সকল বই (Library)
দোজখনামা - রবিশংকর বল – রবিশংকর বল বইয়ের প্রচ্ছদ

দোজখনামা - রবিশংকর বল

লেখক: রবিশংকর বল

ডাউনলোড করুন
লেখকরবিশংকর বল
ক্যাটাগরিউপন্যাস / গল্প / কবিতা
প্রকাশনীদে'জ পাবলিশিং
প্রকাশ সাল2010
পৃষ্ঠা328 টি
ভাষাBangla

বইয়ের মূল বিষয়বস্তু

মির্জা গালিব ও সাদাত হাসান মান্টোর যুগল জীবনবৃত্তান্তের মেলবন্ধন।
দিল্লি এবং লাহোরের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও দেশভাগের মর্মান্তিক ট্র্যাজেডি।
শিল্পীর অন্তর্বেদনা, নিঃসঙ্গতা ও সাহিত্যের প্রতি অবিচল নিষ্ঠা।
ইতিহাস ও কল্পনার অপূর্ব সংমিশ্রণে রচিত এক ধ্রুপদী আখ্যান।

সংক্ষিপ্ত প্রিভিউ

দুই ভিন্ন সময়ের দুই যুগান্তকারী সাহিত্যিক—মির্জা গালিব এবং সাদাত হাসান মান্টো। কবরের ভেতর থেকে একে অপরের সঙ্গে কথা বলছেন, তুলে আনছেন তাদের জীবনের হাহাকার, সৃষ্টিশীলতা ও ইতিহাসের ক্ষতচিহ্ন।

বই সম্পর্কে

‘দোজখনামা’ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম সেরা এবং কালজয়ী একটি উপন্যাস, যার রচয়িতা রবিশংকর বল। উপন্যাসে লেখক এক অনন্য অতিলৌকিক ও দার্শনিক পটভূমি নির্মাণ করেছেন, যেখানে কবরের ওপার থেকে একে অপরের সঙ্গে কথোপকথনে যুক্ত হন ঊনবিংশ শতকের প্রবাদপ্রতিম উর্দু কবি মির্জা গালিব এবং বিংশ শতকের প্রখ্যাত গল্পকার সাদাত হাসান মান্টো।

উপন্যাসটির মূল সুর আবর্তিত হয়েছে শিল্পীর নিঃসঙ্গতা, সমাজের কপটতা, মোগল সাম্রাজ্যের পতন, ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহ এবং ১৯৪৭ সালের দেশভাগের গভীর ক্ষত নিয়ে। গালিবের দিল্লি আর মান্টোর বোম্বাই ও লাহোর এক সুতোয় গাঁথা হয়েছে স্মৃতি ও আক্ষেপের ভেতর দিয়ে। রবিশংকর বলের কাব্যিক ও গভীর গদ্যশৈলী পাঠককে ইতিহাসের এক অবদমিত যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে নিয়ে যায়।

রিভিউ / পাঠ প্রতিক্রিয়া

রবিশংকর বলের ‘দোজখনামা’ নিছক কোনো ঐতিহাসিক বা আত্মজৈবনিক উপন্যাস নয়; এটি এক মহাকাব্যিক শোকগাথা। লেখক যেভাবে দুই ভিন্ন শতাব্দীর দুই মহান স্রষ্টার কণ্ঠস্বর ও দর্শনকে একীভূত করেছেন, তা সত্যিই বিস্ময়কর। বইটির পরতে পরতে ছড়িয়ে রয়েছে দর্শন, তীব্র রাজনৈতিক চেতনা এবং শিল্পীর অস্তিত্বের সংকট।

বইটির ভাষা অত্যন্ত মননশীল এবং মেটাফোর সমৃদ্ধ। গালিব ও মান্টোর ব্যক্তিজীবন, দারিদ্র্য, মদ্যপানের আসক্তি এবং সমকালীন সমাজ দ্বারা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার যন্ত্রণা নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে। যারা গভীর জীবনদর্শন, উর্দু সাহিত্যের নির্যাস এবং ইতিহাস আশ্রিত গভীর উপন্যাস পড়তে ভালোবাসেন, তাদের জন্য ‘দোজখনামা’ একটি অবিস্মরণীয় পাঠ-অভিজ্ঞতা এনে দেবে।

মূল বিষয়

মির্জা গালিব ও সাদাত হাসান মান্টোর কবর থেকে হওয়া কাল্পনিক কথোপকথনের মাধ্যমে শিল্প, রাজনীতি, দেশভাগ এবং মানবজীবনের যন্ত্রণার উন্মোচন।

চরিত্র / আলোচিত বিষয়

মির্জা আসাদুল্লাহ খাঁ গালিব: ঊনবিংশ শতাব্দীর মহান উর্দু কবি, যাঁর স্মৃতিচারণ ও জীবনভাষ্য উপন্যাসের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র।

সাদাত হাসান মান্টো: বিংশ শতাব্দীর বিতর্কিত ও প্রখ্যাত ছোটগল্পকার, যাঁর সঙ্গে গালিবের অতিলৌকিক সংলাপ রচিত হয়।

কথক / অনুসন্ধানকারী: যে পাণ্ডুলিপি ও স্মৃতির সন্ধানে পুরো আখ্যানটিকে তুলে ধরে।

বই পড়লে কী পাবেন?

  • মনোযোগ দিয়ে পড়ার অভ্যাস তৈরি হবে
  • বাংলা ভাষা ও শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ হবে
  • চিন্তা, কল্পনা ও বিশ্লেষণ ক্ষমতা বাড়বে
  • সাহিত্য, গল্প বা বিষয়ের প্রতি আগ্রহ বাড়বে
  • অবসর সময়কে জ্ঞানভিত্তিকভাবে কাজে লাগানো যাবে