সকল বই (Library)
লেখকশীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
ক্যাটাগরিউপন্যাস / গল্প / কবিতা
ভাষাBangla

বইয়ের মূল বিষয়বস্তু

বিজ্ঞানী অঘোর সেন ভিনগ্রহের বাসিন্দাদের সাথে যোগাযোগ করেন এবং একটি বিশেষ সঙ্গীত যন্ত্র আবিষ্কার করেন যা মানুষকে দীর্ঘস্থায়ী ঘুমে আচ্ছন্ন করতে পারে।
রঘু ডাকাতের সন্ত্রাস এবং অঘোর সেনের আবিষ্কারের মধ্যে একটি রহস্যময় সংযোগ রয়েছে যা গল্পের মূল বিষয়।
নেপচা গ্রহ থেকে আগত ভিক নামের এক প্রাণী অঘোর সেনের জীবনে প্রবেশ করে জটিলতা সৃষ্টি করে, যাকে তিনি তার যন্ত্রের সাহায্যে ঘুম পাড়িয়ে দেন।

সংক্ষিপ্ত প্রিভিউ

পাতালঘর শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের একটি চিত্তাকর্ষক কিশোর উপন্যাস, যা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী, রহস্য ও অ্যাডভেঞ্চারের সমন্বয়ে সমৃদ্ধ। গল্পটি বিজ্ঞানী অঘোর সেনের রহস্যময় আবিষ্কার এবং তার প্রভাব নিয়ে আবর্তিত।

বই সম্পর্কে

পাতালঘর শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের অদ্ভুতুড়ে সিরিজের ১৩তম বই, যা ২০১১ সালে প্রকাশিত হয়। এই কিশোর উপন্যাসটি বিজ্ঞানী অঘোর সেনের রহস্যময় আবিষ্কার এবং তার প্রভাব নিয়ে আবর্তিত। অঘোর সেন ভিনগ্রহের বাসিন্দাদের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করেন এবং একটি সঙ্গীত যন্ত্র আবিষ্কার করেন যা মানুষকে দীর্ঘস্থায়ী ঘুমে আচ্ছন্ন করতে পারে। গল্পে রঘু ডাকাতের সন্ত্রাস এবং অঘোর সেনের আবিষ্কারের মধ্যে এক রহস্যময় সংযোগ রয়েছে। নেপচা গ্রহ থেকে আগত ভিক নামের এক প্রাণী অঘোর সেনের জীবনে প্রবেশ করে জটিলতা সৃষ্টি করে, যাকে তিনি তার যন্ত্রের সাহায্যে ঘুম পাড়িয়ে দেন। লেখক দক্ষভাবে বিজ্ঞান কল্পকাহিনী, রহস্য এবং অ্যাডভেঞ্চারকে মিশিয়ে একটি আকর্ষণীয় কাহিনি উপস্থাপন করেছেন, যার সহজ ও প্রাঞ্জল ভাষা এবং জীবন্ত চরিত্রায়ন পাঠকদের মুগ্ধ করে। গল্পে বিজ্ঞান, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধের উপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

রিভিউ / পাঠ প্রতিক্রিয়া

4.5/ 5

বইটির প্রধান ভালো দিক হলো গল্পের টানটান উত্তেজনা, যা পাঠকের আগ্রহ ধরে রাখে। প্রধান ও পার্শ্ব চরিত্রগুলির মজার ও বাস্তবসম্মত বর্ণনা এবং বিজ্ঞান ও কল্পনার সফল সমন্বয় গল্পটিকে সমৃদ্ধ করেছে। তবে, গল্পের কিছু অংশে গতি ধীর হতে পারে এবং কিছু রহস্য কিছুটা পূর্বানুমানযোগ্য মনে হতে পারে।

মূল বিষয়

বিজ্ঞান কল্পকাহিনী, রহস্য ও অ্যাডভেঞ্চার

বই পড়লে কী পাবেন?

  • মনোযোগ দিয়ে পড়ার অভ্যাস তৈরি হবে
  • বাংলা ভাষা ও শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ হবে
  • চিন্তা, কল্পনা ও বিশ্লেষণ ক্ষমতা বাড়বে
  • সাহিত্য, গল্প বা বিষয়ের প্রতি আগ্রহ বাড়বে
  • অবসর সময়কে জ্ঞানভিত্তিকভাবে কাজে লাগানো যাবে