সকল বই (Library)
কালসন্ধ্যা – মনোজ সেন বইয়ের প্রচ্ছদ

কালসন্ধ্যা

লেখক: মনোজ সেন

ডাউনলোড করুন
লেখকমনোজ সেন
ক্যাটাগরিগোয়েন্দা / থ্রিলার
ভাষাBangla

বইয়ের মূল বিষয়বস্তু

মনস্তাত্ত্বিক ঘনত্ব
ভাষা ও আবহ
ছন্দময় রচনা

সংক্ষিপ্ত প্রিভিউ

অপরাধ মুছে যায়, কিন্তু তার ছায়া থেকে যায়—যা সন্ধ্যার আলো নিভে যাওয়ার পরও চোখে ভাসে।

বই সম্পর্কে

কালসন্ধ্যা মনোজ সেনের একটি গা-ছমছমে ও মনস্তাত্ত্বিক রহস্যকাহিনি, যেখানে মৃত্যু, অপরাধবোধ, সময় ও নিয়তির ছায়া মিশে আছে। একজন সাধারণ মধ্যবিত্ত নাগরিকের জীবন এক ভয়ংকর সন্ধ্যায় পাল্টে যায়, যখন এক ঘটনা ঘটে — যা দুর্ঘটনাও হতে পারে, আবার অপরাধও। এরপর থেকে অপরাধবোধ, আতঙ্ক ও সন্দেহে তার দিন-রাত ভরে থাকে। বাস্তবতা ও কল্পনার সীমা ঝাপসা হতে থাকে। গল্পের শেষে উন্মোচন হয় যে রহস্যটি কোনো বাহ্যিক ঘটনা নয়, বরং মানুষের মনের ভিতরেই লুকিয়ে ছিল। এই উপন্যাস অপরাধবোধ ও মানসিক ভয়, সময় ও নিয়তি, বাস্তবতা বনাম বিভ্রম এবং নৈতিক সংকট গভীরভাবে অনুসন্ধান করে। লেখক দেখিয়েছেন, অপরাধ সবসময় বাহ্যিক নয়, মানুষের বিবেকই সবচেয়ে বড় বিচারক। কালসন্ধ্যা কেবল একটি সময় নয়, বরং এক প্রতীক যখন জীবনের আলো ও অন্ধকার মিলেমিশে যায়।

রিভিউ / পাঠ প্রতিক্রিয়া

4.65/ 5

কালসন্ধ্যা এমন এক সাহিত্যকর্ম যা রহস্যের ভেতর দিয়ে মানব-মনস্তত্ত্বের গোপন ভয়কে উন্মোচন করে। মনোজ সেন এটিকে "খুন-রহস্য" হিসেবে নয়, বরং একটি "বিবেকের ট্রায়াল" হিসেবে লিখেছেন। এর আবহ এমন যেন প্রতিটি লাইনই সন্ধ্যার মতো, যেখানে আলো ফুরোয়, অন্ধকার নামে, আর মানুষ নিজের ভিতরেই হারিয়ে যায়। এটি শুধু বিনোদন নয়, পাঠ-অভিজ্ঞতা ও আত্মসমালোচনার আহ্বান। অন্ধকার, দার্শনিকতা ও মনস্তত্ত্বের সূক্ষ্ম মিশ্রণ—এটি মনোজ সেনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রচনা।

মূল বিষয়

অপরাধবোধ ও মানসিক ভয়

চরিত্র / আলোচিত বিষয়

মূল নায়ক (Narrator): নীরব, চিন্তাশীল, অপরাধবোধে ভোগা মানুষ—যার দৃষ্টিকোণেই গল্পটি বলা হয়েছে।

নারী চরিত্র: একদিকে ভালোবাসার প্রতীক, অন্যদিকে নিয়তির প্রতিশোধের ছায়া।

সহচর / প্রতিবেশী / বন্ধু: সাধারণ মানুষ, কিন্তু তাদের কথাতেই প্রকাশ পায় সমাজের ভয় ও বিচারবোধ।

বই পড়লে কী পাবেন?

  • মনোযোগ দিয়ে পড়ার অভ্যাস তৈরি হবে
  • বাংলা ভাষা ও শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ হবে
  • চিন্তা, কল্পনা ও বিশ্লেষণ ক্ষমতা বাড়বে
  • সাহিত্য, গল্প বা বিষয়ের প্রতি আগ্রহ বাড়বে
  • অবসর সময়কে জ্ঞানভিত্তিকভাবে কাজে লাগানো যাবে