আবার সেই দঃস্বপ্ন – কাজী আনোয়ার হোসেন – ফ্রি পিডিএফ ডাউনলোড – Free PDF Download এই বইটি ডাউনলোড করে নিন এখনি। আরো নতুন নতুন বই পেতে ভিজিট করুন আমাদের বই লাইব্রেরি।
মহান আল্লাহ বলেন –
পড়ো! তোমার প্রভুর নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন
আল কুরআন
জগতের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত প্রত্যেক জমানায়, প্রত্যেক সময়ে কিছু মানুষ এমন ছিল যারা অজানাকে জানতে চেয়েছে, বুঝতে চেয়েছে। অনুধাবন করতে চেষ্টা করেছে বিশ্বজগতের গূঢ় রহস্য, অবলোকন করেছে পরম বিস্ময়ের সাথে মহাকাশের লীলাখেলা। এই মানুষগুলোর নিরন্তর প্রচেষ্টার ফলেই আজ আমরা এখানে দাঁড়িয়ে আছি এবং এত সুন্দর কিছু প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারছি, পৃথিবী এগিয়ে যাচ্ছে উন্নয়নের সোপান বেয়ে তরতর করে। এই পথচলার মাঝেই আরেকটি ক্ষুদ্র প্রয়াস আমাদের এই ওয়েবসাইট। এখানে বাংলাভাষায় এবং অন্যান্য সকল ভাষায় পরবর্তীতে সর্বাধিক বইয়ের লাইব্রেরি করার ইচ্ছা আমাদের রয়েছে। বারবার এই সাইট বন্ধ হয়েছে, অন্য নামে আবার এসেছে, আসবে। এইজন্যে আপনাদের সাপোর্ট প্রয়োজন। আপনারা প্রতিনিয়ত সাইটে ভিজিট করে যাবেন এই আশাবাদ ব্যক্ত করছি। আমাদের জানাবেন কোনো সমস্যা থাকলে।

বইটি সম্পর্কেঃ
অনুবাদঃ কাজী আনোয়ার হোসেন
পৃষ্ঠাসংখ্যাঃ ৩৭৪
আবার সেই দঃস্বপ্ন – বইটির এক ঝলকঃ
‘বাটা একটা ভাঁড়,’ তাচ্ছিল্যের সাথে বললো সলোমন । ‘ও কি লিখবে শুনি? সিকি ভাগও তো জানে না।’
‘সিকি ভাগই বা জানলো কিভাবে ??
‘হোম অফিসের বিশেষ অনুমতি নিয়ে আমার সাথে দেখা করেছিল। প্রায় সবটুকুই বলেছিলাম তাকে আমি, কিন্তু লিখতে জানলে তো! প্ল্যানিঙের সবটুকু কৃতিত্ব দিয়ে বসলো রিড কোয়েনকে, উজবুক আর কাকে বলে! প্ল্যান একটা কোয়েন” করেছিল বটে, কিন্তু সেটা আমরা মানিনি — কাজেও লাগাইনি।’ “তাহলে তোমার প্ল্যান মতোই কাজটা হয়?’
‘অবশ্যই,’ কাঁধ ঝাকালো সলোমন। ‘কোয়েনকে আমার দরকার ছিলো। এটা আমি স্বীকার করি। ও ডাকোটা চালাতে জানতো, সেজন্যেই ওকে নেয়া।’
‘আর জন হেরিক ?”
কি করতে হবে বলে দিলে স্রেফ জাদু দেখিয়ে দেবে, তা না হলে কাঠের পুতুল।’
‘রিপ হটন ?’
‘উপস্থিত বুদ্ধি ভালোই, কিন্তু দূরদৃষ্টির ভয়ানক অভাব। “কোনো ধারণা আছে এখন তারা কোথায় ?
‘ঘটে যদি কোনো বুদ্ধি থাকে তাহলে নিশ্চয়ই কোনো সী- বীচে সুন্দরীদের নিয়ে রোদ পোহাচ্ছে আর টাকা ওড়াচ্ছে।’ ‘নিজের ভাগ্যের কথা কেউ বলতে পারে না, হাসলে রানা। ‘ঠিক এই মুহূর্তে ওরা হয়তো তোমাকেও দলে টানার বৃদ্ধি করছে।’
ভাষাহীন দৃষ্টিতে রানার দিকে তাকিয়ে থাকলো সলোমন ।
‘কি বললে ? আমাকে বের করে নিয়ে যাবে ? ফ্রাইডেথপ থেকে ?’ অট্টহাসিতে ফেটে পড়লো সে। ‘আফগান যুবক, শেখার এখনো অনেক কিছু বাকি আছে তোমার । এখান থেকে একটা ইঁদুর বেরুতে পারে না, কেউ তোমাকে বলেনি ?’
রানা কিছু বলতে যাচ্ছিলো, কিন্তু ওকে থামিয়ে দিলো
সলোমন ।
‘টেলিভিশন ক্যামেরা আর ইলেকট্রনিক গিয়ার আছে এখানে। রিইনফোর্সড কংক্রিট দিয়ে বিশেষ দেয়াল আর পাঁচিল তৈরি করা হয়েছে, ভিতগুলো বিশ ফিট গভীর। কেউ যাতে টানেল বানাতে না পারে, আক্ষেপের সাথে মাথা নাড়লো সলোমন । ‘শুধু শুধু ফ্রাইডেথর্পকে নিশ্ছিদ্র খাচা বলা হয় ? কেউ আজ পর্যন্ত পালাতে পারেনি এখান থেকে।’
‘তা না পারুক,’ বললো রানা। ‘কিন্তু পালাবার রাস্তা আসলে ঠিকই একটা না একটা থাকে।’
‘আমাদের ভাগ্যে তাহলে কি জুটলো আজ ? দুর্লভ একটা প্রতিভা ?’
‘যথেষ্ট দুর্লভ ।”
‘কিন্তু সে প্রতিভা রুথম্যান মেটাল ইণ্ডাস্ট্রিতে কোনো কাজে আসেনি। তা না হলে তুমি এখানে কেন ?’
‘কাজে আসেনি মানে ? কঠিন চোখে তাকালো রানা, যেন ওর কৃতিত্বটাকে ছোটো করে দেখায় রাগ হয়েছে। ‘কেন, টাকা নিয়ে বেরিয়ে আসিনি আমি ? ধরিয়ে দিলো তো হারামজাদী
বইটি ডাউনলোড করে নিন নিচের দেয়া লিঙ্ক থেকে এবং পড়ে নিন সহজেই। লিঙ্কে ক্লিক করে ডাউনলোড করতে না পারলে আমাদের জানিয়ে দিন। ফিক্স করে দেয়া হবে। অথবা নিচে কমেন্ট করুন কেমন লাগলো বইটি!
বই পড়া অনেকের জন্য নেশা, অনেকের জন্য পরম ভালোবাসার একটি বস্তু। এই বইকে আমরা সহজলভ্য এবং সহজে পাওয়ার বস্তু হিসেবে উপস্থাপন করতে চাইছি, তাই আমাদের সাইট আমরা ডিজাইন করেছি ইউজার ফ্রেন্ডলিনেস বজায় রেখে। সাইটের কোনো ধরনের ইস্যু নিয়ে কোনো মতামত থাকলে জানাতে পারেন, এবং বই এর জন্যে রিকুয়েস্ট করতে পারেন উপরে বাটন দেয়া আছে নিচেও লিঙ্ক দেয়া আছে। সর্বোপরি সকলের সহযোগিতা কাম্য সাইট চালাতে হলে, ইনশাআল্লাহ আমরা সকলেই বই পড়ে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারবো!