
বইয়ের মূল বিষয়বস্তু
সংক্ষিপ্ত প্রিভিউ
‘জীবন্ত পাহাড়ের সন্তান (২য় খণ্ড)’ একটি সাহসী, মানবিক ও ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস, যা আমাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখায় কতটা না দেখা, না শোনা গল্প পাহাড়ে জমে আছে। এটি আদিবাসী জীবনের আত্মাকে ভাষা দিয়েছে এবং আপনাকে নতুন এক বাংলাদেশ, পাহাড়ের ভেতরের বাংলাদেশকে চিনিয়ে দেবে।
বই সম্পর্কে
‘জীবন্ত পাহাড়ের সন্তান (২য় খণ্ড)’ তারেক ইসমাঈলের একটি ব্যতিক্রমধর্মী ধারাবাহিক উপন্যাসের দ্বিতীয় পর্ব। এতে চট্টগ্রাম হিল ট্র্যাক্টস-এর আদিবাসী জীবন, রাজনৈতিক দুঃসহ বাস্তবতা এবং অস্তিত্বের সংগ্রাম অত্যন্ত দক্ষতায় উপস্থাপিত হয়েছে। প্রথম খণ্ডের ধারাবাহিকতায় পাঠক পাহাড়ি মানুষের ভাষা, সংস্কৃতি, আশা, হাহাকার ও প্রতিরোধের বয়ানে গভীরভাবে প্রবেশ করেন। উপন্যাসটি মূলত এক পাহাড়ি তরুণ ও তার জাতিসত্তার যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার কাহিনি। এতে রাষ্ট্রের দৃষ্টিভঙ্গি, পাহাড়িদের নিজস্ব অবস্থান, সামরিক উপস্থিতি, সাংস্কৃতিক দ্বন্দ্ব, প্রশাসনিক নিপীড়ন, প্রেম, বন্ধুত্ব, বিশ্বাসঘাতকতা, আত্মত্যাগ এবং এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মে বয়ে চলা স্বপ্ন আর প্রতিরোধ তীব্রভাবে তুলে ধরা হয়েছে। বইটি বাস্তব অভিজ্ঞতায় নির্মিত সাহিত্যে রাজনৈতিক গভীরতা ধারণ করে, প্রতিটি চরিত্র ও ঘটনা যেন বাস্তব ইতিহাসের ছায়াচিত্র। পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর ভাষা, রীতি ও সংস্কৃতির অনন্য চিত্রায়ন পাঠককে পাহাড়ের প্রকৃতি, মানুষ, ব্যথা ও ভাষার সাথে একাকার করে তোলে। এতে রয়েছে গভীর মানবিকতা ও নিঃশব্দ প্রতিবাদ এবং তারেক ইসমাঈলের লেখনী সরল হলেও প্রগাঢ়, কখনো কাব্যিক, কখনো কঠিন সত্যের ধারালো ভাষা। উপেক্ষিত জনগোষ্ঠীর কণ্ঠস্বরকে সাহসের সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে, যা রাষ্ট্র, সমাজ ও জাতিসত্তার দ্বন্দ্বে আবৃত একটি বাস্তব ও মননশীল গল্প।
রিভিউ / পাঠ প্রতিক্রিয়া
‘জীবন্ত পাহাড়ের সন্তান (২য় খণ্ড)’ একটি সাহসী, মানবিক ও ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস। এই উপন্যাসে তারেক ইসমাঈল শুধু গল্প বলেননি, তিনি আদিবাসী জীবনের আত্মাকে ভাষা দিয়েছেন।
মূল বিষয়
জাতিসত্তা, পাহাড়ি জনগোষ্ঠী, সামাজিক বাস্তবতা, রাজনৈতিক সংগ্রাম
বই পড়লে কী পাবেন?
- মনোযোগ দিয়ে পড়ার অভ্যাস তৈরি হবে
- বাংলা ভাষা ও শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ হবে
- চিন্তা, কল্পনা ও বিশ্লেষণ ক্ষমতা বাড়বে
- সাহিত্য, গল্প বা বিষয়ের প্রতি আগ্রহ বাড়বে
- অবসর সময়কে জ্ঞানভিত্তিকভাবে কাজে লাগানো যাবে





