
বইয়ের মূল বিষয়বস্তু
সংক্ষিপ্ত প্রিভিউ
নূরানী কুরআন শরীফ নবীন শিক্ষার্থী, শিশু এবং আরবি পড়তে অনভ্যস্তদের জন্য সহজে কুরআন তিলাওয়াত ও এর অর্থ বোঝার একটি আদর্শ সংস্করণ। এটি সহজবোধ্য উচ্চারণ নির্দেশিকা ও বাংলা অনুবাদসহ ইসলামের মৌলিক শিক্ষা ও নির্দেশনাকে উপস্থাপন করে।
বই সম্পর্কে
নূরানী কুরআন শরীফ নবীন শিক্ষার্থী, শিশু এবং যারা আরবি পড়তে অনভ্যস্ত, তাদের জন্য সহজে তিলাওয়াত শেখার উপযোগী করে তৈরি করা একটি বিশেষ কুরআনের সংস্করণ। এই শরীফে আরবি ভাষার উচ্চারণ সহজ করে শেখানোর জন্য বিশেষ নির্দেশিকা ও হরকত ব্যবহৃত হয়েছে। এর মূল আকর্ষণ হলো সহজবোধ্য উচ্চারণ নির্দেশিকা (হরকত ও অন্যান্য চিহ্ন স্পষ্টভাবে প্রদর্শিত), বাংলা অনুবাদসহ প্রতিটি আয়াতের অর্থ বুঝতে সহায়তা, তাজবীদ চর্চার জন্য নির্দেশনা এবং রঙিন ও স্পষ্ট মুদ্রণ। যারা হাফেজী কুরআন পড়তে চান, তাদের জন্যও এটি সহায়ক। নূরানী কুরআন শরীফ মূল কুরআনের মতোই ১১৪টি সূরা ও ৬,২৩৬টি আয়াতে বিভক্ত। এর মক্কী সূরাগুলো তাওহীদ, আখিরাত, নবুওত ও নৈতিকতা বিষয়ে গুরুত্ব দেয়, এবং মাদানী সূরাগুলো ইসলামের আইন, সামাজিক ব্যবস্থা, অর্থনীতি ও রাষ্ট্রনীতি সম্পর্কে দিকনির্দেশনা প্রদান করে। এই অনুবাদের মাধ্যমে পাঠকরা আল্লাহর একত্ববাদ (তাওহীদ), রিসালাত (নবুওত), পরকাল (আখিরাত), ধৈর্য, বিনয়, দানশীলতা, সত্যবাদিতা, সহানুভূতি ইত্যাদি নৈতিক শিক্ষা, বৈজ্ঞানিক ও ঐতিহাসিক তথ্য, এবং নামাজ, রোজা, হজ, যাকাত, পারিবারিক আইন, বিয়ে-তালাক, উত্তরাধিকার ও বিচারব্যবস্থাসহ সামাজিক বিধান ও আইন সম্পর্কে জানতে পারবেন। এই সংস্করণটি কঠিন আরবি শব্দগুলোকে সহজভাবে বাংলা ভাষায় উচ্চারণ করার উপযোগী করে সাজানো হয়েছে, জটিল ও প্রাচীন বাংলা শব্দ পরিহার করে সহজবোধ্য উচ্চারণ পদ্ধতি ও তাজবীদ নিয়ম অনুসারে লেখা হয়েছে, যাতে পাঠকেরা সঠিকভাবে উচ্চারণ করতে পারেন।
রিভিউ / পাঠ প্রতিক্রিয়া
নূরানী কুরআন শরীফ সহজ ভাষায় কুরআন শেখার উপযোগী এবং আরবি তিলাওয়াত শিখতে আদর্শ একটি সংস্করণ। এর বিষয়বস্তু ও ব্যাখ্যা অত্যন্ত স্পষ্ট। ভাষা ও সাহিত্যিক মান ভালো এবং এটি ব্যবহারিক দিকনির্দেশনা প্রদান করে। সামগ্রিকভাবে, এটি সহজে বোধগম্য এবং স্পষ্ট একটি কুরআন।
মূল বিষয়
কুরআন তিলাওয়াত, অর্থ অনুধাবন ও ইসলামের মৌলিক শিক্ষা
বই পড়লে কী পাবেন?
- মনোযোগ দিয়ে পড়ার অভ্যাস তৈরি হবে
- বাংলা ভাষা ও শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ হবে
- চিন্তা, কল্পনা ও বিশ্লেষণ ক্ষমতা বাড়বে
- সাহিত্য, গল্প বা বিষয়ের প্রতি আগ্রহ বাড়বে
- অবসর সময়কে জ্ঞানভিত্তিকভাবে কাজে লাগানো যাবে





