সকল বই (Library)
সোনালী সংসার – মুহাম্মদ মফিজুল ইসলাম বইয়ের প্রচ্ছদ

সোনালী সংসার

লেখক: মুহাম্মদ মফিজুল ইসলাম

ডাউনলোড করুন
লেখকমুহাম্মদ মফিজুল ইসলাম
ক্যাটাগরিসাহিত্য
ভাষাBangla

বইয়ের মূল বিষয়বস্তু

ইসলামি দৃষ্টিকোণে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক ও দাম্পত্য জীবনের ভারসাম্য স্থাপন।
আদর্শ পরিবার গঠনে কুরআন-সুন্নাহর আলোকে বাস্তবধর্মী দিকনির্দেশনা।
ঘরোয়া কলহ, সন্তান প্রতিপালন ও দৈনন্দিন জীবনের সমস্যার ইসলামী সমাধান।

সংক্ষিপ্ত প্রিভিউ

'সোনালী সংসার' বইটি কুরআন-সুন্নাহর আলোকে একজন মুসলিমের আদর্শ পারিবারিক জীবন, দাম্পত্য সম্পর্ক ও সন্তান প্রতিপালনের নির্দেশনা প্রদান করে। এটি একটি সুখী ও আল্লাহভীতিসম্পন্ন পরিবার গঠনে সহায়ক।

বই সম্পর্কে

'সোনালী সংসার' বইটি মুহাম্মদ মফিজুল ইসলাম কর্তৃক রচিত একটি গাইডলাইন, যেখানে কুরআন-সুন্নাহর আলোকে একজন মুসলিমের পারিবারিক জীবন কেমন হওয়া উচিত তা তুলে ধরা হয়েছে। লেখক তাঁর সহজবোধ্য ভাষায় একটি আদর্শ পরিবার গঠনের নৈতিক রূপরেখা এঁকেছেন। বইটি ইসলামী দৃষ্টিকোণে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক, দাম্পত্য জীবনের ভারসাম্য, সন্তানের প্রতি দায়িত্ব, এবং পরিবারকে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে গড়ে তোলার পন্থা নিয়ে আলোচনা করে। এতে বাস্তব উদাহরণ, কুরআন-হাদীসের রেফারেন্স এবং দৈনন্দিন জীবনের সমস্যার সমাধানপ্রসূত আলোচনা রয়েছে। এটি আল্লাহভীতি ও তাকওয়াভিত্তিক দাম্পত্য গঠন এবং প্রচলিত সমস্যা যেমন ঘরোয়া কলহ, সন্তান গড়ার দায়িত্ব, পর্দা ও ইনকামের হালালতার ইসলামী সমাধান প্রদান করে। যারা সুখী, শান্তিপূর্ণ ও আল্লাহভীতিসম্পন্ন পরিবার গঠন করতে চান এবং দাম্পত্য জীবনে ইসলামের নির্দেশনা খুঁজছেন, তাদের জন্য এটি একটি অমূল্য গাইড।

রিভিউ / পাঠ প্রতিক্রিয়া

4.65/ 5

'সোনালী সংসার' কেবল একটি ইসলামিক বই নয়, বরং প্রতিটি মুসলিম পরিবারে থাকা উচিত এমন একটি প্র্যাকটিক্যাল জীবন গাইড। এটি ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ এবং জাতিকেও ইসলামের আলোকে গঠন করতে সক্ষম। এটি ইসলামি পরিবার গঠনে একটি বাস্তবমুখী এবং চমৎকার রোডম্যাপ যা সহজ কথায় গভীর বার্তা ও শিক্ষণীয় পরামর্শ দেয়।

মূল বিষয়

ইসলামিক পারিবারিক শিক্ষা, দাম্পত্য জীবন, নৈতিকতা, সম্পর্ক ও দায়িত্ব

বই পড়লে কী পাবেন?

  • মনোযোগ দিয়ে পড়ার অভ্যাস তৈরি হবে
  • বাংলা ভাষা ও শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ হবে
  • চিন্তা, কল্পনা ও বিশ্লেষণ ক্ষমতা বাড়বে
  • সাহিত্য, গল্প বা বিষয়ের প্রতি আগ্রহ বাড়বে
  • অবসর সময়কে জ্ঞানভিত্তিকভাবে কাজে লাগানো যাবে