
বইয়ের মূল বিষয়বস্তু
সংক্ষিপ্ত প্রিভিউ
ঊনবিংশ শতকের বিশিষ্ট কবি অধরলাল সেনের 'ললিতাসুন্দরী ও কবিতাবলী' গ্রন্থে ছন্দ, প্রেম ও প্রকৃতির সুর এক অনন্য কাব্যিক দ্যোতনায় রূপ পেয়েছে।
বই সম্পর্কে
ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথিতযশা কবি অধরলাল সেন (১৮৫৫-১৮৮৫) বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক উজ্জ্বল প্রতিভা। স্বল্পায়ু এই কবি তৎকালীন কাব্যজগতে রোমান্টিক ভাবধারা এবং ধ্রুপদী ছন্দের মিলনে অনন্য সৃষ্টি রেখে গেছেন। 'ললিতাসুন্দরী ও কবিতাবলী' তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলির অন্যতম, যেখানে আখ্যানকাব্যের গভীরতার পাশাপাশি স্থান পেয়েছে মননশীল গীতি-কবিতার সমাহার।
গ্রন্থটির মূল আখ্যান 'ললিতাসুন্দরী'-তে সৌন্দর্য, প্রেম ও মানবিক আবেগের অনুপম প্রকাশ ঘটেছে। কবি এখানে ধ্রুপদী রীতির সাথে সমকালীন রোমান্টিক কল্পনাশক্তির সমন্বয় ঘটিয়েছেন। এছাড়া সংকলনের অন্যান্য কবিতায় প্রকৃতি, আধ্যাত্মিক ভাব এবং জীবনদর্শনের প্রতিফলন দেখা যায়, যা পাঠককে সেই সময়ের সমৃদ্ধ সাহিত্য সংস্কৃতির কাছে নিয়ে যায়।
রিভিউ / পাঠ প্রতিক্রিয়া
'ললিতাসুন্দরী ও কবিতাবলী' কেবল একটি কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি ঊনবিংশ শতাব্দীর বাংলা নবজাগরণকালীন কাব্যধারার একটি ঐতিহাসিক দলিল। অধরলাল সেনের ভাষার মিষ্টতা, সাবলীল ছন্দপ্রয়োগ এবং গভীর অনুভূতি পাঠককে গভীরভাবে আপ্লুত করে। মাইকেল মধুসূদন দত্ত ও হেমচন্দ্রের পরবর্তী প্রজন্মের কবি হিসেবে তাঁর কাব্যে ভাষার আধুনিকায়ন স্পষ্ট পরিলক্ষিত হয়।
বিশেষ করে যারা বাংলা কবিতার ক্রমবিকাশ ও ধ্রুপদী সাহিত্যের অনুরাগী, তাঁদের জন্য এই গ্রন্থটি অত্যন্ত মূল্যবান। ভাষার গাম্ভীর্য সত্ত্বেও ভাব ও কল্পনার স্বচ্ছতা কবিতাগুলোকে চিরকালীন করে তুলেছে। বাংলা সাহিত্যের গবেষক ও বিদগ্ধ কাব্যপ্রেমী যে কারও সংগ্রহে রাখার মতো একটি অনন্য ক্লাসিক সংকলন।
মূল বিষয়
ঊনবিংশ শতাব্দীর আখ্যানমূলক ও রোমান্টিক গীতি-কবিতা
চরিত্র / আলোচিত বিষয়
ললিতা: আখ্যানকাব্যের প্রধান নারী চরিত্র, সৌন্দর্য ও প্রেমের প্রতীক
বই পড়লে কী পাবেন?
- মনোযোগ দিয়ে পড়ার অভ্যাস তৈরি হবে
- বাংলা ভাষা ও শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ হবে
- চিন্তা, কল্পনা ও বিশ্লেষণ ক্ষমতা বাড়বে
- সাহিত্য, গল্প বা বিষয়ের প্রতি আগ্রহ বাড়বে
- অবসর সময়কে জ্ঞানভিত্তিকভাবে কাজে লাগানো যাবে





