সকল বই (Library)
টিনের পুতুল - স্মরণজিৎ চক্রবর্তী – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী বইয়ের প্রচ্ছদ

টিনের পুতুল - স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

লেখক: স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

ডাউনলোড করুন
লেখকস্মরণজিৎ চক্রবর্তী
ক্যাটাগরিউপন্যাস / গল্প / কবিতা
প্রকাশনীআনন্দ পাবলিশার্স
প্রকাশ সাল2010
পৃষ্ঠা176 টি
ভাষাBangla

বইয়ের মূল বিষয়বস্তু

আধুনিক শহুরে জীবনের জটিল সম্পর্কের বিশ্লেষণ
মানবিক আবেগ ও ভালোবাসার নানা রঙের চিত্রায়ন
স্মরণজিৎ চক্রবর্তীর সহজাত ও সাবলীল কথাসাহিত্যিক ভাষাভঙ্গি
আত্মোপলব্ধি ও সম্পর্কের অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েন

সংক্ষিপ্ত প্রিভিউ

মানুষের আবেগ কি পুতুলের মতো সাজানো যায়? 'টিনের পুতুল' উপন্যাসে স্মরণজিৎ চক্রবর্তী তরুণ মনের দ্বিধাদ্বন্দ্ব এবং ভালোবাসার সূক্ষ্ম অনুভূতিগুলোকে চমৎকারভাবে তুলে ধরেছেন।

বই সম্পর্কে

জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক স্মরণজিৎ চক্রবর্তীর 'টিনের পুতুল' সমকালীন বাংলা কথাসাহিত্যের একটি বিশেষ উপন্যাস। আধুনিক জীবনের নানামুখী ব্যস্ততা এবং অনুভূতির বৈপরীত্য কীভাবে মানব সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলে, তা তিনি এই উপন্যাসে দক্ষতার সাথে ফুটিয়ে তুলেছেন।

গল্পের প্রতিটি বাঁকে জীবনের সূক্ষ্ম জটিলতা, প্রেম, বিচ্ছেদ এবং না-বলা কথাগুলোর অদ্ভুত এক মেলবন্ধন দেখা যায়। জীবনের টানাপোড়েনে দাঁড়িয়ে মানুষ কীভাবে নিজের ভেতরের পুতুলখেলা ভাঙতে শেখে, তারই এক সংবেদনশীল ছবি এঁকেছেন লেখক।

রিভিউ / পাঠ প্রতিক্রিয়া

স্মরণজিৎ চক্রবর্তীর লেখার বিশেষত্ব হলো তাঁর অত্যন্ত সাবলীল ও কাব্যিক গদ্যরীতি। 'টিনের পুতুল' উপন্যাসেও সেই চেনা রোমান্টিক আবহ ও অন্তর্দৃষ্টির ছাপ স্পষ্ট। তিনি অতি সাধারণ দৈনন্দিন কথোপকথনের মধ্য দিয়েও গভীর জীবনবোধ পাঠকের সামনে হাজির করেন।

উপন্যাসটির চরিত্রগুলো আমাদের চারপাশের রক্তমাংসের মানুষের মতোই বাস্তব এবং তাদের অনুভূতিগুলোর সাথে পাঠক খুব সহজেই একাত্ম হতে পারেন। যারা সমকালীন বাংলা রোমান্টিক এবং মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েনের গল্প পছন্দ করেন, তাদের কাছে বইটি একটি চমৎকার পাঠ-অভিজ্ঞতা দেবে।

মূল বিষয়

সম্পর্কের টানাপোড়েন, ভালোবাসা এবং মানবিক আবেগের জটিল রূপায়ন

চরিত্র / আলোচিত বিষয়

কেন্দ্রীয় চরিত্রসমূহ: যাদের পারস্পরিক সম্পর্ক ও আবেগ নিয়ে গল্পের মূল আখ্যান গড়ে উঠেছে

বই পড়লে কী পাবেন?

  • মনোযোগ দিয়ে পড়ার অভ্যাস তৈরি হবে
  • বাংলা ভাষা ও শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ হবে
  • চিন্তা, কল্পনা ও বিশ্লেষণ ক্ষমতা বাড়বে
  • সাহিত্য, গল্প বা বিষয়ের প্রতি আগ্রহ বাড়বে
  • অবসর সময়কে জ্ঞানভিত্তিকভাবে কাজে লাগানো যাবে