সকল বই (Library)
মড়ার মৃত্যু - প্রসাদদাস রায় – প্রসাদদাস রায় বইয়ের প্রচ্ছদ

মড়ার মৃত্যু - প্রসাদদাস রায়

লেখক: প্রসাদদাস রায়

ডাউনলোড করুন
লেখকপ্রসাদদাস রায়
ক্যাটাগরিগোয়েন্দা / থ্রিলার
প্রকাশনীদেবী লাইব্রেরী
প্রকাশ সাল1958
পৃষ্ঠা120 টি
ভাষাBangla

বইয়ের মূল বিষয়বস্তু

রহস্য ও অপরাধের সংমিশ্রণে রচিত ক্লাসিক গোয়েন্দা কাহিনী।
একটি অদ্ভুত ও জটিল মৃত্যুর তদন্তকে ঘিরে আবর্তিত পটভূমি।
বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ের বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় রহস্য রচনার অনন্য নিদর্শন।
টানটান উত্তেজনা এবং চমকপ্রদ ক্লাইম্যাক্স।

সংক্ষিপ্ত প্রিভিউ

একটি আপাত অসম্ভব মৃত্যু এবং তার পেছনে লুকিয়ে থাকা কালো ষড়যন্ত্র—রহস্যের জাল ভেদ করে কীভাবে উন্মোচিত হবে আসল সত্য?

বই সম্পর্কে

প্রসাদদাস রায় রচিত 'মড়ার মৃত্যু' বাংলা রহস্য ও থ্রিলার সাহিত্যের একটি চমৎকার ক্লাসিক নিদর্শন। গল্পের সূচনা ঘটে একটি জটিল ও আপাত অমীমাংসিত অপরাধের মাধ্যমে, যা সাধারণ পুলিশের ধারণার বাইরে চলে যায়। ঘটনার পরতে পরতে তৈরি হয় গা শিউরে ওঠা রহস্য ও নানা অসঙ্গতি।

তদন্ত যত এগোতে থাকে, ততই একের পর এক নতুন সন্দেহভাজন ও অন্ধকার গোপন সত্য উন্মোচিত হয়। লেখক দারুণ দক্ষতায় বিংশ শতাব্দীর সেই পুরনো পরিবেশ ও টানটান সাসপেন্সের আবহ তৈরি করেছেন, যা পাঠককে এক নিঃশ্বাসে বইটি পড়তে বাধ্য করে।

রিভিউ / পাঠ প্রতিক্রিয়া

'মড়ার মৃত্যু' উপন্যাসটি মূলত ঐতিহ্যবাহী বাংলা ডিটেকটিভ বা রহস্য সাহিত্যের অনুরাগীদের জন্য এক অনন্য উপহার। লেখকের সাবলীল ভাষা, সংক্ষিপ্ত অথচ গভীর দৃশ্যপট নির্মাণ এবং একের পর এক চমক গল্পটিকে অত্যন্ত উপভোগ্য করে তুলেছে।

যাঁরা ক্লাসিক ধাঁচের অপরাধ তদন্ত, সন্দেহ এবং বুদ্ধিদীপ্ত সমাপনী পছন্দ করেন, তাঁদের কাছে বইটি অত্যন্ত আকর্ষণীয় মনে হবে। পুরোনো প্রকাশনা হওয়া সত্ত্বেও এর গল্পের গতি আজকের পাঠকদেরও সমানে মুগ্ধ করতে সক্ষম।

মূল বিষয়

রহস্যজনক খুন, অনুসন্ধান ও পুরোনো দিনের রোমাঞ্চকর ক্রাইম থ্রিলার

চরিত্র / আলোচিত বিষয়

তদন্তকারী গোয়েন্দা: যে রহস্যময় মৃত্যুর ঘটনার কিনারা করার দায়িত্বে নিয়োজিত।

রহস্যময় ব্যক্তি: যার অদ্ভুত মৃত্যু পুরো গল্পের মূল ঘটনার কেন্দ্রবিন্দু।

বই পড়লে কী পাবেন?

  • মনোযোগ দিয়ে পড়ার অভ্যাস তৈরি হবে
  • বাংলা ভাষা ও শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ হবে
  • চিন্তা, কল্পনা ও বিশ্লেষণ ক্ষমতা বাড়বে
  • সাহিত্য, গল্প বা বিষয়ের প্রতি আগ্রহ বাড়বে
  • অবসর সময়কে জ্ঞানভিত্তিকভাবে কাজে লাগানো যাবে