সকল বই (Library)
সোনার ঠাকুর - সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজসৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ

সোনার ঠাকুর - সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ

লেখক: সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ

ডাউনলোড করুন
লেখকসৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
ক্যাটাগরিগোয়েন্দা / থ্রিলার
প্রকাশনীমিত্র ও ঘোষ পাবলিশার্স
প্রকাশ সাল1996
পৃষ্ঠা120 টি
ভাষাBangla

বইয়ের মূল বিষয়বস্তু

একটি প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী মন্দিরের অমূল্য সোনার বিগ্রহ রহস্যজনকভাবে চুরি হয়ে যাওয়া।
বৃদ্ধ প্রকৃতিপ্রেমিক অপেশাদার গোয়েন্দা কর্নেল নীলাদ্রি সরকারের তীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষণ ও তদন্ত।
সাংবাদিক জয়ন্তর রোমাঞ্চকর সঙ্গী হিসেবে উপস্থিতি ও ঘটনার বিবরণ।
গ্রাম্য লোকগাথা, কুসংস্কার এবং ধূর্ত অপরাধীদের মুখোশ উন্মোচনের লড়াই।

সংক্ষিপ্ত প্রিভিউ

নিভৃত এক জনপদের প্রাচীন মন্দির থেকে উধাও হয়ে গেল বহু যুগের প্রাচীন সোনার বিগ্রহ। অলৌকিক কোনো অভিশাপ নাকি মানুষের অতি-লোভের ছক? রহস্যের জট খুলতে ময়দানে নামলেন অদ্বিতীয় কর্নেল নীলাদ্রি সরকার।

বই সম্পর্কে

বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় রহস্য ঔপন্যাসিক সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজের এক অনবদ্য সৃষ্টি 'সোনার ঠাকুর'। গল্পের কেন্দ্রবিন্দু একটি প্রাচীন লোকালয়ের শতাব্দীপ্রাচীন মন্দিরের মূল্যবান সোনার বিগ্রহ চুরি। বিগ্রহটি শুধু ধর্মীয় অনুভূতির সঙ্গেই জড়িত নয়, এর প্রত্নতাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক মূল্যও ছিল আকাশচুম্বী। বিগ্রহ চুরির সঙ্গে সঙ্গেই এলাকায় শুরু হয় চাঞ্চল্য, গুজব এবং একের পর এক সন্দেহজনক ঘটনা।

পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠলে এই দুর্ভেদ্য রহস্য সমাধানে ডাক পড়ে অবসরপ্রাপ্ত সামরিক অফিসার ও শৌখিন পতঙ্গবিদ কর্নেল নীলাদ্রি সরকারের। সঙ্গে যান বিশ্বস্ত সঙ্গী সাংবাদিক জয়ন্ত। ঘটনার গভীরে প্রবেশ করে কর্নেল উপলব্ধি করেন যে সাধারণ কোনো চুরির ঘটনা নয়, এর পেছনে সক্রিয় রয়েছে এক সুসংগঠিত চক্র এবং স্থানীয় কোনো ধূর্ত মস্তিষ্কের হাত।

প্রকৃতির রূপ-রস এবং বাংলার গ্রামীণ পটভূমির নিপুণ বর্ণনার সঙ্গে রহস্যের টানটান বুনন বইটিকে অত্যন্ত উপভোগ্য করে তুলেছে। প্রতিটি অধ্যায়ে পাঠকদের কৌতূহল বজায় রেখে শেষ মুহূর্তে এসে উন্মোচিত হয় এক অবিশ্বাস্য সত্য।

রিভিউ / পাঠ প্রতিক্রিয়া

'সোনার ঠাকুর' উপন্যাসটি সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজের চিরাচরিত সাবলীল লেখনীশৈলী ও গ্রামীণ আবহকে চমৎকারভাবে তুলে ধরেছে। লেখক কেবল চোর-পুলিশ খেলার মধ্যেই গল্পকে সীমাবদ্ধ রাখেননি, বরং বাংলার প্রকৃতি, স্থানীয় মানুষদের মনস্তত্ত্ব ও সরলতাকে অত্যন্ত সংবেদনশীলভাবে চিত্রায়িত করেছেন। কর্নেল চরিত্রের চুরুট ফোঁকার স্টাইল এবং প্রজাপতি খোঁজার আড়ালে অপরাধের সূত্র খুঁজে নেওয়ার কৌশল বরাবরের মতোই আকর্ষণীয়।

উপন্যাসের গতি বেশ সাবলীল এবং ক্লাইম্যাক্স পর্যন্ত রহস্যের পর্দা বজায় রাখতে সক্ষম। ছোট-বড় সব বয়সী পাঠক, বিশেষ করে যারা ক্লাসিক বাংলা রহস্যোপন্যাস ভালোবাসেন, তাদের কাছে এই বইটি ভীষণ উপভোগ্য মনে হবে। কর্নেলের গোয়েন্দাগিরির অনন্য কায়দা বইটিকে স্মরণীয় করে রাখে।

মূল বিষয়

ঐতিহাসিক মূল্যবান প্রতিমা চুরি এবং নেপথ্যের রোমাঞ্চকর রহস্য উদ্ঘাটন

চরিত্র / আলোচিত বিষয়

কর্নেল নীলাদ্রি সরকার: অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তা, প্রকৃতিপ্রেমী ও তীক্ষ্ণধী অপেশাদার বৃদ্ধ গোয়েন্দা।

জয়ন্ত: দৈনিক সংবাদপত্রের তরুণ সাংবাদিক এবং কর্নেলের সার্বক্ষণিক বিশ্বস্ত সহকারী।

মন্দিরের সেবায়েত ও স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ: যাদের ঘিরে বিগ্রহ চুরির সন্দেহ ও নানা পরস্পরবিরোধী তথ্য উঠে আসে।

বই পড়লে কী পাবেন?

  • মনোযোগ দিয়ে পড়ার অভ্যাস তৈরি হবে
  • বাংলা ভাষা ও শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ হবে
  • চিন্তা, কল্পনা ও বিশ্লেষণ ক্ষমতা বাড়বে
  • সাহিত্য, গল্প বা বিষয়ের প্রতি আগ্রহ বাড়বে
  • অবসর সময়কে জ্ঞানভিত্তিকভাবে কাজে লাগানো যাবে

সম্পর্কিত আরও বই

সব দেখুন →