছোট বড় কারো হক আদায়ের ব্যাপারে সচেষ্ট হচ্ছি না। টাকা আর ক্ষমতার দাপটে যা ইচ্ছে তাই করছি। শোষণ করছি। নির্যাতন চালাচ্ছি। চিত্ত-বিনোদনের নামে অশ্লীল কর্মকান্ডে জড়িত হয়ে পড়ছি। ডিস এন্টিনার সংযোগ দিয়ে, অশ্লীল পত্র-পত্রিকা পাঠ করে কিংবা সিডি চালিয়ে নিজের চরিত্রকে কলুষিত করছি। আপন সন্তানদের জীবনকেও ধ্বংস করছি। উপরন্তু এগুলোর শেষ পরিণতি কি হবে- একথা একটি বারের জন্য চিন্তাও করছি না।
মুহতারাম ভাইগণ! এই যাদের অবস্থা, উপরোক্ত ঘটনাগুলো পাঠ করে জীবনের পরিবর্তন আনার সময় কি তাদের এখনো হয়নি? আমার প্রাণের ভাইগণ! মনে রাখবেন, দুনিয়ার জীবন খুবই অল্প। একেবারেই ক্ষণস্থায়ী। যে কোনো মুহূর্তে আপনার জীবন প্রদীপ নিভে যেতে পারে। স্তব্ধ হয়ে যেতে পারে আপনার সকল কর্ম কোলাহল। কিন্তু শত আফসোস আর দুঃখ হবে তখন, যখন আপনি উপরে বর্ণিত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করবেন; জীবনকে নতুন করে, নতুন রূপে ঢেলে সাজানোর পূর্বেই যদি আপনার ডাক এসে যায়; সুলতান মাহমুদের মতো জীবনের গতি পরিবর্তনের আগেই যদি আপনি মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করেন। প্রিয় ভাইটি আমার! মৃত্যু কোন্ সময় আসে বলা যায় না। সুতরাং অতীত জীবনের যাবতীয় গর্হিত কর্মের জন্য আজই তওবা করুন। সুদ, ঘুষ ছাড়ুন। চোখের হেফাজত করুন । আলেম উলামাদের সাথে সম্পর্ক কায়েম করুন। একজন হক্কানী পীরের হাতে বাইয়াত হোন। অতঃপর তার নিকট নিজ জীবনের সকল ইতিহাস বর্ণনা করুন। তারপর তিনি যেভাবে চলতে বলবেন, সেভাবে চলতে থাকুন। চিত্ত-বিনোদনের নামে গোটা জীবন অশ্লীল রং তামাশা করে আপনি যা কিছু পেয়েছেন, হক্কানী পীরের কথামত অল্প কিছুদিন জীবন যাপনে অভ্যস্থ হওয়ার পর দেখবেন, প্রতি মুহূর্তে আপনি সে রকম শান্তি, আত্মতৃপ্তি ও সুখ অনুভব করবেন। সে এক স্বর্গীয় প্রশান্তি! যা কেবল অনুভব করা যায়, অন্যকে বুঝানো যায় না। ভাইজান! আমি আপনাদের হাতে পায়ে ধরে করজোড় নিবেদন করে বলছি, হেলায় হেলায় আর সময় নষ্ট করবেন না। আজই এবং এ মুহূর্তেই আপনি জীবনকে খোদায়ী বিধান মোতাবেক সুন্দর করে গড়ে তোলার জন্য দৃঢ় প্রতিজ্ঞা করুন। ‘দাড়ি পাকুক’, ‘সন্তানাদি হউক’, ‘বুড়ো হয়ে নেই’ ইত্যাদি ধোকা সম্বলিত বাক্যগুলো আজই মন থেকে ঝেরে ফেলুন। মনে রাখবেন, আগামীকাল শব্দটি মস্তবড় ধোকা। বিরাট বড় প্রতারণা। সুতরাং কাল থেকে নামাজ ধরব, অমুক তারিখ থেকে ভাল হয়ে যাব, হজ্জ্বের পরে দাড়ি রাখব- এ সমস্ত ভবিষ্যত কাল জ্ঞাপক শব্দমালা বাদ দিন। কারণ এগুলো শয়তানের ধোকা। তাই এ মুহূর্তেই শয়তানের গালে খুব জোরে একটি চপেটাঘাত করে, তার মুখে লাথি মেরে আল্লাহ এবং আল্লাহর রাসূলের খুশির জন্য তাদের প্রদর্শিত পথে চলার জন্য প্রতিজ্ঞা করুন। শুধু প্রতিজ্ঞাই নয়, কাজও শুরু করে দিন।
যেমন, পাক-পবিত্র লুঙ্গি বা জামা না থাকলে এখুনি তা ধুয়ে পরিস্কার করে শুকাতে দিন। পরবর্তী নামাজের জন্য তৈরি নিন। কোন্ হুজুরের হাতে বাইআত হবেন সে বিষয়ে পরিচিত হক্কানী আলেমদের সাথে পরামর্শের জন্য ঘর থেকে বেরিয়ে যান। এভাবে ধীরে ধীরে একটির পর একটি শরিয়তের করণীয় কাজগুলো করতে শুরু করুন। বর্জনীয় কাজগুলো বর্জন করতে থাকুন। কোনো বিষয় না জানলে বা অস্পষ্টতা থাকলে খাঁটি আলেমদের শরণাপন্ন হউন। মোট কথা, আপনি যদি আখেরাতের অন্তহীন নিয়ামত লাভ ও জাহান্নামের কঠিন শাস্তি থেকে বাঁচার দৃঢ় আশা নিয়ে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হউন যে, আমি আমার জীবনকে সুন্দর করবই, তবে দেখবেন ধীরে ধীরে আপনার সব ঠিক হয়ে গেছে। যখন যা প্রয়োজন, যা দরকার সবই আপনি পেয়ে যাবেন। এটি পরীক্ষিত সত্য কথা। আল্লাহ পাক আমাদেরকে এ মুহূর্ত থেকে জীবনকে নতুন করে গড়ার দৃঢ় সংকল্প করার তাওফীক দিন। আমীন । আইয়্যামে জাহেলিয়াতের যুগ। শিরক কুফর আর কুসংস্কারের নিচ্ছিদ্র অমানিশার নিকষ কালো অন্ধকারে ছেয়ে গেছে সারা আরব জাহান । সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব মানব জাতি পৌঁছে গেছে অসভ্যতা ও বর্বরতার চরম পর্যায়ে। অন্যায়-অবিচার, জুলুম নিপীড়ন সন্ত্রাস-ছিনতাই, যিনা-ব্যভিচার ইত্যাকার নানাবিধ অন্যায়-অপকর্ম নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভাইয়ের রক্তে অবগাহন করে ভাই তৃপ্তির হাসি হাসে। এক খুনের বদলে চলে হাজার খুন। দ্বন্দ্ব একবার শুরু হলে তা আর শেষ হয় না । চলতে থাকে যুগ যুগ ধরে। এমনকি সে লড়াইয়ের দাবানল ছড়িয়ে পড়ে বংশানুক্রমিকভাবে।
মানবতার এই চরম বিপর্যয়ের সময়গুলোতেও আরব জাহানে খুঁজে পাওয়া যায় অনুপম অতিথি সেবার অনবদ্য আদর্শ। পাওয়া যায় মেহমানদারীর অপূর্ব দৃষ্টান্ত। এবার পাঠক-পাঠিকাদের খেদমতে সে ধরনের একটি বিস্ময়কর ঘটনাই উপস্থাপন করছি।
এক নওজোয়ান। টগবগে যুবক। সমস্ত হৃদয় জুড়ে দাউ দাউ করে জ্বলছে প্রতিশোধের প্রজ্বলিত আগুন। আজ কয়েক বছর যাবত সে অস্থির- বেকারার। কোনো কিছুতেই শান্তি খুঁজে পায় না সে। প্রতিদিন নাঙ্গা তলোয়ার হাতে সে রাস্তায় বেরিয়ে পড়ে। শহরের অলি গলি আর বিজন প্রান্তরে খুঁজে বেড়ায় ঐ ঘাতককে, যে কয়েক বছর পূর্বে তার পিতাকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। সে চায় পিতা হত্যার প্রতিশোধ নিতে। চায় ঘাতককে হত্যা করে দগ্ধভূত অন্তরকে ঠান্ডা করতে ।
দীর্ঘদিন চলে গেল। ঘাতককে সে খুঁজে পায় না। প্রতিশোধের অনল তার অন্তরটাকে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছারখার করে দিচ্ছে। কিন্তু ঘাতকের কোনো সন্ধান মিলছে না। দেখা মাত্র মুক্ত তরবারির নিষ্ঠুর আঘাতে ঘাতকের মস্তক সে দ্বিখন্ডিত করে ফেলবে- এ প্রতিজ্ঞা সে বহু পূর্বেই করেছে। কিন্তু প্রতিজ্ঞা পালনের কোনো সুযোগই সে খুঁজে পাচ্ছে না । এভাবে চলে গেল আরো কিছু দিন ।
একদিন সে ঘাতকের খুঁজে বাড়ি থেকে বের হচ্ছে। ঠিক এক সময় একজন মুসাফির তার বাড়িতে এসে মেহমান হলো। সে মেহমানকে উত্তম রূপে মেহমানদারী করার জন্য বাসার লোকদের ভালভাবে বুঝিয়ে দিয়ে চলে গেল। সারাদিন দূরগামী অশ্ব নিয়ে ঘাতককে খুঁজে বেড়াল। কিন্তু ফলাফল আগের মতো শূন্যই রয়ে গেল ।
আজ কয়েকদিন যাবত আগন্তুক মেহমান শাহী হালতে থাকছে। প্রতিদিন পরিবেশন করা হচ্ছে উন্নত মানের খাবার। থাকার জন্য দেওয়া হচ্ছে সুন্দর শয়ন কক্ষ ও আরামদায়ক বিছানা। গৃহকর্তার নির্দেশ ও আরবদের অনুপম অতিথি সেবার কালজয়ী আদর্শের কারণেই মেহমান দিনের পর দিন এসব সুযোগ-সুবিধা অবলীলায় ভোগ করে যাচ্ছে। কেন, কি জন্য এখানে এসেছে- এধরনের কোনো প্রশ্ন কেউ তাকে করছে না।
এদিকে ঐ যুবক, যে এ বাড়ির গৃহকর্তাও বটে, সেও মেহমানকে কোনো কিছু জিজ্ঞেস করছে না। জিজ্ঞেস করার সময়ও তার হচ্ছে না । কারণ সে তো ভোরের আলো উঁকি দেওয়ার পূর্বেই প্রচন্ড প্রতিশোধের স্পৃহা নিয়ে তরবারী হাতে বের হয়ে যায় এবং গভীর রাতে বাসায় ফিরে । সুতরাং মেহমানের সাথে আলাপ করার সুযোগটা তার কোথায়?
একদিন যুবক ভাবল, আজ বেশ কয়েক দিন হল, মেহমানের সাথে কোনো আলাপ হলো না। এটা তো সৌজন্যবোধের সম্পূর্ণ পরিপন্থী কাজ । সুতরাং আজ একটু তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরে মেহমানের সাথে খোলামেলা আলোচনা করব ।
অন্য দিনের তুলনায় অনেক আগেই সে বাড়ি ফিরেছে। মেহমানকে নিয়ে একসাথে খানা খেয়েছে। খাওয়া-দাওয়া শেষ হওয়ার পর সে মেহমানকে নিয়ে একটি নির্জন কামরায় প্রবেশ করল। প্রথমেই সে এ কয়দিন যাবত তার সাথে কথা বলতে না পারার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করল। তারপর একের পর এক শুরু হলো বিভিন্ন রকমের আলোচনা।
গভীর রাত পর্যন্ত কথা হলো। কথাবার্তার এক পর্যায়ে সে খুব ভাল করে বুঝতে পারল- এ মেহমানই তার পিতার হত্যাকারী। সে-ই ঐ ঘাতক যাকে সে কয়েক বৎসর যাবত মাঠে-প্রান্তরে, শহরে-বন্দরে হন্যে হয়ে খুঁজছে। যার মস্তক দিখন্ডিত করার জন্য মুক্ত তরবারি হাতে নিয়ে সে কঠোর শপথ করেছে।
কিন্তু এখন? সে যে মুসাফির! আশ্রিত মেহমান!! যাকে পাওয়ার জন্য এত ব্যাকুলতা, যার রক্তে অবগাহন করার জন্য এত অস্থিরতা, সে এখন
বইটি ডাউনলোড করে নিন নিচের দেয়া লিঙ্ক থেকে এবং পড়ে নিন সহজেই। লিঙ্কে ক্লিক করে ডাউনলোড করতে না পারলে আমাদের জানিয়ে দিন। ফিক্স করে দেয়া হবে। অথবা নিচে কমেন্ট করুন কেমন লাগলো বইটি!
বই পড়া অনেকের জন্য নেশা, অনেকের জন্য পরম ভালোবাসার একটি বস্তু। এই বইকে আমরা সহজলভ্য এবং সহজে পাওয়ার বস্তু হিসেবে উপস্থাপন করতে চাইছি, তাই আমাদের সাইট আমরা ডিজাইন করেছি ইউজার ফ্রেন্ডলিনেস বজায় রেখে। সাইটের কোনো ধরনের ইস্যু নিয়ে কোনো মতামত থাকলে জানাতে পারেন, এবং বই এর জন্যে রিকুয়েস্ট করতে পারেন উপরে বাটন দেয়া আছে নিচেও লিঙ্ক দেয়া আছে। সর্বোপরি সকলের সহযোগিতা কাম্য সাইট চালাতে হলে, ইনশাআল্লাহ আমরা সকলেই বই পড়ে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারবো!